বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আশুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কারণে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
সংস্থার বার্তায় বলা হয়েছে, এই সময় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ সকল গ্রাহক গ্যাস সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।

কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হলে বিকেল ৪টার পর ধাপে ধাপে সরবরাহ পুনঃসূচনা করা হবে। কোম্পানি গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আশুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কারণে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। সংস্থার বার্তায় বলা হয়েছে, এই সময় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ সকল গ্রাহক গ্যাস সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হলে বিকেল ৪টার পর ধাপে ধাপে সরবরাহ পুনঃসূচনা করা হবে। কোম্পানি গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।
নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবসহ ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ভাতা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন সরকার। ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি এলাকায় এ কর্মসূচি শুরু করা হবে এবং পরবর্তীতে তা সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে ঘোষিত প্রতিশ্রুতির আলোকে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানি ভাতা প্রদানের বিষয়ে সরকার অগ্রসর হচ্ছে। তবে ভাতার পরিমাণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে। সরকারি সূত্রে আরও জানানো হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর এ দিন প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মদিবসের সূচনায় তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহকে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং নীতিগত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই ভাতা কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মোংলা বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাণিজ্যকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দরের কার্যক্রম পরিদর্শন ও কর্মকর্তা-কৰ্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম, তাই এর সক্ষমতা শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক করতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী আরও জানান, পূর্ববর্তী চুক্তিগুলো দেশীয় স্বার্থে পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে আগামী ছয় মাসের মধ্যে বন্দরের ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহিন রহমান এবং সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রশাসন প্রতিনিধি।