ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে আয়োজিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক পর্যায়ের একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে তিন সদস্যের একটি সাংবাদিক প্রতিনিধি দল আগামীকাল ঢাকা ত্যাগ করছেন। ৬ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে যোগদানকারি প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম (SJF) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
এসজেএফ( SJF) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের জেনারেল সেক্রেটারি দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের অনলাইন এডিটর শিহাবুর রহমান (শিহাব) এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন: এসজেএফ (SJF) দৈনিক আজকের প্রভাতের বিশেষ সংবাদদাতা আসিফ হাসান নবী ও দ্য বাংলাদেশ পোস্টের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট আব্দুর রহমান : মহাসচিব, সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম সেন্ট্রাল কমিটি ।
তিন দিনের কর্মসূচি সফরকালে তারা দিল্লিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন: ১. সাউথ এশিয়ান হিরোস অ্যাওয়ার্ডস: আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে নিউ দিল্লির ফাইভ স্টার হোটেল ক্রাউন প্লাজা হোটেলের ওপাল বলরুমে 'সাউথ এশিয়ান রিজন কোলাবরেশন ফাউন্ডেশন শ্রীলঙ্কা' আয়োজিত সম্মাননা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তারা। ২. মিডিয়া কনক্লেভ: ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্যাম লাল কলেজ (ইভিনিং) মিলনায়তনে 'দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা ও উন্নয়ন: গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ভূমিকা' শীর্ষক একটি মিডিয়া কনক্লেভে অংশ নেবেন। এটি যৌথভাবে আয়োজন করছে কলেজের আইকিউএসি (IQAC) এবং সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম ইন্ডিয়া চ্যাপ্টার। ৩. আন্তর্জাতিক কনফারেন্স: সফরের শেষ দিন ৮ ফেব্রুয়ারি ভারতী বিদ্যাপীঠ এডুকেশনাল ক্যাম্পাসে 'দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে শান্তি রক্ষা ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তারা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন। প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর বাংলাদেশের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও সহযোগিতার নতুন পথ উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কনফারেন্সে শেষে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স এসোসিয়েশনের সাথে তাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং দিল্লির বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানগুলো তারা পরিদর্শন করবেন।
রাজধানীতে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী পরিবহনে সহায়তা দেওয়ার পর এবার বিয়ে বাড়ির স্বর্ণালংকার বহনেও নিরাপত্তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (২২ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নাগরিকরা চাইলে নিকটবর্তী থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে গহনা ও মূল্যবান সামগ্রী পরিবহনে প্রয়োজনীয় পুলিশি সহায়তা নিতে পারবেন। তিনি বলেন, ঈদের সময় নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় বা ব্যাংকের ভল্টে স্বর্ণালংকার সংরক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং এখন বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত গহনা পরিবহনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের নিয়মিত টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে—দিনে ৮০টি ও রাতে ৪০টি টিম দায়িত্ব পালন করছে, পাশাপাশি জরুরি সাড়া দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় এই উদ্যোগ একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে তা আরও জোরদার করা হবে।
ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, এ ধরনের মামলার বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকারমূলক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, বৈঠকে মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে আনা সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা, যা পরবর্তীতে সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে বলে জানান তিনি।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দান ঈদুল ফিতরের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, ৩৫ হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজের বন্দোবস্ত সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে ময়দান পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিশেষভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। ভিআইপি ব্লকে পুরুষ ২৫০ জন এবং নারী ৮০ জনের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আলো, ফ্যান, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনার জন্যও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।