জাতীয়

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো ইসি

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ভোটকেন্দ্রের চারশ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, আনসার ও ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দু’জন আনসার সদস্যকে এ বিধির আওতাভুক্ত করা হবে না।
এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা ও গোলযোগ রোধে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে কেন্দ্র থেকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসিকে পরিস্থিতি জানানো যাবে। এছাড়া দেশের ৪৩ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে, যা ভোটের সময় সরাসরি পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করবে।

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি ডিআরইউর

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞাকে স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি ও অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সংগঠনটি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি জনগণের তথ্য জানার সাংবিধানিক অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করবে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ছাড়া ভোটকেন্দ্রে কাজ করা কার্যত অসম্ভব। মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে নির্বাচন শৃঙ্খলাপূর্ণ করার যুক্তি বাস্তবতা ও যুক্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়; বরং এতে অনিয়ম গোপনের ঝুঁকি বাড়বে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনের নিষেধাজ্ঞা মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। এটি সংবিধানে স্বীকৃত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের জানার অধিকারকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। ডিআরইউ মনে করে, আধুনিক সাংবাদিকতায় তথ্য সংগ্রহ, তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন, ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং জরুরি যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন অপরিহার্য। সাংবাদিকদের এই সরঞ্জাম থেকে বঞ্চিত করা মানে নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা। সংগঠনটি নির্বাচন কমিশনের প্রতি অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানায়। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, দাবি উপেক্ষিত হলে গণমাধ্যমবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
বিচারপতি নাইমা হায়দার

পদত্যাগ  করছেন বিচারপতি নাইমা হায়দার

সাগর–রুনি হত্যা মামলায় প্রতিবেদন না দেওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা শোকজ

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনী ৪ দিনে সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো ইসি

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ভোটকেন্দ্রের চারশ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, আনসার ও ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দু’জন আনসার সদস্যকে এ বিধির আওতাভুক্ত করা হবে না। এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা ও গোলযোগ রোধে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে কেন্দ্র থেকে সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসিকে পরিস্থিতি জানানো যাবে। এছাড়া দেশের ৪৩ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে, যা ভোটের সময় সরাসরি পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0

নির্বাচনের দিনে মেট্রোরেল পরিচালনায় বিশেষ নির্দেশনা জারি

শেখ বশিরউদ্দীন

নির্বাচনের তিন দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার

ছবি: সংগৃহীত

রমজান সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে কঠোর অবস্থানে সরকার

ছবি: সংগৃহীত
“ডিজিএফআইর সেলে তারেককে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছিল”: সাবেক সেনাপ্রধান

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম-খুন মামলায় মুখ খুললেন, দাবি—ডিজিএফআই ২০০৭-২০০৯ সালে বেসামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের তুলে এনে নির্যাতন করত। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১–এর বিচারিক প্যানেলের সামনে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ওই সময় ডিজিএফআই কার্যত ‘মুখ্য নিয়ন্ত্রক’ হিসেবে কাজ করত এবং যেকোনো ব্যক্তিকে ইচ্ছামতো আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতো। তিনি জানান, মন্ত্রী ও এমপিদের নির্দেশে অনেক রাজনৈতিক নেতাকেও তুলে এনে অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। সাবেক সেনাপ্রধান অপারেশন ক্লিন হার্টের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, ২০০৩ সালে অভিযানে অন্তত ১২ জন সরকারি হিসেবে ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন, তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০-এর কাছাকাছি। অভিযানে জড়িতদের পরবর্তীতে দায়মুক্তি দেওয়া হয়, যা কার্যত ‘লাইসেন্স টু কিল’ হিসেবে বিবেচিত। এদিন মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও শাইখ মাহদী। আসামিপক্ষে ছিলেন নাজনীন নাহার ও মুনসুরুল হক চৌধুরী। উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়; ৮ ফেব্রুয়ারি তার প্রথম সাক্ষী হিসেবে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জবানবন্দি নেওয়া শুরু হয়।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলে কড়াকড়ি নিষেধাজ্ঞা, ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

ছবি: সংগৃহীত

বেনজীর-নাফিসার প্রতিষ্ঠান থেকে বডিওর্ন ক্যামেরা ক্রয়

0 Comments