প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে সাবেক হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই প্রক্রিয়া জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানান, অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধান চলমান রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে দায়িত্ব পালনকালে সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডসহ একাধিক বাণিজ্যিক ও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে তা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ১২টি ভুয়া ও আড়াল করা কোম্পানির মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন ও স্থানান্তর করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে গত বছরের জুন থেকে দুদক আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তরা সংস্থার তলবে সাড়া দেননি বলে জানা গেছে।
দুদক জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব নথি বিশ্লেষণ শেষে আইনানুগ পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে সাবেক হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই প্রক্রিয়া জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানান, অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধান চলমান রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। দুদক সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে দায়িত্ব পালনকালে সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডসহ একাধিক বাণিজ্যিক ও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে তা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ১২টি ভুয়া ও আড়াল করা কোম্পানির মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন ও স্থানান্তর করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে গত বছরের জুন থেকে দুদক আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তরা সংস্থার তলবে সাড়া দেননি বলে জানা গেছে। দুদক জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব নথি বিশ্লেষণ শেষে আইনানুগ পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতার অবক্ষয় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল প্রবণতা’ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (২৬ এপ্রিল) ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মের একটি অংশ শিক্ষক ও নীতিনির্ধারকদের প্রতি শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ করছে, যা সামাজিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাৎক্ষণিক ভাইরাল হওয়ার প্রবণতা অনেককে উদ্দেশ্যহীন ও অসংলগ্ন বক্তব্যে উৎসাহিত করছে, যা শিক্ষার্থীদের আচরণগত ভারসাম্য নষ্ট করছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইউনিফর্ম পরিহিত শিক্ষার্থীদের মধ্যেও এমন আচরণ দেখা যাচ্ছে, যা শিক্ষাব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এ অবস্থায় তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি। একইসঙ্গে তিনি দেশের মেধাস্বত্ব ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়িয়ে উদ্ভাবন সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষ, মেধাভিত্তিক ও জনবান্ধব প্রশাসন গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশন-এর তৃতীয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে যোগ্যতা ও দক্ষতাভিত্তিক জনপ্রশাসন গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও বলেন, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল মানবসম্পদ গঠন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও জনমুখী ও সেবাকেন্দ্রিক হতে হবে। গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ দীর্ঘদিন ধরে জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থার প্রত্যাশা করে আসছে এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে সেই প্রত্যাশার আলোকে পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে। অনুষ্ঠানে তিনি বিয়াম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। শেষে তিনি ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।