বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে হামলা ও হত্যা চেষ্টার মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৪ মার্চ) মধ্যরাতে নলচিড়া ইউনিয়নের কান্ডপাশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মনির আকনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চর হোগলপাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, সাম্প্রতিক সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর ও গুরুতর আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর রাতেই তাকে বাবুগঞ্জ থানায় নেওয়া হয় এবং বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বাদী জাবের হোসেন অভিযোগ করেন, গত ১৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে তার পিতা গোলাম কবির আকনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মনির আকন ও তার সহযোগীরা হামলা চালায়। তিনি জানান, অন্যান্য আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছে।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে জামায়াত নেতার বসতঘর থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ২টার দিকে ১৭ পদাতিক ডিভিশনের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামিসি (রসুলপুর) গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি বিদেশি রিভলভার, একনলা বন্দুক, দেশীয় পাইপগান, বিভিন্ন প্রকার ১৩ রাউন্ড গুলি, ১৪ বক্স ক্যালিবারের এয়ারগানের গুলি এবং এক খালি ম্যাগাজিনসহ দেশীয় প্রানঘাতী ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ পরে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযান শেষে বুধবার (২৫ মার্চ) পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত জামায়াত নেতা পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। তিনি মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামিসি (রসুলপুর) গ্রামের আরশদ আলীর ছেলে এবং জামায়াতে ইসলামি শ্রীরামিসি আঞ্চলিক শাখার সভাপতি।
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে দায়িত্ব পালনরত এক সাংবাদিককে পথরোধ করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে উপজেলার আটজুড়ী ইউনিয়নের কাহালপুর চরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী দৈনিক ইনকিলাব-এর উপজেলা প্রতিনিধি ও মোল্লাহাট প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম দিদার এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঈদের দাওয়াত শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে ইবনে মাসউদ মাদ্রাসা মোড়ে স্থানীয় যুবক নয়ন মিয়া (২০) তার পথরোধ করে। এ সময় সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে এবং দাবি পূরণ না হলে ‘সেভেন গিয়ার’ ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। অভিযুক্ত নয়ন ওই এলাকার সাইদ মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত অপরাধী বলে অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম দিদার জানান, কোনো পূর্ববিরোধ ছাড়াই তাকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা তার কাছে অপ্রত্যাশিত। ঘটনার পর অভিযুক্তের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মোল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় বাগেরহাট ইউনাইটেড মিডিয়া ফোরামের নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকের ওপর এ ধরনের হুমকি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নবীন ফ্যাশন বুধবার (২৫ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, দেশের সকল শাখা ঈদ উপলক্ষে খোলা থাকবে এবং ১৫ দিনব্যাপী উৎসব চলবে। প্রতিষ্ঠানটি ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা দেয়ার পাশাপাশি জানায়, রাজধানীর মগবাজার শাখা জোরপূর্বক বন্ধ হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করছে। নবীন ফ্যাশন আরও জানায়, শাখাগুলো সচল রাখার সুযোগ হয়েছে জনাব হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি ও বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি জনাব হেলাল সাহেবের উদ্যোগে। এ সময় ক্রেতাদের জন্য থাকবে বিশেষ ছাড় ও আকর্ষণীয় আয়োজন। এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির মালিক এনামুল হাসান নবীন সম্প্রতি দেশে থেকে চলে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ব্যবসায় ন্যায্যমূল্য ও গ্রাহকের সেবা নিশ্চিত করতে বাধার মুখে পড়লে নিজেকে প্রবাসে ফিরতে বাধ্য মনে করছেন। নবীন অভিযোগ করেন, বাজারে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণ ও ভয়-ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা ব্যবসা পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আয়-ব্যয় সামাজিক কাজে ব্যয় হয়; গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের মধ্যে খাবার ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়।