বিশ্ব

ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য মধ্যপ্রাচ্যে পাঁচ শর্তের দাবি উত্থাপন

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ২৫, ২০২৬


ইরানের তেহরান সরকার মধ্যপ্রাচ্যের চলমান মাসব্যাপী রণক্ষেত্রীয় সংঘাতের অবসানের জন্য এবার কৌশলগতভাবে পাঁচটি কঠোর শর্ত উত্থাপন করেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে চাইছে, তবে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ ছাড়া কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না।
 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে—
 

১. স্থায়ী যুদ্ধবিরতি: সাময়িক নয়, সম্পূর্ণভাবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হবে না তার আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা। 
২. হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ: কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কার্যত ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। 
৩. মার্কিন সামরিক ঘাঁটি প্রত্যাহার: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে স্থাপিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি। 
৪. আর্থিক ক্ষতিপূরণ: যুদ্ধের কারণে ইরানের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ। 
৫. সংবাদমাধ্যম ও শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত মিডিয়া ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা, প্রয়োজন হলে শত্রুদের হস্তান্তর। 
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে নিবিড় আলোচনায় রয়েছেন। তবে ইরানের পাঁচ শর্ত কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি এখন এই শর্তগুলোর সঙ্গে রণক্ষেত্রের বাস্তবতার সংমিশ্রণে দুলছে।

ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য মধ্যপ্রাচ্যে পাঁচ শর্তের দাবি উত্থাপন

ইরানের তেহরান সরকার মধ্যপ্রাচ্যের চলমান মাসব্যাপী রণক্ষেত্রীয় সংঘাতের অবসানের জন্য এবার কৌশলগতভাবে পাঁচটি কঠোর শর্ত উত্থাপন করেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে চাইছে, তবে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ ছাড়া কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না।   প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে—   ১. স্থায়ী যুদ্ধবিরতি: সাময়িক নয়, সম্পূর্ণভাবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হবে না তার আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা।  ২. হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ: কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কার্যত ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।  ৩. মার্কিন সামরিক ঘাঁটি প্রত্যাহার: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে স্থাপিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি।  ৪. আর্থিক ক্ষতিপূরণ: যুদ্ধের কারণে ইরানের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ।  ৫. সংবাদমাধ্যম ও শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত মিডিয়া ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা, প্রয়োজন হলে শত্রুদের হস্তান্তর।  হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে নিবিড় আলোচনায় রয়েছেন। তবে ইরানের পাঁচ শর্ত কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি এখন এই শর্তগুলোর সঙ্গে রণক্ষেত্রের বাস্তবতার সংমিশ্রণে দুলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়ে যুদ্ধ বন্ধ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

টিকটকার স্ত্রীকে গুলি করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়ে সংবাদ সম্মেলন ছেড়ে পালালেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট

“আর্থিক চাপ আর সইতে পারছেন না ট্রাম্প”

  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বর্তমানে চলমান যুদ্ধের বহুমুখী চাপ এবং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলা করতে কষ্ট হচ্ছে, এমনই মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউস কলামিস্ট নিয়াল স্ট্যানেজ। দ্য হিলের বিশেষজ্ঞের মতে, বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও জনগণের ক্রোধ ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। স্ট্যানেজ আল জাজিরাকে বলেন, ট্রাম্প এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ বা নিরাপদ প্রস্থানের পথ খুঁজছেন। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলো হতে পারে কৌশলগত ধাপ্পাবাজি বা খুব শীঘ্রই নীতিগত পরিবর্তনের প্রস্তুতি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন ভোট-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক চাপের সঙ্গে সামরিক কৌশলগত অবস্থান সমন্বয় ঘটানো—এই দ্বিমুখী চাপে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ বিশ্ব রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৪, ২০২৬ 0

জ্বালানি দামের ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করলেন সিনেটর শুমার

আয়াতুল্লাহ আর আমি দুজনে মিলে হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করব: ট্রাম্প

কলম্বিয়ায় সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত বেড়ে ৬৬

ইতিহাসের ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটের মুখে বিশ্ব: আইইএ প্রধান

  আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট ও ২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবকে মিলিয়ে আরও ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল। সোমবার (২৩ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক মিডিয়া ইভেন্টে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিরল বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার পাশাপাশি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ৯টি দেশের ৪০টি তেল ও গ্যাস স্থাপনায় হামলার কারণে দৈনিক তেলের সরবরাহ প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল হ্রাস পেয়েছে, যা সত্তরের দশকের সংকটের তুলনায় দ্বিগুণ। একই সঙ্গে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহও প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ঘনমিটার কমেছে। আইইএ প্রধান আরও বলেন, পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক “বৃহৎ হুমকি” এবং এই সংকটের মাত্রা অনেকের কাছে সঠিকভাবে বোঝা যায়নি। তাই সংস্থাটি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেছে। সংস্থাটি ইতোমধ্যে জরুরি মজুদ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে এবং দূরবর্তী কাজ, কারপুলিং বৃদ্ধি ও যানবাহনের গতিসীমা কমানোর মতো সাশ্রয়ী পদক্ষেপের সুপারিশ দিয়েছে। তবুও বিরলের মতে, সংকটের একমাত্র কার্যকর সমাধান হলো হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলা, কারণ এটি বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করে। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন, আর ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, হামলা হলে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেবে। বর্তমানে এই স্ট্র্যাটেজিক জলপথে কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজই চলাচল করছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফেলেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৩, ২০২৬ 0

সৌদির মার্কিন ঘাঁটি ও বাহরাইনে নৌবহরে হামলা, দাবি আইআরজিসির

ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণার পর ইরান জুড়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার ঢেউ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সকল ভিসা স্থগিত

0 Comments