শীতের সকালে পিঠার ঘ্রাণ আর শিশুদের হাসিতে মুখর হয়ে ওঠে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের জলাপাড়া গ্রামে অবস্থিত আহছানিয়া মিশন শিশু নগরী। সেখানে বসবাসরত এতিম, পথশিশু ও পরিবারবিচ্ছিন্ন প্রায় দেড় শতাধিক শিশুকে নিয়ে আয়োজন করা হয় শীতের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ শিশু নগরীতে বর্তমানে ১৫০ জন শিশু নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড়ের সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সরকারের উদ্যোগে দুধ পিঠার এ আয়োজন করা হয়। তিনি নিজ হাতে শিশুদের পিঠা পরিবেশন করেন।
পিঠা উৎসবে শিশুদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস ও আনন্দ। শিশুরা জানায়, অনেকদিন পর এমন আনন্দ উপভোগ করতে পেরে তারা খুব খুশি।
এ সময় অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সরকার বলেন, সমাজের এসব শিশুর মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে একটি মানবিক সমাজ গড়া সম্ভব।
আহছানিয়া মিশন শিশু নগরীর সেন্টার ম্যানেজার দীপক কুমার রায় বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি এ উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
রামপালের কৃতি সন্তান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা মাইনুল ইসলাম সোহানকে ২০২৬ সালের জন্য বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালি মোড়ে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দনের মাধ্যমে তাকে বরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে চিংড়ি ও কাঁকড়া রপ্তানি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে সিআইপি (এনআরবি) সম্মাননায় ভূষিত করেছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাইনুল ইসলাম সোহান দেশবাসী ও রামপালবাসীর দোয়া কামনা করে বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাবেন। তার এই অর্জনে রামপাল ও বাগেরহাট জেলায় আনন্দ ও গর্বের ছায়া নেমে এসেছে।
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে এই কর্মশালা শুরু হয়। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, “সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। কোনো অনিয়ম বরদাশত হবে না।” উপজেলার ৬১টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসাররা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনের দিন শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি, পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণের আইন, বিধি ও কারিগরি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
নির্বাচনী দায়িত্বে পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরীর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বরিশাল জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। সবকিছু খোলামেলা থাকবে, কোনো লুকোচুরি চলবে না। মিডিয়ার সামনে স্বচ্ছভাবে কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, নির্দেশনার পরও কেউ যদি ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠতে ব্যর্থ হন এবং পক্ষপাতিত্বে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার পরিণতি হবে খুবই কঠোর। নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও নেবে। কমিশনের কাছে কোনো দল বা প্রার্থী ছোট-বড় নয়; আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সবাইকে সমানভাবে বিবেচনা করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে দৃঢ় থাকতে হবে। তবে কেবল বলপ্রয়োগ নয়, পরিস্থিতি বিবেচনায় মধ্যপন্থা অবলম্বন করে কাজ করতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমন। এতে পুলিশ সুপারসহ নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।