মোংলা পশুর নদীর তীর থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে মোংলা নৌ- পুলিশ। নিহতের বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় পশুর নদীর সিগন্যাল টাওয়ার দক্ষিণ চর বালুর ডাইক সংলগ্ন নদীর তীর থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সিগন্যাল টাওয়ার দক্ষিণ চর বালুর ডাইক সংলগ্ন পশুর নদীর তীর উপুর হওয়া মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। তবে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মোংলা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লুৎফুল কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল পশুর নদীর তীরে একটি লাশ স্থানীয় মানুষের নজরে পরলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। তবে মরদেহ দেখে মৃত্যুর কারণ বোঝা যাচ্ছে না। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহতের নাম পরিচয় এখন পাওয়া যায়নি।
খাগড়াছড়ির ভুয়াছড়িতে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. আব্দুর রশিদ ও মো. আলা আমিন। এর মধ্যে আলা আমিনকে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মোহাম্মদ কায় কিসলু জানান, সদর উপজেলার কমলছড়ি এলাকায় একটি জমি আগুন দিয়ে পরিষ্কার করার সময় মালিকানা দাবি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে মো. আব্দুল বশির চট্টগ্রাম সামরিক হাসপাতালে এবং বিমল কান্তি ত্রিপুরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষ থেকেই পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মংশিতু মারমা বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০–২৫ জনকে আসামি করেন। অপরদিকে মোছা. খাদিজা ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। খাদিজার মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন। পুলিশ জানায়, কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, উভয় পক্ষের দাবিকৃত জমির দাগ ও চৌহদ্দির মধ্যে কোনো মিল নেই। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় দেড় বছর আগে মারা যাওয়া চর মাগুরীহাট দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সহকারী শিক্ষক আব্দুল করিমকে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের তালিকা প্রেরণ করা হলে ২৮০ নম্বর ক্রমিকে তার নাম দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ও সামাজিকভাবে সমালোচনা শুরু হয়েছে। মাদ্রাসার সুপার মো. শফিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এটি কারিগরি ত্রুটির কারণে ঘটেছে এবং মৃত শিক্ষকের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহের ভালুকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচনি আচরণবিধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৫৬ ময়মনসিংহ–১১ (ভালুকা) আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরোজ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, দলীয় নেতাকর্মী, প্রার্থীদের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। সভায় বক্তারা নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন— মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (গণ অধিকার পরিষদ, ট্রাক), ফখর উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি, ধানের শীষ), মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম (স্বতন্ত্র, হরিণ), জাহিদুল ইসলাম (এনসিপি, শাপলা কলি) এবং মো. মোস্তফা কামাল (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা)। ভালুকা উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১০৭টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন।