বাংলাদেশ

ভারতের কারাগার থেকে মুক্ত হলো ১২৮ বাংলাদেশি জেলে

Icon
বাগেরহাট
প্রকাশঃ জানুয়ারী ৩০, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারতের কারাগারে আটক থাকা ১২৮ জন বাংলাদেশি জেলে অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরেছেন। বাংলাদেশ ও ভারতীয় কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে বন্দি জেলেদের বিনিময় শেষে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে মোংলা কোস্ট গার্ড বেইসে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযোগে গত বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২টি ভারতীয় ফিশিং বোটসহ ২৩ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে। অপরদিকে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ভারতীয় কোস্ট গার্ড ৫টি বাংলাদেশি ফিশিং বোটসহ ১২৮ জন বাংলাদেশি জেলেকে আটক করে।

পরবর্তীতে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে বন্দি জেলেদের বিনিময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক মেরিটাইম বাউন্ডারি লাইনে (আইএমবিএল) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৩ জন ভারতীয় জেলেকে ২টি ফিশিং বোটসহ ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে। একই সময় ভারতীয় কোস্ট গার্ড ১২৮ জন বাংলাদেশি জেলে ও ৫টি ফিশিং বোট বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

শুক্রবার দুপুরে জেলেদের বহনকারী নৌযান মোংলা কোস্ট গার্ড বেইসে পৌঁছালে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন পর স্বজনদের ফিরে পেয়ে কান্না ও আনন্দে ভরে ওঠে এলাকা।

কোস্ট গার্ড জানায়, সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে এবং জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও তারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

 

 

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তৃতীয় লিঙ্গের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি

বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৫০ হিজরা ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, শুধু ভোটাধিকার নয়, সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকেও তারা বৈষম্যের শিকার। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন এবং দাবি করেছেন, হিজরা সম্প্রদায়ের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হোক যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারে। গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. ইব্রাহীম জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না এবং কেউ তাকে আগে অবহিত করেনি। তিনি আরও জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকায় কেন তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ যদি দায়িত্বে গাফিলতি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অবহিত করা হবে।

বরিশাল ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে জাপা প্রার্থীর গানম্যান বিএনপি কর্মীদের উপর অস্ত্র তাক করার অভিযোগ

ছবি: প্রতিনিধি

বাগেরহাটে চিংড়ি কাকড়া রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সিআইপিকে সংবর্ধনা

ছবি: প্রতিনিধি

সেনাবাহিনী প্রধানের ময়মনসিংহ পরিদর্শন ও ত্রিশালে অলিম্পিক ভিলেজ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ছবি: সংগৃহীত
ভোলায় প্রতিদিন নির্বিচারে শত শত পাখি নিধন করছে অসাধু শিকারি চক্র

শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সাইবেরিয়া ও অন্যান্য শীত প্রধান দেশ থেকে ভোলার চরাঞ্চলে এসেছে লাখ লাখ অতিথি পাখি। মধ্যের চর, মদনপুর, মেদুয়া, নেয়ামতপুর চর, চরফ্যাসনের তারুয়া, কুকরী-মুকরী, সাগর কন্যা মনপুরার ঢালচর ও চর পালিতাসহ অর্ধশতাধিক চর এখন পাখিদের আবাসস্থল। তবে নিরাপদ থাকার কথা থাকা সত্ত্বেও শিকারীদের হাত থেকে অতিথি পাখির কোনো সুরক্ষা নেই। খাদ্যের সন্ধানে উড়তে গিয়ে শিকারীদের জাল ও বিষ প্রয়োগে পাখি মারা যাচ্ছে। শিকারী চক্র নিধনের পর এসব পাখি জবাই করে হোটেল ও বাড়িতে গোপনে বিক্রি করছে, দাম ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, প্রশাসনের দুর্বল অভিযান ও নজরদারীর কারণে পাখির আগমন দিন দিন কমছে। এতে চরাঞ্চলের সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভোলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সুফল রায় বলেন, অতিথি পাখি রক্ষায় বন বিভাগ সবসময় তৎপর। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জীববৈচিত্র সংরক্ষণে পাখি লালন জরুরি, কিন্তু যথাযথ নজরদারী নেই। সচেতন মহল মনে করছে, নিরাপদ অভয়াশ্রম না গড়ে তোলা হলে ভোলার চরাঞ্চল শিগগিরই পাখিশূন্য হয়ে যাবে।

ভোলা প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত আমিরের মন্তব্যের বিরুদ্ধে ঢাবি-জবিতে ‘ঝাড়ু মিছিল’

ছবি: প্রতিনিধি

দৌলতপুরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ছবি: প্রতিনিধি

গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ

ছবি: প্রতিনিধি
জলঢাকায় বিলবোর্ড লাগানো নিয়ে উত্তেজনা, পুলিশ মোতায়েন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় নির্বাচনী বিলবোর্ড স্থাপনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে পৌর শহরের আবু সাঈদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই স্থানে আগে থেকেই জামায়াতে ইসলামীর কয়েকটি বিলবোর্ড টাঙানো ছিল। রাত ৮টার দিকে বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকেরা সেখানে নতুন বিলবোর্ড লাগাতে গেলে জামায়াতের কর্মীরা বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলীর নির্বাচন সমন্বয়কারী ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট বলেন, “আমাদের কর্মীকে বিলবোর্ড লাগাতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমরা বিশৃঙ্খলা চাই না এবং প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখি।” অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফীর নির্বাচন সমন্বয়কারী ও উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর কামরুজ্জামান অভিযোগ করেন, বিএনপির কর্মীরা জামায়াতের বিলবোর্ডের ওপর বিলবোর্ড লাগানোর চেষ্টা করলে বাধা দিলে তাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। এতে তিনজন আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নামজুল আলম বলেন, “বিলবোর্ড লাগানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

উজিরপুরে বাসচাপায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

ছবি: প্রতিনিধি

পক্ষপাতের প্রমাণ মিললে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনারের

সৈয়দপুরে সংকটে ক্ষুদ্র গার্মেন্টস ও কারচুপি শিল্প, কর্মহীন ১০ হাজারের বেশি

0 Comments