নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের বিরুদ্ধে ভোট কেনার জন্য কালো টাকা বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সৈয়দপুর প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সচেতন নাগরিকরা সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবুপাড়া শহীদ বদিউজ্জামান সড়কে জাপা প্রার্থীর অফিসে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে টাকা বিতরণ করা হয়। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রতিবাদে উপস্থিত যুবকরা বাধা দিতে গেলে সেখানে অবস্থান করা ব্যক্তিরা মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায় এবং অফিসের গেট বন্ধ করে দেয়।
স্থানীয় প্রশাসন ও সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রার্থীর কর্মীরা টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহদী ইমাম জানান, তল্লাশী চালানো হলেও কোনো ব্যক্তি বা টাকা পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য প্রার্থীর ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, এর আগে প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়মিত লঙ্ঘন করেছেন এবং বিভিন্ন এলাকায় ভোট কেনার চেষ্টা চালিয়েছেন। এতে নির্বাচন পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তারা নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রার্থীর বিরুদ্ধে কালো টাকার প্রভাব বন্ধে পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সাংগঠনিক নীতির পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে দলটি। তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করে বক্তব্য ও কার্যকলাপে জড়িত থাকার কারণেই এই বহিষ্কার কার্যকর করা হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে দলীয় প্রার্থীকে ভোট না দিলে ভোটারদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে দেখা যায়। বিষয়টি দলীয় উচ্চপর্যায়ে গুরুতরভাবে বিবেচিত হয়। প্রসঙ্গত, কুমিল্লা-৪ আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগে এই সাবেক সংসদ সদস্যের মনোনয়ন আগেই বাতিল হয়েছিল। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বহিষ্কারের মাধ্যমে তার সঙ্গে বিএনপির সব সাংগঠনিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ছিন্ন করা হলো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপির শেষ নির্বাচনী জনসভা জনতার মহামিলনে পরিণত হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নালিতাবাড়ী উপজেলার তারাগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। নালিতাবাড়ী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক ভোটারের উপস্থিতিতে মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে। উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আফছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা শেরপুর-২ আসনকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলমুক্ত করার অঙ্গীকার করেন। প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি বলেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত হলে বৈষম্য ও লুটপাটের রাজনীতি বন্ধ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রধান বক্তা জাকসুর সাবেক জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, চাঁদা ও দখলমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জনগণের রায় প্রয়োজন। বিশেষ অতিথিরা ভোটারদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। জনসভা শেষে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপির শেষ নির্বাচনী জনসভা জনতার মহামিলনে পরিণত হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নালিতাবাড়ী উপজেলার তারাগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। নালিতাবাড়ী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক ভোটারের উপস্থিতিতে মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে। উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আফছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা শেরপুর-২ আসনকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলমুক্ত করার অঙ্গীকার করেন। প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি বলেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত হলে বৈষম্য ও লুটপাটের রাজনীতি বন্ধ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রধান বক্তা জাকসুর সাবেক জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, চাঁদা ও দখলমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জনগণের রায় প্রয়োজন। বিশেষ অতিথিরা ভোটারদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। জনসভা শেষে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।