জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের জন্য প্রদত্ত ‘ইনডেমনিটি’ বা দায়মুক্তি সরকার স্বীকৃতি দেবে। তিনি বলেন, “এই যোদ্ধাদের আমরা সরকারি পর্যায়ে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেব এবং আন্দোলনের মূল চেতনা ও ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
সালাহউদ্দিন আরও উল্লেখ করেছেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের রাজনৈতিক নামকরণ নিয়ে বিতর্ক চলেছে। বর্তমান বৈঠকে এসব নামকরণ পরিবর্তনের বিষয়ে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির মো. মুজিবুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের জন-আকাঙ্ক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে কোনো অধ্যাদেশ সংবিধান বা জনস্বার্থ বিরোধী হলে, দল তার বিরুদ্ধে যথাযথ অবস্থান নেবে।
সংসদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা অংশগ্রহণ করছেন। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় আজকের বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বড় কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের জন্য প্রদত্ত ‘ইনডেমনিটি’ বা দায়মুক্তি সরকার স্বীকৃতি দেবে। তিনি বলেন, “এই যোদ্ধাদের আমরা সরকারি পর্যায়ে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেব এবং আন্দোলনের মূল চেতনা ও ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।” সালাহউদ্দিন আরও উল্লেখ করেছেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের রাজনৈতিক নামকরণ নিয়ে বিতর্ক চলেছে। বর্তমান বৈঠকে এসব নামকরণ পরিবর্তনের বিষয়ে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির মো. মুজিবুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের জন-আকাঙ্ক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে কোনো অধ্যাদেশ সংবিধান বা জনস্বার্থ বিরোধী হলে, দল তার বিরুদ্ধে যথাযথ অবস্থান নেবে। সংসদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা অংশগ্রহণ করছেন। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় আজকের বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বড় কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট ব্যবস্থাপনায় পূর্ববর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট সময়ে কার্যকর কূটনৈতিক ও নীতিগত পদক্ষেপের অভাবে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান সরকার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাস্তবমুখী ও কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপট পূর্বের তুলনায় অধিক জটিল এবং বহুমাত্রিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। সীমান্ত পরিস্থিতিকে “অত্যন্ত অস্থিতিশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ” আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া (রিপ্যাট্রিয়েশন) পরিচালনায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এ সংকটকে কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবেও বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আরাকান আর্মির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই সমাধানের চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের—বিশেষত আসিয়ান, চীন, ভারত, মুসলিম বিশ্ব ও পশ্চিমা দেশগুলোর—সমন্বিত সহযোগিতা ছাড়া এ সংকট নিরসন সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের মানবিক অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে মানবিক বিবেচনায়; তবে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। অন্যদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের বিষয়ে সরকার আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি জানান। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
ফরিদপুরে শুক্রবার (২০ মার্চ) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম অভিযোগ উড়িয়ে বলেছেন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির নাম ধরে দেওয়া ‘১৪৮ কোটি টাকা বাড়তি ভাড়া আদায়ের’ তথ্য সম্পূর্ণ অবাস্তব ও বিভ্রান্তিকর। তিনি বলেন, এটি একটি কাল্পনিক, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি, যা দেশের যাত্রী ও সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এসময় মালিক সমিতি সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, জনৈক মোজাম্মেল হককে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার দেওয়া বক্তব্যের প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হবে, নাহলে আইনানুগ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ জানান, কিছু অবৈধ কাউন্টার সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত, যা ইতিমধ্যেই শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দাবি করা হয়েছিল, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে দূরপাল্লার বাস ও মিনিবাসে ৪০ লাখ যাত্রী যাত্রার সময় প্রায় ১২২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হতে পারে। তবে মালিক সমিতি এ তথ্যকে ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘মনগড়া’ হিসেবে বিবেচনা করছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জি আর শহীদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ।