খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি উপজেলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে মহালছড়ি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে অন্তর্ভুক্ত হন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু, অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু, কোষাধ্যক্ষ মো. কামাল উদ্দিন দীপ্ত, ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন বাবু। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হকসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
যোগদানকারীরা জানান, উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রত্যাশা থেকে তারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কাজ করছে। নবাগত নেতাকর্মীরা এই আন্দোলনে নতুন শক্তি যোগাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে নবাগতরা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ি উপজেলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে মহালছড়ি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে অন্তর্ভুক্ত হন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু, অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু, কোষাধ্যক্ষ মো. কামাল উদ্দিন দীপ্ত, ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন বাবু। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হকসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। যোগদানকারীরা জানান, উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রত্যাশা থেকে তারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কাজ করছে। নবাগত নেতাকর্মীরা এই আন্দোলনে নতুন শক্তি যোগাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে নবাগতরা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নেতৃত্বে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল অ্যাডভোকেট বার সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত যোগদান অনুষ্ঠানে নবাগতদের স্বাগত জানান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলী গ্রামের শাহাদত খান, ফিরোজ, আতোয়ার খান, গোলাপ খান, মহির খান, নজরুল মেম্বার, আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দেন। যোগদানকারী নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন গামছা প্রতীকের পক্ষে কাজ করলেও সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর প্রতি আস্থা রেখে তারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। অনুষ্ঠানে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংমুক্ত করে একটি নিরাপদ ও আধুনিক জেলা গড়ে তুলতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে। এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুর আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সম্ভাবনায় মৌলভীবাজার-৩ ও মৌলভীবাজার-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দুই প্রার্থীর বাড়ি মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঘেরাও করেছেন স্থানীয় সমর্থকরা। মৌলভীবাজার-৩ আসনের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের রাজনগর উপজেলার দত্তগ্রাম গ্রামের বাড়ি, এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রবের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ভাষানিগাঁও গ্রামের বাড়ি ঘিরে অবস্থান নেয় স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্র জানায়, আব্দুল মান্নান নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছিলেন। তবে জোটগত সিদ্ধান্তে তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে সমর্থকরা বাড়ি ঘেরাও করেন। অন্যদিকে অ্যাডভোকেট আব্দুর রব তার ফেসবুক পেজে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও জোটের স্বার্থে বিকালে তার মনোনয়ন প্রত্যাহার হতে পারে। এটি জানতে পেরে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এলাকার সমর্থকরা ঘরে অবস্থান নেন। জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইয়ামির আলী বলেন, “জনগণ পরিবর্তন চাইছিল। আমাদের প্রার্থীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তবে জোটগত কারণে প্রার্থী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত এসেছে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা যেতে পারি না।”