কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জামালপুরে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। তারা দেশীয় পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য দিয়ে পশু প্রস্তুত করছেন।
খামারিরা জানান, উন্নত ঘাস, খৈল ও ভূষি খাওয়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত পশু চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হচ্ছে। কোনো ধরনের রাসায়নিক বা ক্ষতিকর ইনজেকশন ব্যবহার না করেই গরু পালন করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

জেলার ৭ উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ১৮৪ জন খামারি ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিকভাবে মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে কিছু খামারে “বাহাদুর” ও “ব্ল্যাক ডায়মন্ড” নামের আকর্ষণীয় গরুও রয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, জামালপুর জানিয়েছে, নিরাপদ পশু উৎপাদন নিশ্চিত করতে নিয়মিত খামার পরিদর্শন ও খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, জেলার খামার ও পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ও বাড়ছে। ভালো দামের আশায় খামারিরা এবার লাভের প্রত্যাশা করছেন।