বাংলাদেশ

সাতক্ষীরার ৪ টি সংসদীয় আসনে ১৯ প্রার্থী কে কত ভোট পেল

Icon
সাতক্ষীরা
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্যমতে, মোট ১৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

  • সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): জামায়াত প্রার্থী মোঃ ইজ্জত উল্লাহ ১,৯৩,৭৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোঃ হাবিবুল ইসলাম হাবিব ১,৬৯,৯৯৫ ভোট পেয়েছেন। ভোটার উপস্থিতি ৭৫.৬৪%।
  • সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল খালেক ২,৬৬,৯৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোঃ আব্দুর রউফ ১,১৬,২৯৩ ভোট পেয়েছেন। ভোটার উপস্থিতি ৭৩.৭৯%।
  • সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার ১,৮৪,২৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ শহিদুল আলম (ফুটবল প্রতীক) ১,০৫,৩৭৯ ভোট পেয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন তৃতীয় অবস্থানে ৫৬,৮১৯ ভোট পেয়েছেন।
  • সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): জামায়াত প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম ১,০৬,৯১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোঃ মনিরুজ্জামান ৮৫,৪২৬ ভোট পেয়েছেন।

সার্বিকভাবে জেলার সব ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ্ আফরোজা আক্তার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছেন।

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে পুনর্গণনার দাবি, ইসিতে আবেদন

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দেয়ালঘড়ি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ বি এম সিরাজুল মামুন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন। মামুন বলেন, ঘোষিত ফলাফল নিয়ে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। পরাজয় মেনে না নেওয়ার সংস্কৃতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না উল্লেখ করে জানান, জনগণের চাপেই তিনি বিষয়টি সামনে এনেছেন। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন-এ আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন তার এজেন্টদের হয়রানি ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। প্রধান এজেন্ট হাফেজ কবিরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং গাড়িচালকের কাছ থেকে অর্থ ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন। তবে এজেন্টদের অর্থ প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এমন কোনো প্রমাণ থাকলে তা উপস্থাপন করা হোক। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি সহিংসতা পরিহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি ও যানজটমুক্ত একটি সুন্দর নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলায় কাজ করা হলে তিনি এবং এগারো দল গঠনমূলক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।  

নারয়নগঞ্জ প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ফাল্গুন-ভালোবাসা ও নির্বাচনী আনন্দে জমজমাট সৈয়দপুরের ফুলবাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা খুশি

ছবি: প্রতিনিধি

৫৪ বছরেও পঞ্চগড় ২ আসনে বিএনপির মন্ত্রী হয়নি কেউ, মির্জা ফখরুল কি রাখবেন তার দেয়া প্রতিশ্রুতি ?

বরিশালের ছয়টি আসনে 'হ্যাঁ' ভোটের বিজয়, প্রথমবার সংসদে যাচ্ছেন তিনজন

ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম
রেকর্ড ভোটে বিজয়ী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামকে বন ও পরিবেশমন্ত্রী করার দাবী স্থানীয়দের

বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ সময় পর বিএনপির এই ভুমিধ্বস বিজয়ে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয়রা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা দাবি করেন, সুন্দরবনের সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় মানুষের উন্নয়নে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে তার বিকল্প নেই। ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন সুন্দরবন ও উপকূলীয় জনপদের মানুষের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত। ‘সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে বনজীবী, মৎস্যজীবী ও উপকূলীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বিনামূল্যে চক্ষু শিবির পরিচালনা করেছেন। স্থানীয়রা মনে করেন, তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বন ও পরিবেশের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় দেশের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, “প্রায় ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে এই বিজয় আমাদের জন্য বিশাল অর্জন। তিনি জাতীয় পর্যায়ে এলাকার স্বার্থ উপস্থাপন করবেন।” সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবু এবং ছাত্রদলের সভাপতি তরিকুল ইসলাম শেভনও বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে তার নিয়োগের পক্ষ নিয়ে মত ব্যক্ত করেছেন। ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম নিজ বক্তব্যে বলেন, “এই বিজয় শুধু আমার নয়, এটি বাগেরহাট-৩ আসনের মানুষের। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সুন্দরবন সংরক্ষণে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।” বিশ্লেষকরা মনে করেন, মোংলা সমুদ্রবন্দর, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগালে বন ও পরিবেশ সংরক্ষণসহ উপকূলীয় অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0

সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতির তালিকায় ওসমান ফারুকের নাম, দুই মন্ত্রী পেতে পারে কিশোরগঞ্জ

ছবি: প্রতিনিধি

বাগেরহাটের আড়পাড়ায় জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে আহত ১৫, আটক ৬

ময়মনসিংহের ১১টি আসনের ৮টিতে বিএনপি, ২টিতে জামায়াত জোট, ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী

ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসে বরিশালে বিক্রি বেড়েছে ফুলের দোকানে

পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে বরিশালে ফুলের বাজারে ফিরেছে উৎসবের রঙ। সকালে থেকেই নগরীর ফুলের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের উপস্থিতি, বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে বরিশাল নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক-এর অন্তত ছয়টি ফুলের দোকানে দেখা যায় ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি। প্রিয়জনকে উপহার দিতে লাল গোলাপ কিনতেই বেশি আগ্রহী ক্রেতারা। পাশাপাশি গাঁদা, জারবেরা, রজনীগন্ধা ও নানা রঙের ফুলের তোড়াও বিক্রি হচ্ছে ভালোই। তবে ক্রেতাদের একটি অংশের অভিযোগ, আগের বছরের তুলনায় এবার ফুলের দাম প্রায় দ্বিগুণ। বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়ে প্রভাব পড়েছে। মান ও আকারভেদে প্রতিটি গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়, আর বিভিন্ন ডিজাইনের ফুলের তোড়া পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ২০০ টাকায়। ফুল বিক্রেতারা বলছেন, বসন্ত উৎসব ও ভালোবাসা দিবস একসঙ্গে হওয়ায় বিক্রি কিছুটা বেড়েছে, তবে আগের মতো পহেলা ফাল্গুনের জাঁকজমক আর নেই। তাদের আশা, বিকেলের পর ভিড় আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে বরিশালের ফুলের দোকান ও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও আবেগের টানে ফুল কিনছেন মানুষ।

বরিশাল ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0

মোটরসাইকেল না কিনে দেওয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা

রাউজানের এক গ্রাম থেকে তিন সাংসদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণে ২ জন নিহত, ৩ জন আহত

0 Comments