জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে বিল্পব মিয়া বিশু নামে একজনকে ১০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান- ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ দুপুরে পাঁচ বছর বয়সি শিশুটি বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে শিশুটিকে চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বিপ্লব মিয়া বিশু একটি ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকারে বাবা মাসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বিশু পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আহত শিশুকে প্রথমে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এঘটনার পরদিন শিশুর বাবা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে বিশুকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিচারকের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বিশু। বর্তমানে আসামি বিশু গাজীপুরের শিশু সংশোধনাগারে রয়েছে।
আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক মামলার একমাত্র আসামি বিল্পব মিয়া বিশুকে ১০ বছরের আটকাদেশ দেন। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে মামলার বাদী।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে বিল্পব মিয়া বিশু নামে একজনকে ১০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান- ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ দুপুরে পাঁচ বছর বয়সি শিশুটি বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে শিশুটিকে চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বিপ্লব মিয়া বিশু একটি ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকারে বাবা মাসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বিশু পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আহত শিশুকে প্রথমে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনার পরদিন শিশুর বাবা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে বিশুকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিচারকের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বিশু। বর্তমানে আসামি বিশু গাজীপুরের শিশু সংশোধনাগারে রয়েছে। আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক মামলার একমাত্র আসামি বিল্পব মিয়া বিশুকে ১০ বছরের আটকাদেশ দেন। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে মামলার বাদী।
নরসিংদীতে মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্যাতনে মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে ছাত্রকে । এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক কে আটক করেছে পুলিশ । নরসিংদী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেই ছাত্রের অবস্থা এখন আশংকাজনক। সদর উপজেলার চিনিশপুরের জেলখানা মোড়ে অবস্থিত মাদ্রাসাতুল আবরার আল আরাবিয়্যাহর ছাত্র মোঃ মুজাহিদকে তার আবাসিকে শিক্ষক নাজমুস সাকিব এ নির্যাতন করেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) জুম্মার নামাজ পড়ার জন্যে গোসল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক নাজমুস উত্তেজিত হয়ে ছাত্র মুজাহিদকে এ বেধড়ক প্রহার করেন। এতে মুজাহিদের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে পড়লে তাকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বলেন, আমরা মুজাহিদদের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিচ্ছি। শিক্ষক নাজমুল ইসলামকে ইতোমধ্যে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপর পরই পুলিশ তাকে আটক করে।
নোয়াখালীর পৃথক দুই ঘটনায় আদালত দুই আসামিকে দণ্ড দিয়েছেন। এক মামলায় স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আর অপর মামলায় এক যুবককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম সিকদার মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। প্রথম মামলায়, ২০১৮ সালে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নে শাহানারা বেগম নামে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় তার স্বামী গোলাম সারোয়ারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন ভোরে নামাজরত অবস্থায় গামছা দিয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। অপর মামলায়, বেগমগঞ্জের করিমপুর এলাকায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় মো. বরকত উল্লাহকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মামলাটি ২০২০ সালের মার্চে দায়ের করা হয়েছিল। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. সেলিম শাহী জানিয়েছেন, আদালতের রায় সমাজে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।