বিশ্ব

মাদুরো–পরবর্তী ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র করতে চান মাচাদো

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ জানুয়ারী ৬, ২০২৬
মারিয়া কোরিনা মাচাদো
মারিয়া কোরিনা মাচাদো

ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য ক্ষমতার পালাবদলের প্রেক্ষাপটে দেশটির প্রধান বিরোধী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত মারিয়া কোরিনা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রঘনিষ্ঠ নতুন রাষ্ট্রনীতির রূপরেখা উপস্থাপন করেছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলাকে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান কৌশলগত মিত্র এবং জ্বালানি সম্পদের কেন্দ্রে পরিণত করা হবে।
মাচাদো দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ভেনেজুয়েলায় দীর্ঘদিনের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছে এবং এটি আইনের শাসন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় আঞ্চলিক অপরাধচক্র দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে, একই সঙ্গে বাজার উন্মুক্তকরণ ও বিদেশি বিনিয়োগ সুরক্ষার মাধ্যমে জ্বালানি খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখো ভেনেজুয়েলাবাসীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের পূর্ণ ম্যান্ডেট অর্জনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।
বর্তমানে আত্মগোপনে থাকা মাচাদো অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বের সমালোচনা করলেও রাজনৈতিক পরিবর্তনকে ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক শাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
 

“ইরান চুক্তি না মানলে পুনরায় যুদ্ধ শুরু”: ট্রাম্প

  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির মধ্যেও স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, চুক্তির শর্তাবলী পুরোপুরি মেনে না চললে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্য ও ইরানের চারপাশে মোতায়েন সব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, বিমান ও সরঞ্জাম আগের অবস্থানে থাকবে এবং সর্বদা পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতির সময়ে তেহরানের ওপর চাপ বজায় রাখার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরান যদি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এমন আক্রমণ করবে যা আগে কখনো বিশ্বের কেউ দেখেনি। তিনি আরও জানান, ইরানের সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, কিন্তু মার্কিন বাহিনী ও অতিরিক্ত গোলাবারুদ যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। প্রেসিডেন্টের বিবৃতিতে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং চুক্তির শর্তাবলী মানা না হলে শান্তিকালীন বিরতি শেষে পুনরায় ‘লড়াকু অভিযান’ শুরু হবে। এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি পাকিস্তান ও ইরানের উদ্যোগে ইসলামাবাদে আগামী ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটেও সরাসরি প্রভাব ফেলছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কেবল আলোচনার টেবিলে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইরানকে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য করার একটি শক্তিশালী আল্টিমেটাম হিসেবে কাজ করছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0

যুদ্ধবিরতি যে কোনো মুহূর্তে ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা

ইরানকে অস্ত্র সরবরাহে ৫০% শুল্কের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

মারিয়া জাখারোভা

‘শোচনীয় পরাজয়’ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের: রাশিয়া

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় চূড়ান্ত ১০ শর্ত

১. আর কোনো আগ্রাসন নয়, যুক্তরাষ্ট্রকে অঙ্গীকার করতে হবে ২. হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে ৩. ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার ইরানের থাকবে ৪. সব প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে ৫. দ্বিতীয় পর্যায়ের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে ৬. নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের বিরুদ্ধে সব প্রস্তাব বাতিল করতে হবে ৭. আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা (IAEA)-তে ইরানের বিরুদ্ধে সব প্রস্তাব বাতিল করতে হবে ৮. যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ৯. মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব সেনাকে প্রত্যাহার করতে হবে ১০. লেবাননসহ সব অঞ্চলে আক্রমণ বন্ধ করতে হবে   সূত্র: তাসনিম নিউজ, ইরান  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি, নেতানিয়াহু চ্যালেঞ্জে

হরমুজ প্রণালিতে নৌপথ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব নেবে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার পদে আলোচনায় আরিফ খানের নাম

দেশ পুনর্নির্মাণেই হরমুজ প্রণালির ফি ব্যয় করবে ইরান

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কমাতে তেহরান পেশ করল ১০ দফা শান্তি প্রস্তাব, পাকিস্তান মধ্যস্থতায় কাল হবে উচ্চপর্যায় বৈঠক। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে স্থায়ীভাবে শিথিল করার লক্ষ্যে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনার পর ১০ দফার বিস্তারিত শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ জানিয়েছে, এই প্রস্তাব পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। প্রস্তাবের মূল অংশে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে আদায়কৃত প্রায় ২০ লাখ ডলার ফি ওমানের সঙ্গে ভাগ করে দেশীয় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে ব্যবহার করার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ইরান চায়, তার ওপর থেকে সব আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালির একক নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতি দিতে হবে। মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, ইরানি সম্পদ অবমুক্তকরণ এবং পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির অঙ্গীকারও প্রস্তাবের শর্ত হিসেবে ধরা হয়েছে। ইরান আগামী দুই সপ্তাহের জন্য সীমিত আকারে ‘সেফ প্যাসেজ প্রোটোকল’ অনুযায়ী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেবে। পাশাপাশি যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটাতে বিশেষ বিনিয়োগ তহবিল গঠন ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে শান্তি চুক্তির সুযোগও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদিও ইরান শর্তগুলোতে কঠোর, তবে চূড়ান্ত সমঝোতার জন্য দুই পক্ষকেই কিছু ছাড় দিতে হবে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের নজর এখন কালকের ইসলামাবাদ হাই-প্রোফাইল বৈঠকের দিকে। সূত্র: আল জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

‘কৌশলগত জয়ের’ দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

ইরানের খারগ দ্বীপে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

0 Comments