সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাকবাশিয়া গ্রামে ইসমাইল হোসেন (২৩) নামের এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর সময় সেনাবাহিনীর টহল দলের সদস্যদের মারধরে তার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাকবাশিয়া বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইসমাইল হোসেন উপজেলার কাকবাশিয়া জেলেখালি এলাকার মহিরউদ্দীন সানার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তিন যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে বাজারে আসার সময় সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের সামনে পড়েন। এ সময় সেনাসদস্যরা তাদের গতিরোধ করে ইসমাইল হোসেনকে মারধর করেন। পরে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান বলে অভিযোগ ওঠে।
খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান জানান, মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, মৌখিকভাবে অভিযোগটি তিনি শুনেছেন, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট আসেফ আহসান চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাকবাশিয়া গ্রামে ইসমাইল হোসেন (২৩) নামের এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর সময় সেনাবাহিনীর টহল দলের সদস্যদের মারধরে তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাকবাশিয়া বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইসমাইল হোসেন উপজেলার কাকবাশিয়া জেলেখালি এলাকার মহিরউদ্দীন সানার ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তিন যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে বাজারে আসার সময় সেনাবাহিনীর একটি টহল দলের সামনে পড়েন। এ সময় সেনাসদস্যরা তাদের গতিরোধ করে ইসমাইল হোসেনকে মারধর করেন। পরে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান জানান, মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, মৌখিকভাবে অভিযোগটি তিনি শুনেছেন, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট আসেফ আহসান চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জামালপুরের মাদারগঞ্জে দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান সাইফুলকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইয়াকুব আলী নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বালিজুড়ী বাজার-হাসপাতাল সড়কের নূরুনাহার মির্জা কাশেম মহিলা ডিগ্রি কলেজ এলাকায় মোটরসাইকেল আটক করে ইয়াকুব অস্ত্র হাতে সাংবাদিককে হুমকি দেন। ইয়াকুব আলী মাদারগঞ্জ পৌরসভার বালিজুড়ী পণ্ডিতপাড়া এলাকার খাদ্য ব্যবসায়ী আশরাফ হাজীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইয়াকুব পূর্বেও চাঁদাবাজি, হামলা ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত ছিলেন। ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই এক ঠিকাদারের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। মাদারগঞ্জ মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তের বাবা আশরাফ হাজী জানান, "আমার ছেলে আমাদের কথা মানে না, তাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া উচিত।"
সাতক্ষীরায় এক কিশোরীর প্রতি সংঘটিত গুরুতর যৌন সহিংসতা ও তা ভিডিও ধারণ করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক কলেজছাত্রকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা চলমান রয়েছে। র্যাব-৬ সূত্র জানায়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে পাটকেলঘাটা থানার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে দেবাশীষ মল (২২) নামের ওই কলেজছাত্রকে আটক করা হয়। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুলতিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী। মামলার এজাহার ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা প্রবাসে থাকায় বাড়িতে একা থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তাকে ধর্ষণ করে এবং ঘটনাটি গোপনে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে বারবার যৌন নির্যাতনের শিকার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে সহযোগিতার অভিযোগে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। ঘটনাটি পরিবার জানতে পারার পর ভুক্তভোগীর মা গত ২৩ জানুয়ারি সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেন জানান, র্যাব গ্রেফতারকৃত আসামিকে থানায় হস্তান্তর করেছে এবং তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।