জাতীয়

“কঠিন সময়ে বিএনপি ও সেনাবাহিনীর সমর্থন পেয়েছি”: রাষ্ট্রপতি

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকালে অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিভিন্ন অসাংবিধানিক উদ্যোগ ও ষড়যন্ত্রের মুখে তিনি দৃঢ় ছিলেন, যার ফলে কোনো চক্রান্তই সফল হয়নি।
সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মাধ্যমে তাকে অপসারণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিএনপি এবং তাদের জোটসঙ্গীরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় শতভাগ সমর্থন জানিয়েছিল। তিনি বলেন, “বিএনপি ও তাদের জোটের একাংশ আমার পাশে ছিলেন, তাই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে।”
রাষ্ট্রপতি আরও জানান, ওই সময় তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং বঙ্গভবনের সামনে মব সৃষ্টির পরও তারা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিদেশ সফর ও সরকারি অনুষ্ঠানে তাকে অংশগ্রহণে বাধা দিয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির সরকারি ছবি ও বাণী গণমাধ্যমে প্রচার বন্ধ করেছিল।
সাহাবুদ্দিনের বক্তব্যে প্রতিস্পষ্ট হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল, তবে তাঁর দৃঢ় অবস্থান ও রাজনৈতিক সহযোগিতার কারণে এসব ষড়যন্ত্র কোনো সুফল পায়নি।

 

সাবেক বিচারপতিকে ‘মানিকচোরা’ বলায় সংসদ থেকে আখতারের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ

  জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক বিচারপতিকে ঘিরে দেওয়া মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার বক্তব্যে ‘মানিকচোরা’ শব্দ ব্যবহার করলে তা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল)সংসদের দ্বাদশ দিনের অধিবেশনে বিচারক বিল রহিতকরণ বিল, ২০২৬ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে আখতার হোসেন বিভিন্ন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, উক্ত শব্দটি সংসদের জন্য অশোভনীয় হতে পারে, তবে সংসদের বাইরে এ ধরনের শব্দচয়ন প্রচলিত রয়েছে। তার বক্তব্যে এক বিচারপতির প্রসঙ্গ টানার পর আপত্তিকর অংশটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে ‘এক্সপাঞ্জ’ করা হয়। এ বিষয়ে স্পিকার স্পষ্ট করেন, সংসদের মর্যাদা রক্ষার্থে কোনো ব্যক্তি বা বিচারপতির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনাটি সংসদীয় শিষ্টাচার ও বক্তব্যের সীমারেখা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0

আবু সাঈদের দেহে গুলির প্রমাণ মেলেনি: আসামিপক্ষের আইনজীবী

ট্রাইব্যুনালে হাজির আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৬ আসামি

আজ ঘোষণা হবে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়

“ডোন্ট গেট নার্ভাস, আই এম ফিট”: রুমিন ফারহানাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংসদীয় বিতর্কে হামের মৃত্যুর তথ্য ও টিকা সংকট নিয়ে উত্তাপ দেখা দিয়েছে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে হামের বিস্তার, টিকার ঘাটতি ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর বক্তব্য কোনো আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জরুরি বিষয় তুলে ধরা লক্ষ্য। রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন, গত ২০ দিনে সন্দেহজনকভাবে ৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, নিশ্চিত মৃত্যু ১৬। তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে একটি শিশুর জীবন, একটি মায়ের কান্না ও পরিবারের ধ্বংসের গল্প রয়েছে। এছাড়া, দেশে ১০ ধরনের টিকার সংকট দেখা দিয়েছে। ইপিআই কেন্দ্রীয় গুদামে বিসিজি, পেন্টা, ওপিভি, পিসিভি, এমআর ও টিডি টিকার মজুদ শূন্যে নেমে এসেছে। এ বিষয়ে জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংসদে বলেন, “ডোন্ট গেট নার্ভাস, আই এম ফিট।” তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, তথ্য যাচাই ছাড়া আতঙ্ক ছড়ানো ঠিক নয়। মন্ত্রী জানান, তিনি নিজেও ঝুঁকি নিয়ে মহাখালী সংক্রামক রোগ হাসপাতালে হামের ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছেন এবং একজন শিশুর মৃত্যুর পর কেঁদেছেন। মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, সরকারের উদ্যোগে টিকার মজুদ পুনর্গঠন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও বিশ্বব্যাংক সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। মন্ত্রী পুনরায় বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং আতঙ্ক ছড়ানো এড়ানোই সরকারের লক্ষ্য।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

সংশোধিত সন্ত্রাসবিরোধী আইন পাস, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে

২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২১ এপ্রিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা শুরু

৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), যেখানে সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ হাজার ৬৩১ জন প্রার্থী। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কমিশনের জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগীয় কেন্দ্রে একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কমিশনের অনুমোদনক্রমে প্রকাশিত এ ফলাফল পিএসসির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। পিএসসি জানিয়েছে, প্রকাশিত ফলাফলে প্রয়োজনবোধে সংশোধন আনার ক্ষমতা কমিশন সংরক্ষণ করে। লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপ হিসেবে মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) অংশগ্রহণ করতে হবে, যার সময়সূচি পরবর্তীতে যথাযথ মাধ্যমে জানানো হবে। উল্লেখ্য, প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১০ হাজার ৬৪৪ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে মোট ৩ হাজার ৬৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0

জুলাই আন্দোলনের ‘ট্রফি’ লন্ডনে বিএনপির হাতে তুলে দিয়েন ইউনূস: মীর শাহে আলম

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন খারিজ, কারাগারে পাঠানো হয়েছে

0 Comments