ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাই সংক্রান্ত আপিলের শুনানি শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানায়, শুনানি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী পাঁচ দিনে মোট ৬৪৫টি আপিল শুনানির জন্য কমিশনে জমা পড়েছে। কমিশন সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিল, পরবর্তী দিনগুলোতে নির্ধারিত পরিসরের আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী তারিখ ও সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।
এর আগে, সারা দেশে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। কমিশন জানিয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি এবং নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাই সংক্রান্ত আপিলের শুনানি শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানায়, শুনানি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আগামী পাঁচ দিনে মোট ৬৪৫টি আপিল শুনানির জন্য কমিশনে জমা পড়েছে। কমিশন সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিল, পরবর্তী দিনগুলোতে নির্ধারিত পরিসরের আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী তারিখ ও সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। এর আগে, সারা দেশে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। কমিশন জানিয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি এবং নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি।
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডকে একটি ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে সংঘটিত বলে যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁর দাবি, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে একটি সংগঠিত চক্রের পাশাপাশি রাষ্ট্রযন্ত্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা তদন্তে উপেক্ষিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে শাহবাগে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শেষে তিনি বলেন, তদন্ত শেষে দাখিল করা অভিযোগপত্রে যাদের নাম নেই, সেই অভিযোগপত্র ইনকিলাব মঞ্চ গ্রহণ করে না। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের ন্যায়বিচারের দাবিকে গুরুত্ব না দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। ডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়। তবে ইনকিলাব মঞ্চ এ ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পাশাপাশি আরও কঠোর কর্মসূচির পথে যেতে পারে।
ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ১৫ জনের বিদেশগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট জমিতে ব্যক্তিস্বার্থে ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন, নীতিমালা লঙ্ঘন এবং গেজেট প্রকাশ না করার অভিযোগে মামলা রয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, তদন্ত চলাকালে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে—আসামিরা সপরিবারে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।