চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চরম উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে মো. শাহাদাত হোসেন (৩০)-এর ওপর এ হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, মুখোশ পরা কয়েকজন ব্যক্তি হঠাৎ সেখানে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড মাইজপাড়া এলাকার মৃত মো. শফি আহমদের ছেলে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে হামলার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর টানা কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে পুরো এলাকা। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ে গাছ উপড়ে ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোন চার্জ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মন্নাটুলী বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ীরা জেনারেটর চালিয়ে মোবাইল চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এতে প্রতি মোবাইল চার্জে ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। জরুরি যোগাযোগ রক্ষায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে এ সেবা নিচ্ছেন। এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কও দুর্বল হয়ে পড়েছে। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও এয়ারটেলসহ বিভিন্ন অপারেটরের সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় যোগাযোগ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, ঝড়ে লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ অপসারণ ও মেরামতের কাজ চলছে। তবে বিদ্যুৎ চালু হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চরম উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে মো. শাহাদাত হোসেন (৩০)-এর ওপর এ হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, মুখোশ পরা কয়েকজন ব্যক্তি হঠাৎ সেখানে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। নিহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড মাইজপাড়া এলাকার মৃত মো. শফি আহমদের ছেলে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে হামলার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা-এ জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুষ্টিবিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ আয়োজন সীমিত পরিসরে হওয়ায় জনসম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কিছু শিক্ষার্থী অংশ নিলেও স্থানীয় গণমাধ্যম, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে আগেভাগে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আয়োজন করা হয়। তবে এটি মূলত অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ ছিল এবং ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম দেখা যায়নি। স্থানীয় শিক্ষক ও সচেতন নাগরিকরা বলেন, জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হলেও এ ধরনের সীমিত আয়োজন সেই লক্ষ্য পূরণে কার্যকর নয়। গণমাধ্যমকর্মীরাও অভিযোগ করেন, তাদের কোনো আমন্ত্রণ বা তথ্য জানানো হয়নি, ফলে কার্যক্রমটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কোম্পানীগঞ্জ কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সচেতন মহল এ ধরনের কর্মসূচিতে আরও বিস্তৃত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।