বাংলাদেশ

সৈয়দপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কোটি কোটি টাকার ভূ-সম্পত্তি বেদখল

Icon
সৈয়দপুর, নীলফামারী
প্রকাশঃ জানুয়ারী ১৭, ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কয়েকশ কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে রয়েছে। দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় সরকারি সম্পদ বেহাত হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, দিনাজপুর–সৈয়দপুর–ঢাকা মহাসড়কটি ১৯০০ সালের গোড়ার দিকে নির্মাণ করা হয়। সে সময় প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে সড়কটি শহরের মধ্য দিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে পার্বতীপুর মোড় থেকে কুন্দল গ্রামের হাড়ি মামুন শাহ ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার অংশে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ৯২০ শতক জমি অবৈধ দখলে চলে গেছে।
বর্তমানে ওই এলাকায় প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা। সে হিসাবে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি বেদখল হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। সার্ভেয়ার ও সমাজসেবক ইয়াসিন আলী সরকার জানান, সিএস, এসএ ও বিএস নকশা অনুযায়ী সড়কের টপ ২৬ ফুট হলেও সোল্ডার ও স্লোপিংসহ মোট প্রস্থ ৬০ ফুটের বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে রাস্তার দুই পাশের অংশ সম্পূর্ণ দখলে চলে গেছে, ফলে যানবাহন ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক নির্মাণ বিধি অনুযায়ী টপ, সোল্ডার ও স্লোপিং মিলিয়ে সড়কের প্রস্থ ৬০ ফুটের বেশি হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় বিশিষ্টজনদের অভিযোগ, প্রভাবশালীরা সওজের জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে বিপুল অর্থ আয় করছেন। দখল উচ্ছেদ না করায় শহরের যানজট নিরসনে সরকারকে আলাদা করে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করতে হয়েছে, এতে হাজার একর আবাদি জমি নষ্ট ও কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
নীলফামারী সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী জুয়েল আহমেদ জানান, পুরাতন নথি পর্যালোচনা করলে অধিগ্রহণকৃত জমির সঠিক হিসাব পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, অবৈধ দখলদারদের নোটিশ দেওয়া হবে এবং জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহে রাতের আঁধারে মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় রাতের আঁধারে অনুষ্ঠিত নাইটগার্ড নিয়োগ পরীক্ষা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে পুটিমারি আউলিয়া মাদ্রাসায় পরীক্ষার আয়োজন চলাকালীন স্থানীয়রা মাদরাসার সুপার ও এক নারীকে, যিনি মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দাবি করেছিলেন, প্রাঙ্গণে কিছু সময়ের জন্য আটক রাখেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পরীক্ষাটি নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে গোপন ও রাতের সময় নেওয়া হয়েছিল। উপস্থিত কয়েকজন গ্রামবাসী বাধা দিলে পরীক্ষা বন্ধ করা হয়। মাদরাসার সুপার রুহুল আমিন বলেন, প্রস্তুতি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ছিল এবং ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে উপস্থিতির তালিকায় মাত্র ১০ জনের স্বাক্ষর রয়েছে এবং পরীক্ষাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন মাত্র তিনজন। ফুলহরি ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন জানান, রাতের পরীক্ষার আয়োজন এলাকার মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। শৈলকুপা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মাদরাসার সুপার ও প্রতিনিধিকে নিরাপদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

ঝিনাইদহ জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

খুলনায় নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত

মো. শাহারিয়া ফাহিম

সৈয়দপুরের মেধাবী  শিক্ষার্থী শাহারিয়া ফাহিম থাইল্যান্ড যাচ্ছে

ছবি: প্রতিনিধি

দলবদলে দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে নীতিবিরোধী আচরণের অভিযোগ,দল বিলুপ্তির ঘোষণা ভিত্তিহীন

সৈয়দপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কোটি কোটি টাকার ভূ-সম্পত্তি বেদখল

