মিডিয়াকর্মীদের পেশাগত সুরক্ষা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও সামাজিক নিরাপত্তা ছাড়া সাংবাদিকদের কাছ থেকে পূর্ণ পেশাদারিত্ব প্রত্যাশা করা বাস্তবসম্মত নয়।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। সারজিস আলম বলেন, পঞ্চগড়সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা ন্যায্য সম্মানী ও প্রয়োজনীয় পেশাগত সহায়তা থেকে বঞ্চিত। এটি কেবল মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমাবদ্ধতা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নীতি, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়হীনতার ফল।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি সংবিধানস্বীকৃত ও রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য পেশা হলেও এখনো সাংবাদিকদের জন্য এমন কোনো কাঠামো গড়ে ওঠেনি, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এর ফলে অনেক সময় আর্থিক চাপ সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে।
সংসদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেলে সাংবাদিকদের জন্য রাষ্ট্রীয় বেতন কাঠামো ও সামাজিক-অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত থাকলেও সংবাদ, প্রশ্ন ও প্রতিবেদনে নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা অগ্রাধিকার পেতে হবে।
ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের ৪০০ গজে মোবাইল নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা অগোছালো এবং জনগণের তথ্যাধিকার হরণের প্রচেষ্টা। নাহিদ দাবি করেছেন, এ বিধি অবিলম্বে পরিবর্তন না হলে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে। তিনি বলেন, “নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করে ভোট কারচুপি করা হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নির্বাচন কমিশন যদি পক্ষপাতিত্বের চেষ্টা করে, তার ফলাফল ইতিহাসে মলিন দাগ হিসেবে থাকবে।” নাহিদ ইসলাম নির্বাচনী তত্ত্বাবধায়ক কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে আরও বলেন, দ্বারপ্রান্তে এই ধরনের পদক্ষেপ নির্বাচনপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা হরণের প্রচেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা জনগণের রায়কে প্রভাবিত করতে পারবে।
মিডিয়াকর্মীদের পেশাগত সুরক্ষা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও সামাজিক নিরাপত্তা ছাড়া সাংবাদিকদের কাছ থেকে পূর্ণ পেশাদারিত্ব প্রত্যাশা করা বাস্তবসম্মত নয়। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। সারজিস আলম বলেন, পঞ্চগড়সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা ন্যায্য সম্মানী ও প্রয়োজনীয় পেশাগত সহায়তা থেকে বঞ্চিত। এটি কেবল মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমাবদ্ধতা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নীতি, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়হীনতার ফল। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি সংবিধানস্বীকৃত ও রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য পেশা হলেও এখনো সাংবাদিকদের জন্য এমন কোনো কাঠামো গড়ে ওঠেনি, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এর ফলে অনেক সময় আর্থিক চাপ সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে। সংসদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেলে সাংবাদিকদের জন্য রাষ্ট্রীয় বেতন কাঠামো ও সামাজিক-অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত থাকলেও সংবাদ, প্রশ্ন ও প্রতিবেদনে নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা অগ্রাধিকার পেতে হবে।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদের নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ধর্মকে রাজনৈতিক প্রলুব্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা দুঃখজনক ও গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি বলেন, ‘ভোট দিলে জান্নাতে যাবে’—এ ধরনের বক্তব্য ধর্মের অপব্যবহার। ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ধর্মকে কাজে লাগানো কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি হেফাজতে ইসলামের কিছু বক্তব্যের উদাহরণ তুলে ধর্মের নামে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অভিযোগ করেন। সালাহউদ্দিন আরও বলেন, সংবিধানিক ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ভোটের প্রচারে ধর্মকে ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সমুদ্রবন্দর প্রকল্প, আন্তর্জাতিক বিমান সংযোগ, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং পর্যটন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে এলাকার সম্ভাবনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি স্মরণ করান, ২০০১ সালে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল, কিন্তু ক্ষমতার পরিবর্তনের কারণে প্রকল্প দীর্ঘ ১৭ বছর পিছিয়ে যায়। পদ্মা সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রেও বিএনপি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই ক্ষমতা ছাড়েছিল, পরে সরকার অতিরিক্ত খরচ ও সময় নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।