নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, “এক প্রেক্ষাপটে কিছু অস্ত্র লুট হয়েছে। তবে অধিকাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, বাকি কিছু অস্ত্রও উদ্ধার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এটি নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করবে না।”
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে নীলফামারী সরকারি কলেজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণকারী প্রিসাইডিং অফিসারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “পোস্টাল ব্যালট সিস্টেম নতুন, তাই কিছু ভুল-ত্রুটি হতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রশ্ন ওঠার কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। কাউকে এক বিন্দু ছাড় দেওয়া হবে না।”
সভায় নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সাইদুল ইসলাম, রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ লুৎফুল কবির।
ঝিনাইদহের মহেশপুরে নস্তি বাওড়ে মাছ ধরতে নেমে সাপের কামড়ে আশিক আহম্মেদ (২৮) নামে পুলিশের এক ড্রাইভারের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার(২৪ মার্চ) বিকালে এ ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি নওগাঁ জেলার রাণিনগর উপজেলার একডালা ইউনিয়নের ডাকাহারপাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে। নস্তি বাওড়ের সদস্য নিত্য হালদার ও নায়েব আলী জানান, মঙ্গলবার(২৪ মার্চ) দুপুরের দিকে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনের এএসআই শাকিল আহম্মেদ, কনস্টেবল মোঃ আরিফ হোসেন মুন্সী ও ড্রাইভার আশিক আহম্মেদ নস্তি বাওড়ে মাছ ধরতে আসেন। বাওড়ে নামার পর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আশিকের বিষধর সাপে কামড় দেয়। তিনি আরো জানান, এ সময় তার সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা আশিককে মহেশপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাবিবুর রহমান মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক হাবিবুর রহমান জানান, তিনি এ সময় হাসপাতালে কর্তব্যরত ছিলেন। হাসপাতালে আসার আগেই রোগী মারা গেছেন। তবে তার পায়ে সাপে কাটার মতো ক্ষত চিহ্ন ছিলো। হাতের নখগুলো নীল হয়ে গেছে। সাপেকাটা রোগীর যেধরণের ছিমটম থাকে, আশিকেরও সেরকম ছিল। মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, ঝিনাইদহ থেকে আশিকসহ চারজন পুলিশ সদস্য মহেশপুর থানায় আসেন গাড়ি মেরামত করতে। কাজ শেষে তারা নস্তি বাওড়ে যান। এ সময় তারা বড়শি দিয়ে মাছও ধরেন। মাছধরা শেষ করে গোসল করতে নেমে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছেন, বাওড়ে মাছ ধরার সময় হয়তো বিষধর সাপে আশিককে দংশন করে।
নীলফামারীতে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, চালক ও কৃষকরা। কোথাও সীমিত সরবরাহ এলেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার বিভিন্ন তেল পাম্পে “তেল নেই” নোটিশ ঝুলছে। অন্যদিকে পাম্পে জ্বালানি না মিললেও হাট-বাজারের খুচরা দোকানগুলোতে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটার পেট্রোল ৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সরকার নির্ধারিত দামের প্রায় তিনগুণ। মোটরসাইকেল চালকদের অভিযোগ, কিছু পাম্প মালিক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে তেল সরবরাহ করছেন। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা পাম্পে তেল না পেলেও বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। মোটরসাইকেল চালক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষক জাবেদুল ইসলাম জানান, সেচ মৌসুমে তেলের অভাবে জমিতে পানি দেওয়া যাচ্ছে না, ফলে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গাড়িচালক আব্দুস সামাদও একই দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তবে ফিলিং স্টেশন মালিকরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে পারছেন না। মেসার্স মোজাম্মেল ফিলিং স্টেশনের মালিক মোজাম্মেল হক ও মেসার্স হক ফিলিং স্টেশনের মালিক শামসুল হক জানান, সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক পাম্প বন্ধ রাখতে হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কেউ অবৈধভাবে তেল মজুত বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া এবং ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সায়লা সাঈদ তন্বী এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। এদিকে, গত সোমবার সৈয়দপুর উপজেলায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নীলফামারী জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শামসুল আলম জানান, সরকার নির্ধারিত দামের বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে আলোচিত ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের শৈশবের ক্রীড়া দক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার প্রাথমিক প্রশিক্ষক মোহাম্মদ হাকিম জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই ফুটবল, সাঁতার ও দৌড়ে অসাধারণ পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে কোচ উল্লেখ করেন, জাইমা রহমান ছিলেন স্বাভাবিকভাবে প্রতিভাবান, শারীরিকভাবে সক্ষম এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার অধিকারী। তার মতে, ক্রীড়াক্ষেত্রে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সম্ভাবনা নিয়েও মন্তব্য করে তিনি বলেন, এমন সুযোগ পাওয়া তার সক্ষমতার মধ্যেই ছিল। বর্তমানে পেশাগত জীবনের পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতেও সক্রিয় থাকলেও, তার ক্রীড়া প্রতিভার এই দিকটি নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।