সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় খোলপেটুয়া নদী–এর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে, এতে অন্তত পাঁচটি গ্রাম প্লাবনের ঝুঁকিতে পড়েছে। বুধবার ভোর রাতে উপজেলার বিছট গ্রামে জহুর আলী মোড়লের বাড়ির সামনে পাউবোর ৭/২ পোল্ডারের বাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
সকালে স্থানীয় গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে জোড়াতালি দিয়ে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও তা টেকসই নয় বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বিছট, বল্লভপুর, আনুয়িল্যা, নয়াকাটি সহ পুরো আনুলিয়া ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত বছর ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ ঈদের দিন একই এলাকায় বড় ধরনের ভাঙনে গ্রাম প্লাবিত হয়। সেই ক্ষতির রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ঈদের আগে ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বিছট নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আবু দাউদ বলেন, “ভোর রাতের জোয়ারে বাঁধের দুই-তৃতীয়াংশ ভেঙে গেছে। আপাতত গ্রামবাসীকে নিয়ে মাটি ফেলে জোয়ারের পানি ঠেকানোর চেষ্টা করছি।”
তিনি অভিযোগ করেন, গত এক বছরে একাধিকবার বরাদ্দ দেওয়া হলেও ঠিকাদাররা কাজ শেষ করেননি। বালুভর্তি জিওব্যাগ প্রস্তুত থাকলেও তা ভাঙনস্থলে ব্যবহার না করায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান তাযকিয়া জানান, ভাঙনের খবর পেয়ে জিওব্যাগ ও জিওরোলসহ জনবল পাঠানো হয়েছে। আপাতত পানি প্রবেশ বন্ধে কাজ চলছে এবং দ্রুত স্থায়ী সংস্কার শুরু করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে টেকসইভাবে বাঁধ সংস্কার না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে পড়তে পারে পুরো এলাকা।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় খোলপেটুয়া নদী–এর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে, এতে অন্তত পাঁচটি গ্রাম প্লাবনের ঝুঁকিতে পড়েছে। বুধবার ভোর রাতে উপজেলার বিছট গ্রামে জহুর আলী মোড়লের বাড়ির সামনে পাউবোর ৭/২ পোল্ডারের বাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সকালে স্থানীয় গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে জোড়াতালি দিয়ে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও তা টেকসই নয় বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বিছট, বল্লভপুর, আনুয়িল্যা, নয়াকাটি সহ পুরো আনুলিয়া ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত বছর ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ ঈদের দিন একই এলাকায় বড় ধরনের ভাঙনে গ্রাম প্লাবিত হয়। সেই ক্ষতির রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ঈদের আগে ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিছট নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আবু দাউদ বলেন, “ভোর রাতের জোয়ারে বাঁধের দুই-তৃতীয়াংশ ভেঙে গেছে। আপাতত গ্রামবাসীকে নিয়ে মাটি ফেলে জোয়ারের পানি ঠেকানোর চেষ্টা করছি।” তিনি অভিযোগ করেন, গত এক বছরে একাধিকবার বরাদ্দ দেওয়া হলেও ঠিকাদাররা কাজ শেষ করেননি। বালুভর্তি জিওব্যাগ প্রস্তুত থাকলেও তা ভাঙনস্থলে ব্যবহার না করায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান তাযকিয়া জানান, ভাঙনের খবর পেয়ে জিওব্যাগ ও জিওরোলসহ জনবল পাঠানো হয়েছে। আপাতত পানি প্রবেশ বন্ধে কাজ চলছে এবং দ্রুত স্থায়ী সংস্কার শুরু করা হবে। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে টেকসইভাবে বাঁধ সংস্কার না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে পড়তে পারে পুরো এলাকা।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে আড়াই শতাধিক গরিব ও দুস্থদের মাঝে আড়াই লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ ২,০০০ টাকা করে প্রতিজনকে বিতরণ করা হয়। এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল মাবুদ, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারী মোজাহার আলী, শহর শাখার আমীর শরফুদ্দীন খান ও সাহাবাজ উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পিআইও আব্দুল মাবুদ জানান, অভাবী ও দুস্থদের অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করে এমপি সাহেবের উপস্থিতিতে নগদ অর্থ তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় খড় পোড়ানোর ধোঁয়ায় দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান সড়কের জলুরদিঘী পাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাঁশি মোহন দাশ (৫০) লোহাগাড়া উপজেলার বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়কের পাশে খড় পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট ঘন ধোঁয়ায় পুরো এলাকা ঢেকে যায়, ফলে যানবাহনের দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এ অবস্থায় ঈগল পরিবহনের দুটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। একই সময়ে মারসা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খবর পেয়ে পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, দুর্ঘটনায় একজন নিহত এবং একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি যানবাহন উদ্ধার করে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানা গেছে।