জনরোষ ও দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগের মুখে নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা বেগমকে বদলি করা হলেও শান্ত হননি ভুক্তভোগীরা। কেবল বদলি নয়, বরং তাঁর মেয়াদে হওয়া অনিয়মগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং আটকে রাখা ক্ষতিপূরণের অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবিতে নতুন করে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে।
তার মধ্যে অন্যতম বাঘহাটা মৌজার ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ মামলা (বিবিধ মোকদ্দমা নং ৩১/২০২৪)। অভিযোগ রয়েছে, উচ্চ আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মো. আবদুর রউফ গাজী ও তাঁর পরিবারের পাওনা কয়েক কোটি টাকা গত কয়েক মাস ধরে আটকে রেখেছিলেন এই কর্মকর্তা। ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযুক্ত দখলদার সুধীর চন্দ্র সাহার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তিনি প্রকৃত মালিকদের ‘আপোশ’ করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
বদলি নিয়ে সাধারণের প্রতিক্রিয়া
গত ১৮ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনে তাঁকে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হলেও, নরসিংদীর সাধারণ মানুষ একে ‘পুরস্কার’ হিসেবে দেখছেন। আন্দোলনকারীদের অন্যতম সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম জানান, "একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যখন কোটি কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য এবং নথিপত্র আটকে রাখার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে, তখন তাঁকে কেবল এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে সরিয়ে দেওয়া সমাধান নয়। আমরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এবং অবৈধ সম্পদের সুষ্ঠু তদন্ত চাই।"
এদিকে ভুক্তভোগী মো. আবদুর রউফ গাজী ও অন্য ওয়ারিশগণ গতকাল ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পুনরায় যোগাযোগ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাহমুদা বেগম নরসিংদী ত্যাগের আগে বাঘহাটা মৌজার ফাইলটি এমনভাবে জটিল করে রেখে গেছেন যেন প্রকৃত মালিকরা হয়রানির শিকার হন। ইমারতের ক্ষতিপূরণ নিয়ে সুধীর সাহার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত বৈঠকের বিষয়টিও এখন আলোচনায় উঠে আসছে।
প্রশাসনের বক্তব্য
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন এডিসি (রাজস্ব) যোগদানের পর ঝুলে থাকা ফাইলগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। তবে ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, মাহমুদা বেগমের প্রভাবাধীন সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয়।
উল্লেখ্য, মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে ভূমি সংক্রান্ত প্রতিটি নথিতে নির্দিষ্ট হারে 'পার্সেন্টেজ' নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে বড় প্রকল্পের অধিগ্রহণের অর্থ ছাড় করতে তিনি কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। সেকারণে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।
জনরোষ ও দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগের মুখে নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা বেগমকে বদলি করা হলেও শান্ত হননি ভুক্তভোগীরা। কেবল বদলি নয়, বরং তাঁর মেয়াদে হওয়া অনিয়মগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং আটকে রাখা ক্ষতিপূরণের অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবিতে নতুন করে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে অন্যতম বাঘহাটা মৌজার ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ মামলা (বিবিধ মোকদ্দমা নং ৩১/২০২৪)। অভিযোগ রয়েছে, উচ্চ আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মো. আবদুর রউফ গাজী ও তাঁর পরিবারের পাওনা কয়েক কোটি টাকা গত কয়েক মাস ধরে আটকে রেখেছিলেন এই কর্মকর্তা। ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযুক্ত দখলদার সুধীর চন্দ্র সাহার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তিনি প্রকৃত মালিকদের ‘আপোশ’ করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। বদলি নিয়ে সাধারণের প্রতিক্রিয়া গত ১৮ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনে তাঁকে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হলেও, নরসিংদীর সাধারণ মানুষ একে ‘পুরস্কার’ হিসেবে দেখছেন। আন্দোলনকারীদের অন্যতম সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম জানান, "একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যখন কোটি কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য এবং নথিপত্র আটকে রাখার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে, তখন তাঁকে কেবল এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে সরিয়ে দেওয়া সমাধান নয়। আমরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এবং অবৈধ সম্পদের সুষ্ঠু তদন্ত চাই।" এদিকে ভুক্তভোগী মো. আবদুর রউফ গাজী ও অন্য ওয়ারিশগণ গতকাল ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পুনরায় যোগাযোগ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাহমুদা বেগম নরসিংদী ত্যাগের আগে বাঘহাটা মৌজার ফাইলটি এমনভাবে জটিল করে রেখে গেছেন যেন প্রকৃত মালিকরা হয়রানির শিকার হন। ইমারতের ক্ষতিপূরণ নিয়ে সুধীর সাহার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত বৈঠকের বিষয়টিও এখন আলোচনায় উঠে আসছে। প্রশাসনের বক্তব্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন এডিসি (রাজস্ব) যোগদানের পর ঝুলে থাকা ফাইলগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। তবে ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, মাহমুদা বেগমের প্রভাবাধীন সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয়। উল্লেখ্য, মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে ভূমি সংক্রান্ত প্রতিটি নথিতে নির্দিষ্ট হারে 'পার্সেন্টেজ' নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে বড় প্রকল্পের অধিগ্রহণের অর্থ ছাড় করতে তিনি কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। সেকারণে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুই ছিনতাইকারীকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোরে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়নের সুখদাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত কাঁচামাল ব্যবসায়ী আকবর হোসেন (২৩)কে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি রামপাল উপজেলার শিবনগর এলাকার আ. রাজ্জাকের ছেলে। হামলায় আ. রাজ্জাকও আহত হয়েছেন। আটককৃতরা হলেন রামপাল উপজেলার ইসলামাবাদ এলাকার মৃত এসকান শেখের ছেলে মিজানুর রহমান শেখ সুমন (৩৬) ও চাকুশ্রী এলাকার ওমর ফারুকের ছেলে মেহেদী হাসান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে আ. রাজ্জাক ও তার ছেলে আকবর হোসেন ভ্যানযোগে খুলনায় কাঁচামাল আনতে যাচ্ছিলেন। পথে সুখদাড়া এলাকায় পৌঁছালে দুই মোটরসাইকেলে আসা ৩-৪ জনের একটি ছিনতাইকারী দল তাদের গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায়। বাধা দিলে আকবর হোসেনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে তার কাছ থেকে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় আকবর হোসেনের বাবা দুই ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন। এতে তারা মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গেলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের আটক করে এবং গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে অপর সহযোগীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হলেও ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধার হয়নি। আহতের বড় ভাই আলীশাহ শেখ জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আটক দুইজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ছিনতাই ও চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রাজধানীতে ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালকের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, সোমবার বিকেলে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল-এর উপপরিচালক ডা. আহমেদ হোসেন বাসায় ফেরার পথে অজ্ঞাত হামলাকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পুরাতন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসংলগ্ন গলিতে দুই থেকে তিনজন দুর্বৃত্ত তার ডান হাত ও পিঠে আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, হামলার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানার পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকেও অবহিত করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং হামলাকারীদের শনাক্তে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।