ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এবার পরস্পরবিরোধী দাবি–পাল্টা দাবিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে পরিস্থিতি। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে এবং একটি মার্কিন রণতরী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বলা হয়েছে, এ হামলা তাদের ঘোষিত সামরিক অভিযানের অংশ এবং তা ‘অপারেশন ট্রুথফুল প্রমিজ ৪’-এর সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
অন্যদিকে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) একে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য দাবি বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। আল জাজিরাকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় সেন্টকমের এক মুখপাত্র জানান, মার্কিন বাহিনীর কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ হামলা প্রতিহত করেছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উভয় পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাগুলোর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এবার পরস্পরবিরোধী দাবি–পাল্টা দাবিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে পরিস্থিতি। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে এবং একটি মার্কিন রণতরী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বলা হয়েছে, এ হামলা তাদের ঘোষিত সামরিক অভিযানের অংশ এবং তা ‘অপারেশন ট্রুথফুল প্রমিজ ৪’-এর সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) একে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য দাবি বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। আল জাজিরাকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় সেন্টকমের এক মুখপাত্র জানান, মার্কিন বাহিনীর কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ হামলা প্রতিহত করেছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উভয় পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাগুলোর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি।
ইরানের তেহরান শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে রাজধানীতে। এ সময় প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দেশজুড়ে সতর্কবার্তা জারি করে নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়। আইডিএফের বক্তব্য, বার্তাটি জনসাধারণকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি থেকে সচেতন রাখার জন্য দেওয়া হয়েছে; তবে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের দিকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত আসছে...
দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর আবার চালু হচ্ছে আগরতলা-ঢাকা- কলকাতা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার কমলাপুর বাস ডিপো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রয়েল মৈত্রীর একটি বাস আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্তপথে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা প্রবেশ করে। আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা বাস সার্ভিসের জিএম ওয়ারিছ আলম ডিএস জানান, আপাতত সপ্তাহে দুই দিন পরীক্ষামূলকভাবে চলবে। তার পরে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে সপ্তাহে তিন দিন করে নিয়মিত এই বাস পরিষেবা শুরু হবে। ঢাকা হয়ে আগরতলা - কলকাতা এই বাস পরিষেবা আগেও চালু ছিল। তবে গত দেড় বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর ভিসা জটিলতায় সাময়িকভাবে তা বন্ধ ছিলো। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও ভিসা জটিলতার কারণে বন্ধ থাকা বাস সার্ভিস দেড় বছরের বেশি সময় পর মৈত্রী ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ভারত ও বাংলাদেশ, দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের সূত্র ধরেই এ পথে পরীক্ষামূলকভাবে ফের যাত্রা শুরু করে। ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের পরিবহণমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, পর্যটন ও ব্যাবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির পথ সুগম হবে বলেও আশাবাদী তিনি। এছাড়া আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতা পর্যন্ত বাস পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও। প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় পৌঁছাতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। তবে বাসে ঢাকা হয়ে সেই যাত্রাপথ অনেকটাই কমে যায়। আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে বাসে কলকাতায় মাত্র ৫০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়।