ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়-১ আসনে অবৈধ ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণসহ চার দফা দাবিতে আবারও পঞ্চগড় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

দুপুর ১টার দিকে কর্মসূচিতে যোগ দেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম ও জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইন। তারা বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং দাবিগুলোর বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন।

বৈঠক শেষে দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রায় পাঁচ ঘণ্টা একই দাবিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন জোটের নেতাকর্মীরা। সেদিন পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে কর্মসূচি সাময়িক প্রত্যাহার করা হলেও বৃহস্পতিবার পুনরায় বিক্ষোভ শুরু করা হয়।
বরিশালের গৌরনদীতে ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১ মে) ভোরে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের ওই এলাকায় এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ব্যানারসহ ভুরঘাটা ব্রিজ এলাকা থেকে মিছিল শুরু করে বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানারও দেখা যায়। অংশগ্রহণকারীরা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পুলিশ হত্যার বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন। ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ভিডিও সূত্রে আরও জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ের এক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে এ মিছিল সংগঠিত হয়। তবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোরেও একই দাবিতে একই এলাকায় অনুরূপ একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে মিছিলকারীরা দ্রুত সরে যায়। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক চলার মধ্যে মুখ খুলেছেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) প্রেসিডেন্ট ও জনপ্রিয় উপস্থাপক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, তার স্ত্রী ফাহমিদা হকের সংসদ সদস্য মনোনয়ন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততার ধারাবাহিক ফল। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ফাহমিদা হক লেখালেখি, সামাজিক উদ্যোগ ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত থেকে জনপরিসরে ভূমিকা রেখে আসছেন। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায়ই তার রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা। জিল্লুর রহমান আরও বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একই পরিবারে ভিন্ন ভিন্ন জনভূমিকা থাকতে পারে, তবে পেশাগত স্বাধীনতা ও নৈতিকতা অক্ষুণ্ন রাখা অপরিহার্য। সাংবাদিকতা ও নীতি গবেষণার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তিনি ফাহমিদা হকের নতুন দায়িত্বের সাফল্য কামনা করে আশা প্রকাশ করেন, তিনি সংসদীয় কার্যক্রমে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত নারী আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বিলকিস ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে। এ ঘোষণায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ-এর স্বাক্ষরে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। দলীয় সূত্র জানায়, বিলকিস ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম বলেন, বিলকিস ইসলাম একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। মাঠ পর্যায়ের নেতাদের মূল্যায়নের এ সিদ্ধান্তে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, বিলকিস ইসলাম নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের পানিয়ালপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।