গ্যাস অবকাঠামো পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে নির্ধারিত প্রকৌশল কাজের কারণে রাজধানীর আশুলিয়া-সাভারসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।
সংস্থাটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের জরুরি পাইপলাইন স্থানান্তর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।
এই সময়ে আশুলিয়া টিবিএস থেকে বাইপাইল পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশ, ঢাকা ইপিজেড, কাশিমপুর, নবীনগর, সাভার টাউন, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, শ্রীপুর, চন্দ্রা, মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী বিস্তৃত এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি সংলগ্ন এলাকাগুলোতে স্বল্পচাপ পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
গ্যাস অবকাঠামো পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে নির্ধারিত প্রকৌশল কাজের কারণে রাজধানীর আশুলিয়া-সাভারসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। সংস্থাটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের জরুরি পাইপলাইন স্থানান্তর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। এই সময়ে আশুলিয়া টিবিএস থেকে বাইপাইল পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশ, ঢাকা ইপিজেড, কাশিমপুর, নবীনগর, সাভার টাউন, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, শ্রীপুর, চন্দ্রা, মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী বিস্তৃত এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি সংলগ্ন এলাকাগুলোতে স্বল্পচাপ পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি কিশোরকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গড়িনাবাড়ী ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া পাটশিরি সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের ১৩২ ব্যাটালিয়নের মরিচা ক্যাম্পের টহল দল তাদের আটক করে নিয়ে যায়। আটক দুই কিশোর হলেন আটোয়ারী উপজেলার শিবু চন্দ্র রায়ের ছেলে ইন্দ্র (১৪) এবং সমারু চন্দ্র রায়ের ছেলে উদয় (১৪)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা সীমান্ত পিলার ৪১৭-এর নিকটবর্তী এলাকা দিয়ে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে মীরগঞ্জ এলাকায় বিএসএফ তাদের আটক করে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিকেলে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস জানান, বিষয়টি জানার পরপরই বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং দুই কিশোরকে ফেরত আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
পদোন্নতি নীতিমালা ও শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এ অচল হয়ে পড়েছে ক্যাম্পাস, বন্ধ রয়েছে সব একাডেমিক কার্যক্রম। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির ফলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। শিক্ষক অনুপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে নেমে আসে নীরবতা, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে। আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি, ২০১৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে এবং দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট দ্রুত সমাধান করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে লাগাতার শাটডাউনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। এর আগে আন্দোলনের অংশ হিসেবে একজন অধ্যাপক আমরণ অনশনে গেলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে অন্যান্য শিক্ষকরা একদিনের কর্মবিরতি পালন করে বুধবার থেকে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকের ঘাটতি থাকায় একাধিক বিভাগে সীমিত জনবল দিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে, ফলে একেকজন শিক্ষককে অতিরিক্ত কোর্সের চাপ নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারি নীতিমালা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনার আলোকে নতুন পদোন্নতি কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা দ্রুত সংকট নিরসন করে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।