নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নে ৭ বছরের এক শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আতিকুর রহমান (৭০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত আতিকুর রহমান উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের সাতপাইকা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আতিকুর রহমান একজন স্থানীয় দোকানদার। ভুক্তভোগী ওই শিশুটি তার দোকানে কেনাকাটা করতে গেলে আতিকুর তাকে প্রলোভন দেখিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শিবপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে, পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানকে গ্রেফতার করে।
শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কোহিনূর মিয়া জানায়, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নে ৭ বছরের এক শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আতিকুর রহমান (৭০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত আতিকুর রহমান উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের সাতপাইকা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আতিকুর রহমান একজন স্থানীয় দোকানদার। ভুক্তভোগী ওই শিশুটি তার দোকানে কেনাকাটা করতে গেলে আতিকুর তাকে প্রলোভন দেখিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শিবপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে, পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানকে গ্রেফতার করে। শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কোহিনূর মিয়া জানায়, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ নেওয়ার আড়ালে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে “অ্যাগ্রিভেঞ্চার” এর কো-ফাউন্ডার ও সিইও রাবিব রিদওয়ান এর বিরুদ্ধে। দেশ ও বিদেশে থেকে অর্থ আত্মসাৎ ও নারী কেলেঙ্কারির সহ নানা অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এই রাবিব রিদওয়ান হলেন ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লুৎফন্নাহার এবং প্রশিকার সাবেক কর্মকর্তা সোমেজ উদ্দিনের ছেলে। ১৯৮৮ সালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জাফরাবাদে জন্ম এই রাবিবের। তবে এলাকার মানুষ তাকে খুব একটা চিনেনা। তার এসব প্রতারণার কথা শুনে এলাকার অনেকই হতবাক। রাবিবের অ্যাগ্রিভেঞ্চারের ওয়েবসাইটে ভিজিট করে নানা চমকপ্রদ প্যাকেজের ঘোষণা দেখা গেছে। প্যাকেজগুলোর মধ্যে বগুড়ার ভুট্টাতে ছয় মাসের জন্য ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে ১০ থেকে ১২ শতাংশ, বগুড়া-রংপুরের চালে ছয় মাসে ১ লাখ টাকায় ১২ থেকে ১৪ শতাংশ, বাগেরহাট-খুলনার মাছে ছয় মাসে ৫০ হাজার টাকায় ১৬ থেকে ১৮ শতাংশ, পটুয়াখালী, যশোর ও জামালপুরের মাছে ছয় মাসে ৬০ হাজার টাকায় ১৩ থেকে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশসহ মূল টাকা ফেরত দেওয়া কথা বলা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতি বছর এভাবেই বেশকিছু কৃষিপণ্যের ওপর নানা প্যাকেজ ঘোষণা করে মানুষদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে । প্রথমদিকে লভ্যাংশসহ বিনিয়োগ করা কিছু টাকা ফেরত পেলেও গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আর কোন টাকাই ফেরত পাচ্ছেন না বিনিয়োগ কারীরা। টাকা ফেরত না পেয়ে কয়েকজন বিনিয়োগকারী আদালতে মামলা করেও টাকা উদ্ধার করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটি অল্প কয়েকজনের কাছ থেকে বিনিয়োগ নিয়ে বেশ বড় আকারে তাদের কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করতে থাকে। এমন প্রচারণার ফলে একটা সময় ‘গেইন’ নামক আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ডলারের একটি তহবিল পায়। গেইন (GAIN- Global Alliance for Improved Nutrition) ফাউন্ডেশন মূলত সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক একটি অলাভজনক আন্তর্জাতিক সংস্থা। যার মূল লক্ষ্য পুষ্টিকর এবং নিরাপদ খাবারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে অপুষ্টি দূর করা। এটি টেকসই খাদ্য ব্যবস্থায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে কাজ করে। বাংলাদেশে ‘গেইন’ পুষ্টি, কৃষি এবং নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কর্মসূচি পরিচালনায় কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় অ্যাগ্রিভেঞ্চারে তহবিল দিয়েছিল। মূলত ‘গেইন’র তহবিল দেওয়ার খবরে অ্যাগ্রিভেঞ্চোরে লোকজন আরও আগ্রহ নিয়ে বিনিয়োগ করতে থাকেন। এই বিষয়টিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও লিংকডইনে প্রচারের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা অর্জন হয় বলে তারা জানান। ‘গেইন’ থেকে যখন তহবিল পেয়েছিল তখন অ্যাগ্রিভেঞ্চারের সঙ্গে ব্যবসায়ী অংশিদারত্বে মো. রাশেদ ও মো. শাকিল নামের আরও দুজন পার্টনার ছিলেন। মূলত এ দুজনের প্রচেষ্টায় বিদেশি সহায়তা এসেছিল। রাবিব রিদওয়ানের নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের ফলে তারা প্রতিষ্ঠানটি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন। ভুক্তভোগী আশরাফুল ইসলাম জানান, তাঁর জমানো টাকা পুরোটা অ্যাগ্রিভেঞ্চারে দিয়ে আজ তিনি নিঃস্ব। বর্তমানে তিনি লভ্যাংশসহ বিনিয়োগের মোট ৩৩ লাখ টাকার ওপর পাওনা আছেন বলে জানান। এদিকে প্রতিষ্ঠানটিতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ইনভেস্টের পাওনা টাকা না পাওয়ায় ইশতিয়াক রাব্বি নামে একজন ইনভেস্টর রাবিব রিদওয়ানের বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে মামলা করেছিল। যার মাসলা নম্বর ৫৬৮/২৫। চলতি বছর ১৫ জানুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় রাবিবের বিরুদ্ধে। মামলার আইনজীবী জানান, আদালতে আত্মসমর্পণ করে পরে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে জামিন নেন রাবিব রিদওয়ান। এখন তিনি টাকা না দিয়ে নানাভাবে সময় নিচ্ছেন। অ্যাগ্রিভেঞ্চারের সাবেক কর্মী বলেন, কৃষিপণ্যের প্রলোভনে এই রাবিব হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় ৫০ কোটি টাকা। প্রতিদিনই বিভিন্ন পাওনাদার অফিসে আসছেন। আগে ফোনে রাবিব রিদওয়ানকে পেলেও এখন সব পাওনাদারের নম্বর ব্লক করে দিয়েছেন তিনি। এতে করে অফিসে এসে টাকার জন্য নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। সম্প্রতি তার ফার্মগেটের অফিস লালমাটিয়াতে নিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি অফিস করছেন না। এমন কি কারো ফোনও রিসিভ করছেন না। এসব অভিযোগের বিষয়ে রাবিব রিদওয়ানের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার ফোন কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এসএমএস দেওয়ার পরও তিনি কোন জবাব দেননি।
রায়পুরা উপজেলা-এর চরাঞ্চলে জেলা পুলিশের অভিযানে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী রাকিব ওরফে এ্যাংকা (২৩) গ্রেফতার হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ৩টি ওয়ান শুটার গান ও ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে রায়পুরা থানা ও বাঁশগাড়ী তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরমেঘনা গ্রামে অভিযান চালায়। রাত ১২টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে ঘরের খাটের নিচে লুকানো অবস্থায় একটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন রায়পুরা থানা-এর ওসি মো. মজিবুর রহমান ও এএসপি মো. রায়হান সরকারের তত্ত্বাবধানে একটি টিম। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত রাকিবের বিরুদ্ধে অস্ত্র, হত্যা, চাঁদাবাজি ও দস্যুতাসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, অভিযানের পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।