রাজনীতি

তারেক রহমানের চার দিনের সফরসূচি ঘোষণা

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ জানুয়ারী ৭, ২০২৬
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চার দিনের উত্তরাঞ্চল সফরসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট সফর করবেন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিএনপির পক্ষ থেকে এ সফরসূচি জানানো হয়। দলীয় সূত্রে বলা হয়েছে, ১১ জানুয়ারি সকালে ঢাকা ত্যাগ করে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় পৌঁছাবেন তারেক রহমান। পরদিন তিনি বগুড়া থেকে রংপুর ও দিনাজপুর হয়ে ঠাকুরগাঁও যাবেন।
এরপর পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট সফর শেষে রংপুরে রাত্রিযাপন করবেন তিনি। সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী এলাকা ঘুরে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
সফরকালে তারেক রহমান মাওলানা ভাসানী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ এবং আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে বিএনপি জানিয়েছে।

 

রাজনীতি

আরও দেখুন
হাসনাতের পর নাসীরুদ্দীনের পোস্টেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী-এর একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৭টা ৪০ মিনিটে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ! চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ!’—যা প্রকাশের পরপরই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রতিক্রিয়া, মন্তব্য ও শেয়ার দেখা গেছে। এর আগে একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে হাসনাত আব্দুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ শীর্ষক সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাস দেন। পোস্টটি অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করা যায়। দুই নেতার ধারাবাহিক পোস্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থন ও সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
হাসনাত আবদুল্লাহ

হাসনাত আবদুল্লাহর দুই শব্দের পোস্টে মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ঝড়

মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ কথা বলে চাঁদাবাজিকে বৈধ করছে: জামায়াতে ইসলামী

শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে ঘিরে ‘রাজাকার’ ও ‘একাত্তরের দালাল’ স্লোগান

মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর ছাত্র রাজনীতির অঙ্গনে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কেন তিনি এমন চরম পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে এখনও রহস্য কাটেনি। বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মেঘমল্লার বসু বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তার শারীরিক অবস্থা এখন কিছুটা স্থিতিশীল। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই মর্মান্তিক পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে বিষয়ে তার সহকর্মী বা সংগঠন থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানানো হয়নি।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

উজিরপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

হাসনাত আবদুল্লাহ

চাঁদা নিতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার নির্দেশ এমপি হাসনাতের

বগুড়া–৬ আসন ছাড়লেন তারেক রহমান

আফরোজা রিতা
মন্ত্রীসভায় কি থাকবেন আফরোজা রিতা?

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর মানিকগঞ্জের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার তিনটি আসনেই বিএনপির ভূমিধস জয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের টানা ১৬ বছরের আধিপত্যের অবসান হয়েছে। এতে জেলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হলেও এখন আলোচনার কেন্দ্রে—নতুন মন্ত্রিসভায় মানিকগঞ্জ থেকে কেউ স্থান পাবেন কি না। ২০০৮ সালের আগে মানিকগঞ্জে চারটি সংসদীয় আসন থাকলেও সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর তা কমে তিনটি হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জেলার সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। ওই সময়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও পরে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা জেলার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ায়। এর আগে বিএনপি সরকারের সময় মানিকগঞ্জ থেকে একাধিক মন্ত্রী ছিলেন। ফলে জেলাটি দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পেয়ে আসছে—যা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রত্যাশাকে আরও জোরালো করেছে। ২০০৮ সালের পর মানিকগঞ্জে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেও নেতৃত্বে আসেন প্রয়াত হারুনার রশিদ খান মুন্নুর কন্যা আফরোজা খানম রিতা। তিনি জেলা বিএনপির দায়িত্ব পালন করেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তিনি নানামুখী চাপের মুখেও রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি মানিকগঞ্জের তিনটি আসনেই জয়ী হয়। এর মাধ্যমে দলটি জেলার ঐতিহ্যগত ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মানিকগঞ্জে দীর্ঘদিন মন্ত্রী থাকার একটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব রয়েছে। বিএনপির একাংশ মনে করে, আফরোজা খানম রিতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা হবে ত্যাগের স্বীকৃতি। তবে মন্ত্রিসভা গঠনে আঞ্চলিক ভারসাম্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। মানিকগঞ্জে বিএনপির নতুন যাত্রা শুরু হলেও এই অর্জন ধরে রাখা এবং উন্নয়ন প্রত্যাশা পূরণ করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব সেই প্রক্রিয়ায় কতটা ভূমিকা রাখবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

মানিকগঞ্জ ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

এনসিপি যমুনায় আজ সন্ধ্যায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

নাহিদ ও সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান

0 Comments