সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে এক যুবককে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, যা পরিকল্পিত অপরাধের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শনিবার (২১ মার্চ) সকালে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের একটি ধানক্ষেত থেকে সোহেল রানা (২৫) নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি স্থানীয় সড়াতৈল গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যানুসারে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘ঈদ বকশিস’ দেওয়ার কথা বলে সোহেল রানাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি আর ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হন। পরদিন সকালে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে অবহিত করেন।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মরদেহে গলা কাটা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা নির্দেশ করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে এক যুবককে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, যা পরিকল্পিত অপরাধের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের একটি ধানক্ষেত থেকে সোহেল রানা (২৫) নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি স্থানীয় সড়াতৈল গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যানুসারে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘ঈদ বকশিস’ দেওয়ার কথা বলে সোহেল রানাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি আর ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হন। পরদিন সকালে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে অবহিত করেন। শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মরদেহে গলা কাটা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা নির্দেশ করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের বাবুগঞ্জে আলোচিত রাইসা মনি হত্যা মামলার অভিযুক্ত পিতা-পুত্র অবশেষে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে তারা বাবুগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। জানা গেছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাবা জালাল শিকদার (৪৫) ও তার ছেলে সিফাত শিকদার (১৫) পলাতক ছিলেন। তারা পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন। সেখান থেকেই তারা বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রিয়াজ হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। এ সময় তারা দাবি করেন, তারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন এবং স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করতে চান। পরবর্তীতে রিয়াজ হোসেনের হস্তক্ষেপে এবং তার মাধ্যমে যোগাযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে তারা বাবুগঞ্জ থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। বাবুগঞ্জ থানা সূত্রে জানা গেছে, আত্মসমর্পণের পর তাদেরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এদিকে যুবদলের ওই নেতা জানান, রাইসা আক্তারের ঘরে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে—বাবার সঙ্গে অভিমান করে সে নিজেই গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১৪ মার্চ ২০২৬ বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের উত্তর রাকুদিয়া গ্রামে অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১০ বছর বয়সী কিশোরী রাইসা আক্তারকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ মার্চ তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১৭ মার্চ নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে বাবুগঞ্জ থানায় পিতা জালাল শিকদার ও ছেলে সিফাত শিকদারকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম সাংবাদিকদের আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া চিরকুটের বিষয়ে তিনি বলেন, এর সত্যতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
খুলনা মহানগরের দৌলতপুরে সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে যুবদল নেতা রাকিবুল আলম রাশু–কে। ঘটনাটি দৌলতপুর থানার কেডিএ কল্পতরু মার্কেট এলাকায় তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত হয়। নিহত রাশু ৩৫ বছর বয়সী এবং দৌলতপুর থানা যুবদলের সক্রিয় নেতা ছিলেন। তিনি আগে দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কল্পতরু মার্কেটে ইট, বালি ও সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। তাঁর পিতার নাম মো. শরীফ আনাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় রাশু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলির একটি তার মাথায় বিদ্ধ হয়। গুলির শব্দে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ঘটনাস্থলে তিনটি গুলির খোসা পাওয়া যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দৌলতপুর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করছে। হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতাল এলাকায় নিহতের স্বজন, বন্ধু ও দলীয় নেতা-কর্মীরা ভিড় করেন, ফলে এলাকায় শোকাবহ ও আতঙ্কপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়।