বাংলাদেশ

হাজারো পুণ্যার্থীর পদচরনা

পঞ্চগড়ের বোদায় ৩ দিনব্যাপী বারুণী স্নান শুরু

Icon
পঞ্চগড় প্রতিনিধি>
প্রকাশঃ মার্চ ১৭, ২০২৬

 

পঞ্চগড়ের বোদায় নিজেকে পাপমুক্ত করে পরিশুদ্ধ ও পুণ্যতা এবং পিতা মাতার আত্মার শান্তির আশায় শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ৩ দিনব্যাপী ধর্মীয় বারুণী স্নান উৎসব।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সূর্যোদয়ের পর থেকেই বোদা উপজেলার কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের বোয়ালমারী করতোয়া নদীতে উত্তর স্রোতা পানিতে ওই স্নানোৎসব শুরু হয়।
চৈত্রের মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথিতে প্রতিবছর করতোয়া নদীর উত্তরমুখী স্রোতে এই গঙ্গা স্নান অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর স্থানীয় গঙ্গা মন্দির কমিটি বারুণী স্নানোৎসবের আয়োজন করে। এ সময় সনাতন হিন্দুধর্মাবলম্বীরা স্নানের পাশাপাশি পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় পূজা অর্চনা করেন।
এখানে পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন বয়সী হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষজন স্নান ও পূজা অর্চনা করেন।
স্নান উপলক্ষ্যে এখানে আয়োজন করা হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বারুণী মেলা। এখানে নাগরদোলা, মোটরসাইকেল খেলাসহ বিভিন্ন বিনোদনেরও আয়োজন করা হয়েছে। এ বারুণী স্নান চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।
দেবীগঞ্জের দণ্ডপাল থেকে বোয়ালমারী বারুণী স্নানে পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছেন সৌমিক অধিকারী, তিনি বলেন, ‘দেহ ও মনকে পরিশুদ্ধ করতে এখানে প্রতিবছর আসা হয়। পরিবারের সবাই মিলে স্নান করি এবং পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তি কামনায় পূজা অর্চনা করি।’
নীলফামারীর ডোমার থেকে স্নান করতে এসেছেন প্রমিলা রানী। তিনি বলেন, ‘বাপ-দাদাদের কাছ থেকে শুনেছি, নদীর উত্তরমুখী স্রোতে স্নান করলে পাপ মোচন হয়। তাই এখানে পরিবারের সবাইকে নিয়ে স্নান করতে এসেছি।’
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ও বোদা উপজেলা প্রশাসনের তদারকিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহ অন্যান্য আয়োজনে সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন বিশেষ আনন্দিত বলেও স্নান কমিটির লোকজন জানান।

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
আগাম বৃষ্টি-ঝড়ে ৪৪ হেক্টর ভুট্টা ও বোরো ফসল ক্ষতির শঙ্কা

  নীলফামারীতে টানা আগাম বৃষ্টিপাত ও বৈশাখী ঝড়ে হেলে পড়া ভুট্টা, নিচু এলাকার বোরো ধান, পাট ও সবজি পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বেগে রয়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা। বিশেষ করে পরিপক্ক ভুট্টা ও পানিতে তলিয়ে থাকা বোরো ধান দ্রুত ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুস সবুর জানান, শনিবার রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা মাঝারি ধরনের বৃষ্টি। আগামী ৫ মে পর্যন্ত এ ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে এবং ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। কৃষকদের মতে, গত কয়েক সপ্তাহের বৈশাখী ঝড়ে ভুট্টা ক্ষেত ব্যাপকভাবে হেলে পড়েছে। বৃষ্টির কারণে সময়মতো ফসল সংগ্রহ করা যাচ্ছে না, ফলে ভুট্টা পচে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ভুট্টা চাষি লুৎফর রহমান বলেন, “মাত্র দুই দিন সূর্যের আলো পেলে ফসল তুলতে পারতাম। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে ভুট্টা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।” এদিকে জেলার বিভিন্ন মরা নদী—বুড়ি তিস্তা, ধুম, বামনডাঙ্গা, দেওনাই, খড়খড়িয়া ও ধাইজান নদীতে আগাম বোরো ধান চাষ করলেও বৃষ্টির কারণে পানি বেড়ে ফসল নষ্ট হচ্ছে। নিচু জমির আধাপাকা বোরো ধানও প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পানিতে তলিয়ে রয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারতের মেঘালয় ও স্থানীয় বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে, তবে তা এখনো বিপদসীমার নিচে রয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১.৪১ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার ৭৪ সেন্টিমিটার নিচে। নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান বলেন, জেলায় গড়ে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জে বৃষ্টির মাত্রা বেশি। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে বোরো ১২ হেক্টর, ভুট্টা ১৭ হেক্টর, পাট ৫ হেক্টর ও সবজি ১০ হেক্টর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টি না হলে ভুট্টার বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।  

