নীলফামারীর সৈয়দপুর সেনানিবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (বাউস্ট) নিউজলেটারের তৃতীয় সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন ও গবেষণা প্রণোদনা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার হলে রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন সেলের (আরপিসি) উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোবারক হোসেন মজুমদার, পিএসসি।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ড. মো. শামীম রেজা (অব.), রেজিস্ট্রার কর্নেল চৌধুরী সাইফ উদ্দিন কাওসার, পিবিজিএম (অব.), পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ সালাহউদ্দিন নয়ন, পিএসসি (অব.) এবং রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন সেলের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোবারক হোসেন মজুমদার বলেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের প্রসারে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গবেষণাপত্র প্রকাশের জন্য আর্থিক প্রণোদনা ও স্বীকৃতি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানসম্মত গবেষণাপত্র প্রকাশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগত সক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি সুদৃঢ় করার সুযোগ তৈরি হবে। গবেষণায় অবদান রাখা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও গবেষণামূলক কাজে উৎসাহিত করাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ও উল্লেখযোগ্য অর্জন তুলে ধরতে নিউজলেটারটি প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ও সাফল্য সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপনের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নিউজলেটারের নতুন সংখ্যা প্রকাশের ফলে শিক্ষা ও গবেষণাসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন নথিবদ্ধ করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদারেও এ প্রকাশনা ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমে অবদান এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা ও প্রকাশনার প্রসারে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ মোট ২৭ জনকে তাঁদের প্রকাশিত গবেষণাপত্রের জন্য গবেষণা প্রণোদনা প্রদান করা হয়।