আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সক্ষমতার সূচকে নতুন করে অবনমন দেখা গেছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট শক্তিতে। সর্বশেষ প্রকাশিত বৈশ্বিক পাসপোর্ট র্যাংকিং অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান দুই ধাপ নেমে ৯৫তম স্থানে নির্ধারিত হয়েছে, যা পূর্বে ছিল ৯৩তম।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান অবস্থানে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই মোট ৩৬টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে এ সুবিধা সম্পূর্ণ ভিসামুক্ত নয়; কিছু দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে অন-অ্যারাইভাল ভিসা কিংবা ই-ভিসা গ্রহণের শর্ত প্রযোজ্য রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বিধির আওতায় নিয়ন্ত্রিত।
সূচকে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর, যেখানে দ্বিতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইউরোপীয় বেশ কয়েকটি দেশ তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে অবস্থান করছে, যা বৈশ্বিক ভ্রমণ স্বাধীনতার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার প্রতিফলিত করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভিসা নীতির পারস্পরিকতা, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক আস্থার মাত্রা—এসব উপাদান একটি দেশের পাসপোর্টের সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন) সচিবালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। মোট ১৩ ক্যাটাগরিতে ৯০টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু হবে ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে এবং শেষ সময় ১১ মে ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত। প্রধান পদ ও সংখ্যা • কম্পিউটার অপারেটর: ৬টি (গ্রেড-১৩) • প্রশিক্ষণ সহকারী: ১টি (গ্রেড-১৪) • সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর: ১২টি (গ্রেড-১৪) • হিসাব সহকারী: ৫টি (গ্রেড-১৬) • অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর: ১৩টি (গ্রেড-১৬) • কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, অভ্যর্থনাকারী ও টেলিফোন অপারেটরসহ বিভিন্ন পদ • গাড়িচালক: ৫টি • অফিস সহায়ক: ৩৬টি • নিরাপত্তা প্রহরী: ১টি • পরিচ্ছন্নতাকর্মী: ২টি বয়সসীমা ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদন ফি • ১–১০ নম্বর পদের জন্য: ১১২ টাকা • ১১–১৩ নম্বর পদের জন্য: ৫৬ টাকা • অনগ্রসর শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য: ৫৬ টাকা আবেদন ফি টেলিটক প্রিপেইডের মাধ্যমে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
ভারতের বরাক নদীর টিপাইমুখ বাঁধ ইস্যুতে জাতীয় সংসদে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, “আমরাই ডেকে ডেকে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম।” বুধবার (১৫ এপ্রিল) সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার এ মন্তব্য করেন। এর আগে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালিক টিপাইমুখ বাঁধের কারণে অকাল বন্যা ও শুষ্ক মৌসুমে পানিসংকটের বিষয় তুলে ধরে সরকারের অবস্থান জানতে চান। জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেবে। পরে স্পিকার ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ টেনে দাবি করেন, তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই টিপাইমুখ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ পায় ভারত, যার প্রভাব এখন বাংলাদেশকে বহন করতে হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব বা গণপিটুনির ঘটনাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। বলেছেন, এতে সমাজে আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে পিআইডি আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকার এখন “জিরো টলারেন্স” নীতি গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধ প্রমাণের একমাত্র এখতিয়ার রাষ্ট্রের, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার নামে পিটিয়ে হত্যা বা শারীরিক আঘাত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উপদেষ্টা স্বীকার করেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ঘাটতি থাকতে পারে, তবে তা কাটিয়ে উঠতে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। তিনি নাগরিকদের আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখার অনুরোধ করেন।