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কয়েকশ কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে রয়েছে। দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় সরকারি সম্পদ বেহাত হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, দিনাজপুর–সৈয়দপুর–ঢাকা মহাসড়কটি ১৯০০ সালের গোড়ার দিকে নির্মাণ করা হয়। সে সময় প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে সড়কটি শহরের মধ্য দিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে পার্বতীপুর মোড় থেকে কুন্দল গ্রামের হাড়ি মামুন শাহ ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার অংশে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ৯২০ শতক জমি অবৈধ দখলে চলে গেছে। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা। সে হিসাবে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি বেদখল হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। সার্ভেয়ার ও সমাজসেবক ইয়াসিন আলী সরকার জানান, সিএস, এসএ ও বিএস নকশা অনুযায়ী সড়কের টপ ২৬ ফুট হলেও সোল্ডার ও স্লোপিংসহ মোট প্রস্থ ৬০ ফুটের বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে রাস্তার দুই পাশের অংশ সম্পূর্ণ দখলে চলে গেছে, ফলে যানবাহন ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক নির্মাণ বিধি অনুযায়ী টপ, সোল্ডার ও স্লোপিং মিলিয়ে সড়কের প্রস্থ ৬০ ফুটের বেশি হওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় বিশিষ্টজনদের অভিযোগ, প্রভাবশালীরা সওজের জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে বিপুল অর্থ আয় করছেন। দখল উচ্ছেদ না করায় শহরের যানজট নিরসনে সরকারকে আলাদা করে বাইপাস সড়ক নির্মাণ করতে হয়েছে, এতে হাজার একর আবাদি জমি নষ্ট ও কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। নীলফামারী সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী জুয়েল আহমেদ জানান, পুরাতন নথি পর্যালোচনা করলে অধিগ্রহণকৃত জমির সঠিক হিসাব পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, অবৈধ দখলদারদের নোটিশ দেওয়া হবে এবং জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0

হ্যাঁ ভোট প্রদানের মাধ্যমে দেশে পরিবর্তন আসবে

প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় ক্ষতিকর পার্থেনিয়াম মুক্ত সরিষাবাড়ী

