আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে দাখিল করা ২৯টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার।
যাচাই-বাছাইয়ে সাতক্ষীরা-১ (তালা–কলারোয়া) আসনে ৫ জন, সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর–দেবহাটা) আসনে ৭ জন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ) আসনে ৪ জন এবং সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
সাতক্ষীরা-১ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. ইয়ারুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. ইজ্জত উল্লাহ, জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান, বিএনপির মো. হাবিবুল ইসলাম (হাবিব) ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল করিম।
সাতক্ষীরা-২ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আব্দুল খালেক, বিএনপির মো. আব্দুর রউফ, জাতীয় পার্টির মো. আশরাফুজ্জামান, এবি পার্টির জিএম সালাউদ্দীন, বাংলাদেশ জাসদের মো. ইদ্রিশ আলী, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি রবিউল ইসলাম এবং এলডিপির শফিকুল ইসলাম সাহেদ।
সাতক্ষীরা-৩ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতে ইসলামীর হাফেজ মুহা. রবিউল বাসার, জাতীয় পার্টির মো. আলিফ হোসেন, বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন ও বিএমজেপির রুবেল হোসেন।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতে ইসলামীর জিএম নজরুল ইসলাম, বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলনের এসএম মোস্তফা আল মামুন।
বাগেরহাট-এ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এসময় বাগেরহাট-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরী এবং জেলা বিএনপির সমন্বয়ক এম এ সালামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানের সুরে রাতভর চলে শ্রদ্ধা নিবেদন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে দ্রুত অভিযান শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিগগির বৈঠক করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে জেলেরা নির্বিঘ্নে সাগরে মাছ ধরতে পারেন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রামপাল সদরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটি তার প্রথম রামপাল সফর। তিনি বলেন, নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে রাজনীতি করবেন না। চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। ড. ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছর দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় জনগণের উন্নয়নে কাজ করা হবে। বিশৃঙ্খলা ও অন্যায়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবুসহ দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, দেশের যেসব নদী খনন প্রয়োজন এবং যেসব জলাশয় দখল হয়ে আছে, সেগুলো দ্রুত দখলমুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পবিত্র রমজানে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার মাইলের বেশি খাল খনন করেছিলেন। সেই কর্মসূচিকে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আবহাওয়া ও পরিবেশের বিষয় বিবেচনায় রেখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে। আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, স্বাস্থ্য বিভাগ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং চলমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।