শিক্ষা

নতুন কারিকুলাম: বাস্তবমুখী, না পরীক্ষামূলক?

Icon
Shaeed
প্রকাশঃ জুন ২৫, ২০২৫

বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে নতুন জাতীয় কারিকুলামের মাধ্যমে। গত কয়েক দশক ধরে পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা, মুখস্থনির্ভরতা এবং বাস্তব জীবনের সঙ্গে সংযোগহীন শিক্ষার অভিযোগ ছিল পুরনো। এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৩ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে প্রবর্তন করেছে নতুন পাঠ্যক্রম। লক্ষ্য—একটি সৃজনশীল, কার্যকর ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

কিন্তু বাস্তবতা বলছে—এই পরিবর্তনের পথে যেমন রয়েছে আশা, তেমনি রয়েছে দ্বিধা ও দুশ্চিন্তা।

 

কারিকুলামের নতুন দর্শন

নতুন কারিকুলাম মূলত পরীক্ষার চাপে নয়, শেখার আনন্দে বিশ্বাস করে। এটি শিক্ষার্থীদের চিন্তা, বিশ্লেষণ ও বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
মূল্যায়নের কাঠামোতেও এসেছে পরিবর্তন। বার্ষিক বা সেমিস্টারভিত্তিক বড় পরীক্ষা নয়, বরং ধারাবাহিক মূল্যায়ন, কার্যক্রমভিত্তিক কাজ, সহপাঠ কার্যক্রম ও সামাজিক দক্ষতা অর্জনের উপর ভিত্তি করে ফল নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

এনসিটিবি বলছে, নতুন কারিকুলামে ৬টি মূল লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে—নৈতিকতা, দেশপ্রেম, তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষমতা, সৃজনশীলতা, সহযোগিতা এবং দায়িত্ববোধ।

 

শিক্ষকদের প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ

তবে শিক্ষকদের বড় একটি অংশ মনে করেন, কারিকুলামের দর্শন যতই আধুনিক হোক না কেন, এর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন ছিল সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ-ভিত্তিক সহায়তা এবং নীতিগত স্পষ্টতা—যা অনেক জায়গায় অনুপস্থিত।

রাজধানীর একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান বলেন,

“এই কারিকুলাম বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিল রেখে শিক্ষাদানের কথা বলে, কিন্তু আমাদের অনেক সহকর্মী এখনো জানেন না কীভাবে অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন করতে হবে, বা ক্লাসে গ্রুপ-ওয়ার্ক চালাতে হবে কোন পদ্ধতিতে।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম ছিল সীমিত সময়ের, তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হয়েছে। ক্লাসে বাস্তবে কীভাবে পরিবর্তন আনা যাবে—সে বিষয়ে তারা এখনও অনিশ্চিত।

 

শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা: আনন্দ না বিভ্রান্তি?

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জানায়,

“আগে পরীক্ষা হলে বুঝতাম কোন বিষয় থেকে কতটা পড়তে হবে। এখন অ্যাসাইনমেন্ট আর প্রজেক্ট এমনভাবে আসে যে বুঝতে পারি না কোনটা গুরুত্বপূর্ণ, কোনটা নয়।”

অন্যদিকে অনেক শিক্ষার্থী স্বীকার করেছে, এই পদ্ধতি নতুন হলেও আগ্রহ সৃষ্টি করছে। তারা বলছে, গ্রুপ-ওয়ার্ক ও উপস্থাপনার মাধ্যমে নিজেদের চিন্তাভাবনা প্রকাশ করতে পারছে, যা আগে কখনো হয়নি।

তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বেশ বড় একটি চ্যালেঞ্জ। কারণ তাদের স্কুলে এখনও নেই প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, নেই প্রশিক্ষিত শিক্ষক বা পর্যাপ্ত বইপত্র।

 

অভিভাবকদের ভিন্নতর সংকট

নতুন এই পদ্ধতির সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অভিভাবকরাও। আগে শিক্ষকেরা বা কোচিং সেন্টারগুলো সিলেবাসের একটা কাঠামো দিত, এখন তা অনুপস্থিত।

সন্তান পড়াচ্ছেন এমন একজন অভিভাবক বলেন,

“আমি নিজেও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি, কিন্তু মেয়ের বর্তমান পড়াশোনা পদ্ধতি বুঝতেই পারি না। না পারি সাহায্য করতে, না বুঝি সে ভালো করছে কিনা।”

