বিশ্ব

জ্বালানি দামের ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করলেন সিনেটর শুমার

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ২৪, ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিকে সরাসরি দায়ী করেছেন মার্কিন সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক মাসেরও কম সময়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় মূল্য প্রায় ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জ্বালানি বাজারে গুরুতর অস্থিরতার ইঙ্গিত বহন করছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে শুমার বলেন, বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রশাসনের নীতিগত সিদ্ধান্তই প্রধানত দায়ী। তিনি উল্লেখ করেন, অপ্রয়োজনীয় সামরিক পদক্ষেপ এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি বাজারে।

ডেমোক্রেটিক দলের এই জ্যেষ্ঠ নেতা অবিলম্বে সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চলমান সংঘাত রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় ঘটাচ্ছে এবং তা অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অস্থিরতা ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা দিচ্ছে, যার প্রতিফলন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা জ্বালানি দামে প্রতিফলিত হচ্ছে।

 

“আর্থিক চাপ আর সইতে পারছেন না ট্রাম্প”

  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বর্তমানে চলমান যুদ্ধের বহুমুখী চাপ এবং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলা করতে কষ্ট হচ্ছে, এমনই মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউস কলামিস্ট নিয়াল স্ট্যানেজ। দ্য হিলের বিশেষজ্ঞের মতে, বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও জনগণের ক্রোধ ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। স্ট্যানেজ আল জাজিরাকে বলেন, ট্রাম্প এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ বা নিরাপদ প্রস্থানের পথ খুঁজছেন। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলো হতে পারে কৌশলগত ধাপ্পাবাজি বা খুব শীঘ্রই নীতিগত পরিবর্তনের প্রস্তুতি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন ভোট-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক চাপের সঙ্গে সামরিক কৌশলগত অবস্থান সমন্বয় ঘটানো—এই দ্বিমুখী চাপে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ বিশ্ব রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৪, ২০২৬ 0

জ্বালানি দামের ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করলেন সিনেটর শুমার

আয়াতুল্লাহ আর আমি দুজনে মিলে হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করব: ট্রাম্প

কলম্বিয়ায় সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত বেড়ে ৬৬

ইতিহাসের ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটের মুখে বিশ্ব: আইইএ প্রধান

  আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট ও ২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবকে মিলিয়ে আরও ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল। সোমবার (২৩ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক মিডিয়া ইভেন্টে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিরল বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার পাশাপাশি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ৯টি দেশের ৪০টি তেল ও গ্যাস স্থাপনায় হামলার কারণে দৈনিক তেলের সরবরাহ প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল হ্রাস পেয়েছে, যা সত্তরের দশকের সংকটের তুলনায় দ্বিগুণ। একই সঙ্গে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহও প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ঘনমিটার কমেছে। আইইএ প্রধান আরও বলেন, পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক “বৃহৎ হুমকি” এবং এই সংকটের মাত্রা অনেকের কাছে সঠিকভাবে বোঝা যায়নি। তাই সংস্থাটি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেছে। সংস্থাটি ইতোমধ্যে জরুরি মজুদ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে এবং দূরবর্তী কাজ, কারপুলিং বৃদ্ধি ও যানবাহনের গতিসীমা কমানোর মতো সাশ্রয়ী পদক্ষেপের সুপারিশ দিয়েছে। তবুও বিরলের মতে, সংকটের একমাত্র কার্যকর সমাধান হলো হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলা, কারণ এটি বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করে। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন, আর ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, হামলা হলে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেবে। বর্তমানে এই স্ট্র্যাটেজিক জলপথে কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজই চলাচল করছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফেলেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৩, ২০২৬ 0

সৌদির মার্কিন ঘাঁটি ও বাহরাইনে নৌবহরে হামলা, দাবি আইআরজিসির

ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণার পর ইরান জুড়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার ঢেউ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সকল ভিসা স্থগিত

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত, আলোচনায় সময় দিলেন ট্রাম্প

  মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর পরিকল্পিত সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে চলমান ‘গঠনমূলক’ কূটনৈতিক সংলাপের ধারাবাহিকতায় পাঁচ দিনের জন্য এ স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, এই বিরতি চলমান সংঘাতে উত্তেজনা প্রশমনের একটি সম্ভাব্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত থাকায় আলোচনার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি অবকাঠামোকে কেন্দ্র করে সংঘাত তীব্রতর হওয়ায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে এই সাময়িক স্থগিতাদেশ কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৩, ২০২৬ 0

বিস্ফোরণে ধ্বংস তেহরান, আহভাজে হাসপাতালে হামলা

‘ট্রাম্প, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো’: ইরানের কটাক্ষ

ট্রাম্পের আলটিমেটামে তেলের দাম ছুঁল নতুন উচ্চতা

0 Comments