ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের কিশোরগঞ্জের ‘প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট’ ঘিরে দখল অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি কখনোই ওই রিসোর্টে যাননি এবং এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ধরনের অভিযোগকে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিকভাবে চালিত বলে দাবি করেন।
ফজলুর রহমান আরও বলেন, অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে তিনি শুধু রাজনীতি নয়, জনসমক্ষে ক্ষমাও চাইতে প্রস্তুত—অন্যথায় এসব বক্তব্য সম্পূর্ণ অপপ্রচার।
অন্যদিকে, আলোচিত ওই ‘প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার ও অবৈধ সম্পদ সংক্রান্ত অভিযোগ আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিন্ন অবস্থানও রয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের কিশোরগঞ্জের ‘প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট’ ঘিরে দখল অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি কখনোই ওই রিসোর্টে যাননি এবং এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ধরনের অভিযোগকে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিকভাবে চালিত বলে দাবি করেন। ফজলুর রহমান আরও বলেন, অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে তিনি শুধু রাজনীতি নয়, জনসমক্ষে ক্ষমাও চাইতে প্রস্তুত—অন্যথায় এসব বক্তব্য সম্পূর্ণ অপপ্রচার। অন্যদিকে, আলোচিত ওই ‘প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার ও অবৈধ সম্পদ সংক্রান্ত অভিযোগ আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিন্ন অবস্থানও রয়েছে।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটার মূল বিষয়টা রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক—এখানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার। প্রথমত, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ছাত্র সংগঠন। অন্যদিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হলো ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর ছাত্র সংগঠন। এই দুই সংগঠন ঐতিহাসিকভাবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। এখন অভিযোগ উঠেছে যে, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রদলের সদ্যঘোষিত ৩২ সদস্যের কমিটিতে ছাত্রলীগের (বিশেষ করে “নিষিদ্ধ” বা বিতর্কিত) কিছু সাবেক নেতা জায়গা পেয়েছেন। যদি এটি সত্যি হয়, তাহলে বিষয়টি কেন এত আলোড়ন তৈরি করছে তা বুঝতে হলে কয়েকটি কারণ দেখা যায়— ১. আদর্শগত দ্বন্দ্ব: ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ সম্পূর্ণ ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই এক সংগঠনের সক্রিয় বা সাবেক নেতাদের অন্য সংগঠনের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা অনেকের কাছে “আদর্শের আপস” হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২. ত্যাগী নেতাকর্মীদের ক্ষোভ: দীর্ঘদিন ধরে যারা ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত, তাদের অভিযোগ—তাদের বাদ দিয়ে অন্য সংগঠন থেকে লোক এনে পদ দেওয়া হলে সংগঠনের ভেতরে হতাশা তৈরি হয়। ৩. সংগঠনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া: এ ধরনের ঘটনা হলে সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের কাছে সংগঠনের স্বচ্ছতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ৪. রাজনৈতিক ঝুঁকি (বুমেরাং ইফেক্ট): যেমন কিছু নেতারা বলেছেন—এটা ভবিষ্যতে দলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ বিরোধীরা এটাকে প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। অন্যদিকে, কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংগঠনগুলো “সমন্বয়” বা “অন্তর্ভুক্তি”র রাজনীতি করে—যেখানে ভিন্ন পটভূমির লোকদেরও জায়গা দেওয়া হয়। তবে এখানে সমস্যা হচ্ছে—যদি সেই অন্তর্ভুক্তি স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই ছাড়া হয় বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে হয়, তখনই বিরোধ সৃষ্টি হয়।
বরিশালে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে বিভিন্ন দলের প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী যোগ দিয়েছেন। শনিবার (২ মে) দুপুর ১২টায় বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণঅধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগদান করেন। নতুন যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন এনসিপি বরিশাল জেলার আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা। তিনি জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আগ্রহী নেতাকর্মীরা সদস্য ফরম পূরণ করে দলে যুক্ত হয়েছেন। এ সময় গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক নেতা যোগ দেন। অনুষ্ঠানে আগ্রহী নতুন সদস্যদের হাতে এনসিপির সদস্য ফরম তুলে দেওয়া হয় বলে জানান আয়োজকরা।