তাদের অভিযোগ, স্কুলের পক্ষ থেকেও পর্যাপ্ত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে না।

 

বিশ্লেষকদের মত: সংকট, কিন্তু সম্ভাবনাও

শিক্ষাবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন মনে করেন,

“এটি একটি যুগোপযোগী কারিকুলাম—নিঃসন্দেহে। কিন্তু এটি ‘বটম-আপ’ পদ্ধতিতে তৈরি হয়নি। শিক্ষকদের ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা যাচাই না করেই অনেকটা উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, কারিকুলাম বাস্তবমুখী হতে হলে মাঠ পর্যায়ে যথাযথ সমন্বয়, রিসোর্স এবং শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে মূল্যায়নের একটি নির্ভরযোগ্য কাঠামো থাকতে হবে।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (মাধ্যমিক) মিজানুর রহমান জানান,

“আমরা বুঝি, নতুন যেকোনো পরিবর্তনে সময় লাগে। প্রথম বছরগুলোতে কিছু জটিলতা আসবে। তবে এটি পর্যায়ক্রমে পরিমার্জন ও পর্যালোচনার মাধ্যমে আরও উন্নত করা হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে, এবং আগামী বছরগুলিতে আরও সম্প্রসারিত হবে।”

 

শিক্ষা

আরও দেখুন
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতের ঘোষণা

শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে উন্নীত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাচাই-বাছাই শেষে প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হবে। কোন ধরনের অনিয়ম বা ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত কার্যকর করা হবে এবং বেতন বিলম্বের বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা জারি

শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ, স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এআই অ্যাপের সহায়তায় উত্তর খোঁজার অভিযোগে এক ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষার্থীর নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর বাসিন্দা হলেও স্থায়ী নিবাস খুলনায়। তার বাবা ড. সাহা চঞ্চল কুমার জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এবং মা অল্পনা সাহা গৃহিণী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মোবাইল ফোনে ছবি তুলে ‘ডিপসিক’ নামের একটি এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই সংকট আরও প্রকট। অনেক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককেই একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হচ্ছে। এতে করে পাঠদানের মান যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহও কমে যাচ্ছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদ্যালয়েই শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি বিদ্যালয়ে তিন থেকে চারজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়, কোনো কোনো স্কুলে মাত্র একজন বা দুজন শিক্ষক দিয়ে পুরো বিদ্যালয় চালানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন শিক্ষককে একসঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান করতে হয়, যা কোনোভাবেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না।   এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। একজন শিক্ষক যখন একই সময় একাধিক শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পড়ান, তখন স্বাভাবিকভাবেই কোনো শ্রেণির উপর পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে ব্যর্থ হয়। এইভাবে ধাপে ধাপে শিখনের ঘাটতি তৈরি হয়, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ভবিষ্যত শিক্ষাজীবনেও।   শুধু পাঠদানের ক্ষেত্রেই নয়, একজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ, মিডডে মিল, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হিসাব রাখা, নানা রিপোর্ট প্রস্তুত করাসহ আরও অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক যতই আন্তরিক হোন না কেন, সীমিত জনবল ও অপ্রতুল সময়ের কারণে শিক্ষার মান উন্নয়ন অসম্ভব হয়ে পড়ে।   অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও এই সংকটের কারণে দুর্বল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করে। একজন শিক্ষক একসঙ্গে দুই-তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি হয় এবং তারা ধীরে ধীরে স্কুলে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে ঝরে পড়ার হারও বাড়ছে।   সরকার শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সংকট কাটছে না। অনেক সময় নিয়োগপ্রাপ্তরাও দুর্গম এলাকায় যোগদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, ফলে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত ও কার্যকর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা দরকার। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, স্থায়ী পদ সৃষ্টি, নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রণোদনা প্রদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যাতে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পাঠ গ্রহণ করতে পারে।   প্রাথমিক স্তরেই যদি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা না পায়, তবে তা পুরো শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই এখনই সময় কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যেন একজন শিক্ষককে আর একা একাধিক শ্রেণির ভার বইতে না হয় এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

0 Comments