নির্বাচন

ছবি: প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জের তিন আসনে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা। রোববার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আগে ২৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৯ জনের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় বর্তমানে তিন আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১৮। বাতিল প্রার্থীরা: •    মানিকগঞ্জ–১: আব্দুল আলী বেপারী (স্বতন্ত্র), মো. শাহজাহান খান (জনতা দল) •    মানিকগঞ্জ–২: আবিদুর রহমান নোমান (স্বতন্ত্র), মো. আব্দুল হক মোল্লা (বিএনপি), এস এম আব্দুল মান্নান (জাতীয় পার্টি) •    মানিকগঞ্জ–৩: আতাউর রহমান আতা, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (এবি পার্টি), রফিকুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), মো. ফারুক হোসেন (স্বতন্ত্র) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে অসত্য তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর অনুপস্থিত ছিল, একজন ঋণখেলাপি ছিলেন। বৈধ প্রার্থীরা: •    মানিকগঞ্জ–১: বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, খেলাফত মজলিস, মাইনরিটি জনতা পার্টি, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা •    মানিকগঞ্জ–২: বিএনপি, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা •    মানিকগঞ্জ–৩: বিএনপি, গণফোরাম, জামায়াতে ইসলামী, জাসদ, খেলাফত মজলিস, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, এর মধ্যে ২৭ জন জমা দিয়েছেন।

Unknown জানুয়ারী ৪, ২০২৬ 0
কর ফাঁকির মামলায় শীর্ষে থাকা প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধেই বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলের কম-বেশি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। তবে সবাইকে পেছনে ফেলে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু দুর্নীতি আর কর খেলাপি মামলার শীর্ষে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি এলাকায় চাউর হওয়ার পর এনিয়ে দুই উপজেলার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় বইছে। নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি থেকে ক্লীন ইমেজের প্রার্থী দেয়ার ঘোষনা দিলেও বরিশাল-২ আসনে দুর্নীতি আর কর ফাঁকির একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়ায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্ধীতার জন্য ১০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসব প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সাথে হলফনামা সংযুক্ত করেছেন। বিএনপি প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদের হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। যারমধ্যে পাঁচটি মামলাই দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে দায়ের হওয়া। যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকির একটি মামলা রয়েছে। যা বর্তমানে উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে। এছাড়াও ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা হয়েছিলো। যার তিনটিই আয়কর ফাঁকির মামলা। যা বর্তমানে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। অপরদিকে ৩ জানুয়ারি মনোনয়ন বাছাইয়ে বরিশাল-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা। একটি সরকারি সংস্থার তথ্যমতে, আয়কর সংক্রান্ত জটিলতার কারনে তার মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। করখেলাপীতে শ্রেষ্ট : বরিশাল-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে কেহই কর খেলাপি মামলায় অভিযুক্ত না থাকলেও তিনি (সরফুদ্দিন) কর খেলাপি মামলায় সবার উপরে অবস্থান করছেন। ঢাকা কর অঞ্চল-৭ এর সার্কেল-১৩৩ কার্যালয় সূত্রে পাওয়া ২০১৪ সালের এক নথিতে জানা গেছে, করবর্ষ ১৯৯৯-২০০০ থেকে ২০০৭-২০০৮ করবর্ষ পর্যন্ত তার কাছে করদাবী ছিলো ৩৮ কোটি ৯১ লাখ ৬১ হাজার ৩৫২ টাকা। জরিমানা হয় ১৬৮ কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার ২৩৫ টাকা। তার কাছে মোট দাবী ২০৭ কোটি ২৯ লাখ ৭৪ হাজার ৫৮৭ টাকা। এবিষয়ে বরিশাল-২ আসনের একাধিক প্রার্থীরা বলেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুর্নিতী ও কর ফাঁকির মামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। সরকারের কোটি কোটি টাকা করখেলাপি হয়েও যদি নির্বাচনের সুযোগ পায় তাহলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকেনা। এবিষয়ে জানতে বরিশাল-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর হলফনামায় দেওয়া (০১৭১১-৬৩২৫০৬) মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তাকে না পাওয়ায় কোন বক্তব্য নেওয়া যায়নি।  

