মেঘনা নদী থেকে গলাকাটা অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে হিজলা নৌ পুলিশ।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে হিজলা নৌ পুলিশের ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টায় হিজলা থানা পুলিশের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবককে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের পরিচয় ও বয়স এখনও শনাক্ত হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি জেলে নৌকা জব্দ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
বরিশালে চার বছর প্রেমের পর বিয়েতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রেমিক হৃদয় মন্ডল (২৬)কে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতের দিকে বরগুনা জেলার পল্লীবিদ্যুৎ অফিস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হৃদয় বানারিপাড়া উপজেলার মলুহার গ্রামের রিপন মন্ডলের ছেলে এবং পল্লীবিদ্যুতের কর্মচারী। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের কলেজ শিক্ষার্থী ওই তরুণীর সঙ্গে হৃদয়ের চার বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন আগে হৃদয় বিয়ে প্রস্তাব দিলে তরুণী রাজি হয়নি। এরপর হৃদয় তাকে মারধর ও জামাকাপড় খুলে ভিডিও ধারণ করে মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখে। পরবর্তী সময়ে অভিযোগ দায়ের করলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে বরগুনা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হৃদয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, প্রেমিকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে নিহত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বদলির ঘটনায় ক্ষুব্ধ এক সাবেক কর্মী ফজলুর রহমান তার কক্ষে প্রবেশ করে ছুরিকাঘাত চালায়। ফজলুর রহমান বর্তমানে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে কর্মরত। ঘটনার সময় ফজলুরও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং গুরুতর অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। চিকিৎসকরা আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রক্টর শাহিনুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ড থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি এবং স্থানীয় শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ফজলুর রহমান দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক কর্মচারী ছিলেন এবং সাম্প্রতিক বদলি ও বেতনসংক্রান্ত সমস্যাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। পুলিশ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যমান দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক হোসেন ঈমাম জানান, আহত শিক্ষককে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওয়ার্ডে নেওয়ার সময় আসমা সাদিয়া রুনার মৃত্যু হয়। পুলিশের তথ্যানুযায়ী, মাথায় একাধিক আঘাত এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপর।