ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এবার সরাসরি অবস্থান নিল ইরাকের নাগরিকদের একটি অংশ। সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় ইরান ও তেহরান-সমর্থিত শক্তিগুলোর পক্ষে সহায়তায় নামার ঘোষণা দিয়েছেন হাজার হাজার ইরাকি।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। সেখানে তারা জানান, ইরাক, প্রতিবেশী ইরান এবং ইরানঘেঁষা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সুরক্ষায় তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে প্রস্তুত।
ঘোষণায় বলা হয়, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা ইরানকে সহায়তা করবেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রে যেকোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করবেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলমান থাকা সত্ত্বেও এমন ঘোষণা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলও ইরান ইস্যুতে যুদ্ধ প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ইরানের উপকূলীয় জলসীমার কাছাকাছি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর অবস্থান এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কৌশলগত তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এবার সরাসরি অবস্থান নিল ইরাকের নাগরিকদের একটি অংশ। সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় ইরান ও তেহরান-সমর্থিত শক্তিগুলোর পক্ষে সহায়তায় নামার ঘোষণা দিয়েছেন হাজার হাজার ইরাকি। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। সেখানে তারা জানান, ইরাক, প্রতিবেশী ইরান এবং ইরানঘেঁষা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সুরক্ষায় তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে প্রস্তুত। ঘোষণায় বলা হয়, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা ইরানকে সহায়তা করবেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রে যেকোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করবেন। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলমান থাকা সত্ত্বেও এমন ঘোষণা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলও ইরান ইস্যুতে যুদ্ধ প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের উপকূলীয় জলসীমার কাছাকাছি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর অবস্থান এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কৌশলগত তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক) দেশের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হওয়া এই ব্যবস্থায়, পরের দিনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুক করা যাবে। আবেদনকারীদের বিকেল ৫টা ৩০ এর আগে সাইনআপ ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। আইভ্যাক জানিয়েছে, নতুন সিস্টেমে প্রতিটি ব্যবহারকারীকে ইমেইল ও মোবাইলে ওটিপি ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। সাইনআপ ও ডকুমেন্ট আপলোডের পরই অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা হবে। স্লট বুক করার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত ভিসা ফি প্রদানের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নতুন এই ব্যবস্থা জাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ রোধে এবং আবেদনকারীদের জন্য সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে গৃহীত হয়েছে। আইভ্যাক সকলকে নির্দেশিকাগুলো সতর্কভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করেছে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে আবারও সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত মিলেছে। ওমানের উত্তরাঞ্চলে একটি মার্কিন পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজকে ইরানের নৌযানগুলো ধাওয়া করেছে—এমন তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক ঝুঁকি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ভ্যানগার্ড। সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’ নামের ট্যাংকারটি আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচল করছিল এবং ইরানের স্বীকৃত জলসীমায় প্রবেশ করেনি। এ অবস্থায় কয়েকটি ইরানি গানবোট জাহাজটির কাছে এসে ইঞ্জিন বন্ধ করে থামার নির্দেশ দেয় এবং জাহাজে ওঠার প্রস্তুতিও নেয়। তবে ট্যাংকারটি গতি বাড়িয়ে পরিস্থিতি এড়িয়ে যায়। পরে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ জাহাজটিকে নিরাপত্তা দিয়ে নির্ধারিত পথে এগিয়ে নেয়। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। এ ঘটনার আগে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স (ইউকেএমটিও) জানায়, ওমান উপকূল থেকে প্রায় ১৬ নটিক্যাল মাইল দূরে সশস্ত্র নৌযানের একটি দল একটি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকের চেষ্টা করেছিল। ঘটনাটি হরমুজ প্রণালির ট্রাফিক সেপারেশন স্কিমের ভেতরে ঘটেছে বলে জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট জাহাজের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি। অন্যদিকে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, একটি জাহাজ প্রয়োজনীয় আইনি অনুমতি ছাড়া ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল। সতর্ক করার পর সেটি এলাকা ত্যাগ করে এবং কোনো নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট। পারস্য উপসাগরের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল এই পথ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো সামরিক বা নিরাপত্তাজনিত উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।