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য টাঙ্গাইলের আটটি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ও শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুই দিনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মোট ৬৫ জন প্রার্থী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ের সময় এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি, আয়-ব্যয়ের সঠিক কাগজপত্র জমা না দেওয়া, সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং অবসর পরবর্তী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়া প্রধান কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চারটি আসনে নয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। এর মধ্যে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদের মনোনয়ন বাতিল হয়। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোয়ার হোসেন সাগরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও শাহজাহান মিয়া, টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা ও ডা. শাহ আলম তালুকদারের মনোনয়ন বাতিল হয়। শনিবার (৩ জানুয়ারি) চারটি আসনে আরও ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে পাঁচজন, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলমুয়ার) আসনে পাঁচজন, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে তিনজন এবং টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে প্রদর্শন করা হবে। তিনি বলেন, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আপিলের মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার সুযোগ পাবেন।

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
ছবি : বাসস
সাতক্ষীরায় ৪ টি আসনে বৈধ প্রার্থী হলেন ১৯ জন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে দাখিল করা ২৯টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার। যাচাই-বাছাইয়ে সাতক্ষীরা-১ (তালা–কলারোয়া) আসনে ৫ জন, সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর–দেবহাটা) আসনে ৭ জন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ) আসনে ৪ জন এবং সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। সাতক্ষীরা-১ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. ইয়ারুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. ইজ্জত উল্লাহ, জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান, বিএনপির মো. হাবিবুল ইসলাম (হাবিব) ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল করিম। সাতক্ষীরা-২ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আব্দুল খালেক, বিএনপির মো. আব্দুর রউফ, জাতীয় পার্টির মো. আশরাফুজ্জামান, এবি পার্টির জিএম সালাউদ্দীন, বাংলাদেশ জাসদের মো. ইদ্রিশ আলী, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি রবিউল ইসলাম এবং এলডিপির শফিকুল ইসলাম সাহেদ। সাতক্ষীরা-৩ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতে ইসলামীর হাফেজ মুহা. রবিউল বাসার, জাতীয় পার্টির মো. আলিফ হোসেন, বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন ও বিএমজেপির রুবেল হোসেন। সাতক্ষীরা-৪ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—জামায়াতে ইসলামীর জিএম নজরুল ইসলাম, বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান এবং ইসলামী আন্দোলনের এসএম মোস্তফা আল মামুন।    

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জে ৩টি আসনে ১০জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে ৪ জন, কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে ২ জন এবং কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। কাগজপত্রে ত্রুটি, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা, ঋণ ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপন, সম্পদ ও দায়ের বিবরণী অসম্পূর্ণ থাকা এবং ১ শতাংশ ভোটার সমর্থনের তথ্য সঠিক না থাকায় এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তিনি আরও জানান, যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি আসনে ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়ন বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আপিলসহ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
খাগড়াছড়িতে বিএনপি ও জামায়াতসহ ৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ,বাতিল ৭জন

খাগড়াছড়িতে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া ও জামায়াত ইসলামী প্রার্থী এয়াকুব আলিসহ ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী জিরুনা ত্রিপুরাসহ ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া মুসলিম লীগের প্রার্থী মো. মোস্তফার মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য জানান। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির মিথিলা রোয়াজা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ কাউছার, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির উশ্যৈপ্রু মারমা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোঃ নুরুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা। অবৈধ ঘোষণা হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রোয়াজার ঋণখেলাপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার মিয়াজির আয়কর সংক্রান্ত নথি অনুপস্থিতি, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিরুনা ত্রিপুরা, সমীরণ দেওয়ান, সোনা রতন ত্রিপুরা, লাব্রিচাই মারমা ও সন্তোষিত চাকমা। মুসলিম লীগের মনোনয়ন দলীয় সভাপতির স্বাক্ষরের ঘাটতির কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে।  

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
রাজশাহীতে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরিফ উদ্দীন, এবি পার্টির আবদুর রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর মজিবুর রহমানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আল সায়াদ, বিএনপির বিদ্রোহী সুলতানুল তারেক এবং গণঅধিকার পরিষদের মীর মোহাম্মদ শাহজাহানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বাতিলের কারণ হিসেবে মৃত ভোটারের স্বাক্ষর, প্রস্তাবকদের অনুপস্থিতি, আয়কর রিটার্নে স্বাক্ষরের ঘাটতি ও দলীয় সমর্থনের ফরমে স্বাক্ষরের অসঙ্গতি উল্লেখ করা হয়েছে। রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মো. মিজানুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির মু. সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ ফজলুল করিম, লেবার পার্টির মো. মেজবাউল ইসলাম ও নাগরিক ঐক্যের মোহাম্মদ সামছুল আলমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে ঋণ খেলাপির দায়, মৃত ভোটারের স্বাক্ষর ও তথ্য মিল না থাকার কারণে এলডিপির মো. ওয়াহেদুজ্জামান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দিন ও সালেহ আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা পর্যন্ত যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও হলফনামা যাচাই করা হয়। রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট ৩৮টি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়, যার মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়ন দেয়ায় ভোটের মাঠে রয়েছেন ৩৭ জন প্রার্থী।

