আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে বড় সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
ঘোষণা অনুযায়ী, শুক্রবার (১ মে) শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শ্রমিক দিবসের এই কর্মসূচিতে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা চলছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে এবার মে দিবস পালিত হচ্ছে, যা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও দাবি-দাওয়ার নতুন রাজনৈতিক বার্তা দেবে।
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে বড় সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ঘোষণা অনুযায়ী, শুক্রবার (১ মে) শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শ্রমিক দিবসের এই কর্মসূচিতে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা চলছে। নজরুল ইসলাম খান বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে এবার মে দিবস পালিত হচ্ছে, যা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও দাবি-দাওয়ার নতুন রাজনৈতিক বার্তা দেবে।
গোপালগঞ্জ থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের পদধারী নেত্রী সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর)। তার এ মনোনয়নকে ঘিরে জেলাজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। পাশাপাশি বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ। জানা গেছে, সুবর্ণা ঠাকুর বর্তমানে কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী জানিয়েছেন, দলে নতুন নেতৃত্ব আসা স্বাভাবিক বিষয়। তবে অন্য দল থেকে সরাসরি এসে মনোনয়ন পাওয়া দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের জন্য হতাশাজনক।
রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান জানালেন নাহিদ ইসলাম। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে “রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সংকট” আখ্যা দিয়ে তিনি পুনরায় গণআন্দোলনের প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করেছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত জুলাইয়ের শহীদ পরিবার ও আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ বক্তব্য দেন। সভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত আন্দোলন কোনো একক দল বা জোটভিত্তিক নয়; বরং “রাষ্ট্রের সার্বভৌম সুরক্ষা ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষার সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা” থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহে শহীদদের আত্মত্যাগ যেন “আইনগত ও নৈতিকভাবে অবমূল্যায়িত না হয়”, তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। বর্তমান সরকারের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই-সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগী ও অংশগ্রহণকারীদের পুনর্বাসন, স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তায় দৃশ্যমান অগ্রগতি এখনো স্পষ্ট নয়। একই সঙ্গে জুলাই অধিদপ্তর ও শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন গঠন সত্ত্বেও কার্যকর বাস্তবায়নে ঘাটতির অভিযোগও তোলেন তিনি। সভায় উপস্থিতদের উদ্দেশে তিনি ঘোষণা দেন, ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সরাসরি ঝুঁকিতে না রেখে দলীয় কর্মী ও নেতৃত্বই সামনের সারিতে থেকে আন্দোলন পরিচালনা করবে—যা তিনি “দায়িত্বশীল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি” হিসেবে উল্লেখ করেন।