দেশে বাড়ছে সহিংসতা

ছবি: প্রতিনিধি
৩লাখ মানুষের জন্য চিকিৎসক মাত্র একজন

দীর্ঘ ১২ বছরেও চালু হয়নি ৫০ শয্যার কোন কার্যক্রম। ৫০ শয্যাতো দুরের কথা ৩১ শয্যার লোকবলের সংকটই কাটেনি। পর্যাপ্ত জনবল ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসক না থাকায় দরিদ্র পীড়িত এই অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা দারুণ ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের যেতে হচ্ছে সদর হাসপাতাল কিংবা মানহীন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে। এতে করে চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন নানা ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তবর্তী বকশীগঞ্জ উপজেলার তিনলাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসাস্থল বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স। এছাড়াও ভৌগলিক কারনে দুরত্ব কম হওয়ায় প্রতিবেশী শ্রীবরদী উপজেলা, রাজিবপুর-রৌমারী ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৬-৭ টি ইউনিয়নের মানুষ বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪-৫ শত রোগী এই হাসাপতালে চিকিৎসা সেবার জন্য আসেন।  জনবল সঙ্কটের কারনে প্রায় ৩ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য হাসপাতালটি এখন নিজেই অসুস্থ্য। দরিদ্র পীড়িত এ অঞ্চলের মানুষের কথা ভেবে ২০১৩ সালের ১৩ অক্টোবর ৩১ শয্যার এই হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই ৫০ শয্যা এ হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু উদ্বোধনের ১২বছরেও চালু হয়নি ৫০ শয্যার কোন কার্যক্রম। দেওয়া হয়নি ৫০ শয্যার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি। বাড়ানো হয়নি সুযোগ-সুবিধা। ৩১ শয্যার হাসপাতালে যে জনবল ও যন্ত্রপাতি থাকার কথা, সেটিও নেই। ফলে এখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জনবল সঙ্কট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম না থাকায় এ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইনডোর চালু করতে যে জনবল ও সাজ-সরঞ্জাম প্রয়োজন তার কোনটাই এখানে নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে হাসপাতালে আসা অধিকাংশ রোগীকে রেফার করা হয় ময়মনসিংহ কিংবা ঢাকায়। ফলে চিকিৎসার ব্যয় বহনে অপারগ রোগীদের বিনা চিকিৎসায় মরতে হচ্ছে। বহির্বিভাগে রোগীদের আসা-যাওয়া আর পরামর্শ নেয়াই হলো নামে মাত্র ৫০ শয্যা এ হাসপাতালের নিত্যদিনের চিত্র। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার জন্য শুধু প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ চিকিৎসা কর্মকর্তা থাকার কথা ২৪ জন। ২৪টি পদের মধ্যে প্রায় সব কটি পদই শূন্য। জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজী), জুনিয়র কনসালটেন্ট (চর্ম ও যৌন), জুনিয়র কনসালটেন্ট  (নাক,কান,গলা), জুনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু),জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থো), জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী), জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু),এ্যান্সেথেটিক্স বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। ফলে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারন রোগীরা। এছাড়াও ইনডোর মেডিকেল অফিসার,প্যাথলজিষ্ট, নার্সিং সুপারভাইজার, মিডওয়াইফ, মেডিকেল টেকনিক্যাল ল্যাব, ফার্মাসিষ্ট, প্রধান সহকারী, হিসাব রক্ষক, কার্ডিওগ্রাফার, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, ইমার্জেন্সী এটেনডেন্ট, ল্যাবরেটরী এটেনডেন্ট, ওটি বয়সহ একাধিক পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স থাকার কথা থাকলেও রয়েছে একটি। সেটিও মাঝে মধ্যেই বিকল হয়ে থাকে। ফলে জুরুরী প্রয়োজনে রোগীদের প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে অতিরিক্ত কয়েকগুন বাড়তি ভাড়া দিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। অপারেশন থিয়েটার রুম থাকলেও নেই মেশিনপত্র। ছোট খাটো কোন অপারেশনের জন্য যেতে হয় জেলা সদর হাসপাতাল কিংবা প্রাইভেট ক্লিনিকে। আল্ট্রাসনোগ্রাম থাকলেও তার ব্যবহার হয়নি কোনদিন। ইসিজি মেশিন রয়েছে তবে জরুরী প্রয়োজনে বেশিরভাগ সময়ই থাকে বিকল। জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বরাদ্ধ না পাওয়ায় উদ্বোধনের  ১ যুগপরও ৫০ শয্যার কোন কার্যক্রমই চালু হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মর্কতা ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ছাড়া কোন চিকিৎসক নেই এখানে। উপজেলার ৭ ইউনিয়নের সাব সেন্টারে সাতজন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও একজনও নেই। চিকিৎসক না থাকায় যে কোনো রোগী এলেই জরুরী বিভাগ থেকে তাদের স্থানান্তর করা হয় জামালপুর, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কিংবা ঢাকায়। গুরুতর রোগী নিয়ে বিপাকে পড়ে যায় দরিদ্র পরিবারগুলো। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা ফারাজীপাড়া গ্রামের রোকসানা বেগম,আলাল উদ্দিন, চন্দ্রাবাজ এলাকার রিমা বেগম সহ বেশ কয়েকজন রোগী জানান, এই হাসপাতালে ডাক্তার পাওয়া যায়না। জুরুরী বিভাগে যে ওষুধ দেন তার বেশিরভাগই বাইরে থেকে কিনতে হয়। এতবড় হাসপাতাল অথচ ডাক্তার নেই। বগারচর ইউনিয়নের সারমারা থেকে আসা মধ্যবয়সী নারী রোকেয়া  বেগম বলেন,তার মেয়ের পেটের ব্যাথার জন্য হাসপাতালে এসেছেন। দীর্ঘক্ষন বসে থেকে ডাক্তার না পেয়ে নিরুপায় হয়ে বাইরের ক্লিনিকে ডাক্তার দেখান তিনি। ডাক্তার না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।  বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ উল হাসান বলেন, নামেই ৫০ শয্যা হাসপাতাল। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গেলে  ডাক্তার পাওয়া যায় না। জরুরী বিভাগে থাকা ওয়ার্ড বয় ও ঝাড়ুদাররা ফোন করলে কখনো ডাক্তার আসে, আবার কখনো আসেন না। ততক্ষনে রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এতে রোগীসহ স্বজনরা পড়েন বেকায়দায়। হাসপাতাল আছে, ডাক্তার নেই বিষয়টি অত্যান্ত দু:খজনক। তাই দ্রুত জনবল নিয়োগ দিয়ে  ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালুর দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল ইসলাম বলেন, তিনি এবং একজন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ছাড়া হাসপাতালে কোন ডাক্তার নেই। এছাড়াও ৭ ইউনিয়নের সাব সেন্টারে সাতজন মেডিকেল অফিসারের মধ্যে একজনও নেই। ফলে চিকিৎসক না থাকায় বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা দারুন ভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

তানিয়া আক্তার জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শিয়ালের মাংস খাসি বলে বিক্রির চেষ্টা

বরিশালে দায়ের আঘাতে বিড়ালের পা ভেঙে দিলেন নারী, থানায় অভিযোগ

হাসিনা খান

হাসিনা ফিরলেন ভোটের মাঠে

0 Comments