শিরোনাম
গণহারে নয়, মানসম্মত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে সরকার
গণহারে নয়, মানসম্মত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে সরকার

সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে গণহারে নতুন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হবে না। পরিবর্তে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মানসম্মত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় গড়ে তোলা হয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই হাজার বিদ্যালয়ের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ৮৫টি বিদ্যালয়কে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীরা পরিবারের বোঝা নয়, বরং রাষ্ট্রের সম্পদ। তাদের কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কেউ যেন দুর্নীতির সঙ্গে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অতীতের দুর্নীতির ঘটনাগুলোও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে দেশের প্রতিটি নগর ও উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এ সময় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুবসহ জেলা ও বিভাগীয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষকদের দক্ষতা ও আয় বাড়াতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস
কৃষকদের দক্ষতা ও আয় বাড়াতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় কৃষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পুষ্টি উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খান। সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, পার্টনার প্রকল্পের খুলনা অঞ্চলের মনিটরিং কর্মকর্তা মো. মোদাস্সেক হোসেন, ফকিরহাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফকিরহাট উপজেলা শাখার আমির মাওলানা এবিএম তৈয়বুর রহমান এবং সেক্রেটারি আবুল আলা মাসুম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ সাখাওয়াত হোসেন। সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তোহিদুল ইসলাম। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আলোচনায় কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, জলবায়ু সহনশীল কৃষি চর্চা, কৃষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস একটি কার্যকর উদ্যোগ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খান বলেন, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। আধুনিক ও মানসম্মত কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।