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
গাজীপুরের তিনটি আসনে ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে গাজীপুরের তিনটি আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ আলম হোসেন বিষয়টি জানিয়ে দেন। গাজীপুর-১ (কালিয়াকৈর) আসনে যথাযথ ডকুমেন্ট না থাকায় জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম ও গণফ্রন্টের মোঃ আতিকুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। গাজীপুর-২ আসনে সর্বাধিক আটজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এক শতাংশ ভোটারের বৈধ সমর্থন না থাকা, হলফনামা ও ফলকনামায় ত্রুটি এবং স্বাক্ষরের ঘাটতির কারণে মোঃ আতিকুল ইসলাম, খন্দকার রুহুল আমিন, জিত বড়ুয়া, তাপসী তন্ময় চৌধুরি, মাহফুজুর রহমান খান, ইসরাফিল মিয়া, শরিফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর) আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। কাগজপত্রে ত্রুটি ও নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে গাজীপুরের নির্বাচনী সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ফলে নির্বাচনে কেবল নিয়মতান্ত্রিক ও যোগ্য প্রার্থীরাই মাঠে টিকে থাকবেন। গাজীপুর-৪ ও ৫ আসনের মনোনয়ন বাছাই বিকেল ২টা থেকে শুরু হবে।

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
রংপুরে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে রংপুরের দুই আসনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রংপুর-৩ ও রংপুর-৪ আসনের মনোনয়ন যাচাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। রংপুর-৩ আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন স্বতন্ত্র রিটা রহমান, বাসদ (মার্কসবাদী) আনোয়ারুল ইসলাম বাবলু ও খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল। এ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির সামসুজ্জামান সামু, জাতীয় পার্টির জিএম কাদের, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ আমিরুজ্জামান পিয়ালসহ মোট সাতজন। রংপুর-৪ আসনে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে জাতীয় পার্টির আব্দুস সালাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম বাশার ও জয়নুল আবেদিনের। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা, জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মাহবুবার রহমান, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ জাহিদ হোসেনসহ সাতজন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান জানান, বকেয়া পাওনা, মামলার তথ্য গোপন, দলীয় প্রধানের স্বাক্ষরযুক্ত মনোনয়নপত্রের ঘাটতি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এক শতাংশ ভোটার তালিকায় ত্রুটির কারণে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রংপুর-১ ও ২ আসনের মনোনয়ন যাচাই করা হয়, যেখানে রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়ন বাতিল হয়।  

Unknown জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর–২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা থেকে তাঁর নাগরিকত্ব, আয় ও সম্পদের হালনাগাদ তথ্য উঠে এসেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে গত ২০ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। হলফনামায় শামা ওবায়েদ নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি অ্যালিউর বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা, যা ২০১৮ সালের তুলনায় প্রায় ৮ লাখ টাকা কম। আয় আসে মূলত ভাড়া, চাকরি, বিনিয়োগের মুনাফা ও সম্মানী ভাতা থেকে। নথি অনুযায়ী, গত সাত বছরে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে অস্থাবর সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা, যেখানে নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, শেয়ার বিনিয়োগ ও একটি জিপ গাড়ি রয়েছে। অন্যদিকে স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কিছুটা কমে বর্তমানে ৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে, যার মধ্যে বনানীর একটি ফ্ল্যাট ও উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া অকৃষিজমি রয়েছে। হলফনামা বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, ২০১৮ সালে থাকা ব্যাংক ঋণের কোনো তথ্য এবার আর উল্লেখ করা হয়নি। পাশাপাশি সোনার পরিমাণও ৬০ তোলা থেকে কমে ৫০ তোলা দেখানো হয়েছে। এসব তথ্য নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনায় উঠে এসেছে।

Unknown জানুয়ারী ৪, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার নীতি ও তারেক রহমানের ভাষায় কাজ করব: ওয়াদুদ ভূইয়া

খাগড়াছড়ি জানুয়ারী ৪, ২০২৬ 0