বিশ্ব

দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স‌ম্মেলন

Icon
নিখাদ খবর ডেস্ক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তি, আস্থা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

ভারতীয় বিদ্যাপীঠ এডুকেশনাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত “দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে শান্তি রক্ষা ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা” শীর্ষক সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংবাদিক, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ হাসান নবী। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা স্থবির হলেও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা জনমানুষের মধ্যে আস্থার সেতু গড়ে তুলতে এবং শান্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ।

আলোচকরা উল্লেখ করেন, দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে, অথচ সংযত ও যাচাইপ্রাপ্ত তথ্যভিত্তিক রিপোর্টিং আঞ্চলিক সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে সহায়ক। বিশেষ করে ডিজিটাল যুগে ভুয়া খবর ও অপপ্রচার আঞ্চলিক শান্তির জন্য বড় হুমকি, যা প্রতিহত করতে সাংবাদিকদের নৈতিকতা ও পেশাগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন।

সেমিনার থেকে পিস জার্নালিজম চর্চা জোরদার করা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

ছবি: প্রতিনিধি
দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স‌ম্মেলন

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তি, আস্থা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ভারতীয় বিদ্যাপীঠ এডুকেশনাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত “দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে শান্তি রক্ষা ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা” শীর্ষক সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংবাদিক, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ হাসান নবী। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা স্থবির হলেও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা জনমানুষের মধ্যে আস্থার সেতু গড়ে তুলতে এবং শান্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ। আলোচকরা উল্লেখ করেন, দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে, অথচ সংযত ও যাচাইপ্রাপ্ত তথ্যভিত্তিক রিপোর্টিং আঞ্চলিক সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে সহায়ক। বিশেষ করে ডিজিটাল যুগে ভুয়া খবর ও অপপ্রচার আঞ্চলিক শান্তির জন্য বড় হুমকি, যা প্রতিহত করতে সাংবাদিকদের নৈতিকতা ও পেশাগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন। সেমিনার থেকে পিস জার্নালিজম চর্চা জোরদার করা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কানাডায় হাইস্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ১০

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি।

পারমাণবিক আলোচনার জন্য ওমানে পৌঁছালেন ইরানের লারিজানি

‘আলোচনার পথ নয়, সামরিক পদক্ষেপ নিন’, আত্মহত্যার আগে ট্রাম্পকে ইরানি যুবকের আবেদন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে কৌশলে সতর্কের ইঙ্গিত খামেনির

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দীর্ঘ ৩৭ বছরের এক ঐতিহ্যভঙ্গ করে বার্ষিক বিমান বাহিনী বৈঠক এ বছর সরাসরি এড়িয়ে গেছেন। মার্কিন সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এবং পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান থাকার কারণে খামেনির পরিবর্তে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদুর রহিম মুসাভি বিমান বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সাধারণত প্রতি ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে আয়োজন করা হয়। তবে এবার শীর্ষ নেতার অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি বা জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত আছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ এবং জর্ডানে উচ্চপ্রযুক্তির বিমান ও ড্রোন মোতায়েনের পর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় খামেনি জনসমক্ষে এড়িয়ে চলছেন। ইরান-মার্কিন সম্পর্কের চলমান উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে মতবিরোধ নতুন করে উস্কে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, খামেনির এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক কৌশল বা সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ও নজরদারি ক্রমবর্ধমান থাকায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বে এই অনুপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনা উস্কে দিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0

চাঁদে শহর স্থাপনের উদ্যোগে নিচ্ছেন ইলন মাস্ক

হাজার হাজার ইরাকি একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেছেন। ছবি সংগৃহীত

ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা, এবার পাশে দাঁড়াতে অঙ্গীকার হাজারো ইরাকির

ছবি: প্রতিনিধি

লটারিতে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা জিতলেন দুবাই প্রবাসী সাঈদ

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের উপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক কৌশল

ইরানকে ঘিরে নতুন করে কড়া অবস্থান নিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। হোয়াইট হাউস সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুল্কের হার নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকলেও উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশের কথা সামনে এসেছে। নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, ইরান থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পণ্য ও সেবা আমদানিতে যুক্ত কোনো দেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলে সেই রপ্তানির ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের সুযোগ থাকবে। তবে আদেশে তাৎক্ষণিকভাবে শুল্ক কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প পুনরায় বলেন, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। তাঁর ভাষায়, কূটনৈতিক সমঝোতা না হলে পরিস্থিতির পরিণতি “খুবই খারাপ” হতে পারে। এই আদেশ জারির সময়ই ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে, যা গত জুনে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর প্রথম সরাসরি সংলাপ। আলোচনায় ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠকে মধ্যস্থতা করছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে ঘোষিত জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় এই নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে প্রেসিডেন্ট প্রয়োজনে আদেশ সংশোধন বা পরিমার্জন করতে পারবেন। আদেশে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা, সন্ত্রাসে সমর্থন, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, আলোচনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটিকে “ইতিবাচক সূচনা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, আলোচনা শান্ত পরিবেশে হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে নিজ নিজ রাজধানীতে পরামর্শ শেষে আবার বৈঠকে বসা হবে। উল্লেখ্য, চীন ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। এ ছাড়া ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক ও ভারতও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সহযোগী। নতুন এই নির্বাহী আদেশ কার্যকর হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক প্রত্যাহার, মোদি–ট্রাম্প সম্পর্কে নতুন মোড়

আইভ্যাকের নতুন নিয়মে হবে ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা হালনাগাদ

জিয়ান্নি ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতিকে ‘শত্রু তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউক্রেন

0 Comments