ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী প্রাঙ্গণে আয়োজিত মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলাকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। গত ৩ এপ্রিল শুরু হওয়া এ মেলায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ভিড় আরও বাড়ছে।
মেলা আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলায় প্রায় ৪০টির বেশি স্টল বসেছে। এসব স্টলে দেশীয় হস্তশিল্প, পোশাক, গৃহস্থালি ও ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা আকর্ষণে বিভিন্ন স্টলে বিশেষ ছাড় ও অফার দেওয়া হচ্ছে।
দর্শনার্থীরা জানান, এক স্থানে নানা পণ্য পাওয়ায় কেনাকাটা সহজ হচ্ছে এবং পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, মেলাকে কেন্দ্র করে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
মেলা প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার রয়েছে। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, মেলাটি এখন স্থানীয়দের জন্য বিনোদন ও কেনাকাটার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (বিএইউএসটি) পরিদর্শন করেছেন মেজর জেনারেল এ বি এম ফয়সাল বাতেন, জিওসি ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, রংপুর এরিয়া। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে তিনি সেনানিবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছালে উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোবারক হোসেন মজুমদার তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরিদর্শনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। জিওসি ভর্তি কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের আবাসন ও পরিবহন সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বিশেষভাবে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ এবং সেশনজটমুক্ত শিক্ষা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিদর্শন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।
‘পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কেন্দ্রে বেলুন উড়িয়ে সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। উদ্বোধন শেষে একটি র্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক। সভায় পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান, জেলা তথ্য কর্মকর্তা বায়েজিদ হোসেন এবং জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আতিউর রহমান শেখ।
বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বড় আঁচড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে, যা প্রাথমিকভাবে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যা করে দুর্বৃত্তরা মরদেহটি ঘটনাস্থলে ফেলে যায়। বাংলাদেশ পুলিশ জানায়, স্থানীয় কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে মরদেহটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে। বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।