দেশে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিন সংগ্রহে বিপুল অর্থ ব্যয়ের তথ্য জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ টাকার বেশি। মন্ত্রী জানান, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিন ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য মোট ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে সিরিঞ্জ ক্রয়, পরিবহন ও শিপিং খাতেও উল্লেখযোগ্য ব্যয় হয়েছে। ভ্যাকসিন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে দেশ দ্রুত করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি সংশোধিত এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ (প্রথম সংশোধন)’ এবং ‘চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রজেক্ট-৪ (তৃতীয় সংশোধন)’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্পের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং আধুনিকীকরণ (প্রথম সংশোধিত)’ এবং ‘গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়সীমা ও অর্থব্যয়ের যথাযথতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ২৩টি শূন্য পদের জন্য জনবল নিয়োগ দেবে। নিয়োগ দেওয়া হবে গ্রেড ১৩ থেকে ১৭ পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। পদের বিবরণ: ১. ব্যক্তিগত সহকারী – ৪টি, গ্রেড ১৩, বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা ২. কম্পিউটার অপারেটর – ৭টি, গ্রেড ১৪, বেতন ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা ৩. স্টোর কিপার – ১টি, গ্রেড ১৫, বেতন ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা ৪. অ্যাকাউন্টস ক্লার্ক – ১টি, গ্রেড ১৬, বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা ৫. সহকারী স্টোর কিপার – ১টি, গ্রেড ১৬, বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা ৬. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক – ৪টি, গ্রেড ১৬, বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা ৭. সার্ভেয়ার – ১টি, গ্রেড ১৬, বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা ৮. ডাটা এন্ট্রি অপারেটর – ১টি, গ্রেড ১৬, বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা ৯. ড্রাফটসম্যান (অটোক্যাড অপারেটর) – ৩টি, গ্রেড ১৭, বেতন ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা শর্তাবলী: • বয়স: ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১৮-৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে • আবেদন শুরু: ৫ এপ্রিল ২০২৬, বেলা ১২:০০ টা • আবেদনপত্র পূরণের জন্য প্রার্থীরা ডিটিসিএ ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সরকারি চাকরির নিয়ম ও পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।