নীলফামারী প্রতিনিধি> মে ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরে বেপরোয়া ট্রাকের তাণ্ডবের পর গণপিটুনিতে নিহত চালক

ভোলার ভেদুরিয়ায় এক বিধবার ঘর ভাংচুরের চেষ্টা চলাচ্ছে এক ভূমিদস্যু চক্র

মোরেলগঞ্জে ১৬ বছর ধরে শ্রেণিকক্ষে পুলিশ ফাঁড়ি, টিনের ঘরে চলছে পাঠদান

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বিশ্বমানের ক্যান্সার হাসপাতালের ব্রীজ নির্মাণের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদুল ইসলাম

  বাগেরহাটের রামপালে বিশ্বমানের ক্যান্সার কেয়ার এণ্ড রিচার্স সেন্টার সংলগ্ন ব্রীজ নির্মাণের অগ্রগতি এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে কেন্দ্রটি চালুর করার বিষয়ে খোঁজখবর নেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। শুক্রবার (০১ মে) বেলা ১১ টায় উপজেলার ঝনঝনিয়ায় নির্মাণাধীন ব্রীজ ও ক্যান্সার কেয়ার সেন্টারটি পরিদর্শন করেন তিনি।  পরিদর্শনকালে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরী, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী, ওসি সুব্রত বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাবেক সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল আমিন হাওলাদার, উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরামের সদস্য সচিব এম, এ সবুর রানাসহ ক্যান্সার কেয়ারের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক কালে প্রতিমন্ত্রী ডক্টর ফরিদুল ইসলাম দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্রীজের দুই পারে অধিগ্রহণকৃত জমির জটিলতা নিরসন করে মালিকদের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। ব্রীজটি দ্রুততম সময়ের মধ্য নির্মিত হলে ক্যান্সার কেয়ারটি পুর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে বলে জানান, কেন্দ্রটির পরিচালক রেজা সেলিম। তিনি আরো জানান, কিছু মেসিনারিজ ভারী হওয়ায় নদীর কারণে স্থাপনে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্য আমাদের গ্রাম ক্যান্সার কেয়ারটি পরিপূর্ণভাবে চালু করা সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে আশ্বাস প্রদান করে প্রতিমন্ত্রী ডক্টর ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এ অঞ্চলে বিশ্বমানের এমন ক্যান্সার কেয়ার এন্ড রিসার্চটি যাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা যায়, এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগীতা করা হবে।

বাগেরহাট মে ১, ২০২৬ 0

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলন্ত ট্রাকে অগ্নিকাণ্ড

ফকিরহাটে সরকারি প্রকল্পের গরু বিতরণে অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস

ছবি: প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত

ছবি: প্রতিনিধি
শেষ বয়সে আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক

    নোয়াখালীর চরপার্বতী ইউনিয়নে নদীভাঙনের হুমকিতে পড়েছে এক অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার ‘বীর নিবাস’। ছোট ফেনী নদীর তীব্র ভাঙনে বসতবাড়িটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। জানা গেছে, সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রায় ১৪ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাড়িটি মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হকের একমাত্র আশ্রয়স্থল। বর্তমানে বাড়িটি নদী থেকে মাত্র ২০ ফুট দূরে অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে ভাঙনে বাড়ির একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, আশপাশের এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, গাছপালা ও মৎস্যপুকুর নদীতে বিলীন হয়েছে। এতে কয়েকশ পরিবার চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক বলেন, জীবনের শেষ সময়টুকু এই বীর নিবাসেই কাটাতে চান তিনি। তবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী হানিফ আনসারী জানান, নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচরের কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে ভাঙন তীব্র হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বালুচর অপসারণ ও অন্তত দুই হাজার জিওব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা নিলে এলাকা রক্ষা করা সম্ভব। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এদিকে, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসন্ন বর্ষার আগে চরপার্বতী ও চর হাজারী ইউনিয়নে নদীভাঙন রোধে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদন করা হয়েছে।

নোয়াখালী প্রতিনিধি> মে ১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

রংপুরে জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতা নিয়ে অ্যাডভোকেসি সংলাপ

ছবি: প্রতিনিধি

একইদিনে পাগলা কুকুরের কামরে ১৪ জন আহত

রাস্তার পাশে এসএসসি পরীক্ষার খাতা উদ্ধার

0 Comments