বরিশালে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ও জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ চারজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে নগরীর বগুড়া রোড, ভাটিখানা মৃধাবাড়ি ও নথুল্লাবাদ গনি ভবনসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর।
আটকরা হলেন ভোলার চরনোয়াবাদ এলাকার শাওন ফরাজী, বাকেরগঞ্জ উপজেলার আলী আকন, বরিশাল সদর উপজেলার তানভীর রেদওয়ান এবং আগৈলঝাড়া উপজেলার আলভি ইসলাম সাইফ।

ডিবি পুলিশের এসআই মোহাম্মদ ফিরোজ আলম জানান, বগুড়া রোড এলাকায় ফুচকার দোকানে ১০০ টাকার জাল নোট ব্যবহার করতে গেলে শাওন ফরাজী ও আলী আকন ধরা পড়ে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্য দুজনকে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০০ ও ৫০০ টাকার মোট ৫৩ হাজার ৮০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া জাল টাকা তৈরিতে ব্যবহৃত একটি কম্পিউটার, প্রিন্টারসহ তিনটি ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ বাদী হয়ে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অবৈধভাবে ডিজেল মজুদ ও বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবি পুলিশের ওসি মো. মহিনউদ্দিন। পুলিশ জানায়, অভিযানে চর মটুয়া ইউনিয়নের উদয় সাধুর হাট এলাকার একটি অয়েল স্টোর থেকে ১৪০০ লিটার ডিজেল এবং একটি ভাউচার গাড়ি জব্দ করা হয়। আটকরা হলেন—মো. রাশেদ (৩৮), মো. নাছির উদ্দিন (৪৭), মো. শিহাব উদ্দিন (২২) ও মো. মাকসুদ (৩২)। ডিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদ করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়। ওসি মো. মহিনউদ্দিন বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে চেকপোস্টে পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে সাত্তার হোসেন (যুবক)কে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ভুরঘাটা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি পূর্ব বর্থী গ্রামের আব্দুল হাকিম মৃধার ছেলে। হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের খাঞ্জাপুর চেকপোস্টে অতিরিক্ত গতির কারণে একটি পিকআপ থামানো হয় এবং কাগজপত্র না থাকায় মামলা দেওয়া হয়। এ সময় সাত্তার নিজেকে এসবি সদস্য পরিচয় দেন। পরিচয়পত্র বা বিপি নম্বর চাইলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভুয়া পরিচয় দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। পুলিশ জানায়, তাকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তবে সাত্তার হোসেন দাবি করেন, তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য নয়, পুলিশ পরিবারের লোক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
রংপুরে পুলিশ সদস্য হত্যা মামলায় আসামি পারভেজ রহমান পলাশ (২৬)-কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মার্জিয়া খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর নগরীর সাহেবগঞ্জ এলাকায় মাদকাসক্ত পলাশের ছুরিকাঘাতে হারাগাছ থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ হত্যা ও মাদক আইনে পৃথক মামলা দায়ের করে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করে। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পলাশকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া অন্যান্য ধারায় তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।