শিরোনাম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বৈত নাগরিকত্ব

সংবিধান মেনেই হুমায়ুন কবিরকে নিয়োগ, কোনো ব্যত্যয় হয়নি: আইনমন্ত্রী

সংবিধান মেনেই হুমায়ুন কবিরকে নিয়োগ, কোনো ব্যত্যয় হয়নি: আইনমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে ওঠা প্রশ্নের বিষয়ে সরকার সংবিধান মেনেই তাকে নিয়োগ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি দাবি করেছেন, হুমায়ুন কবির তার দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনে যে বিধান রয়েছে, সেটি বহাল আছে। সরকারও সাংবিধানিক বিধান মেনেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ুন কবিরকে নিয়োগ দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। শপথও সাংবিধানিকভাবেই দেওয়া হয়েছে।

এদিকে একই দিন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবকে ‘ক্যাজুয়াল’ ও ‘ইনফরমাল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বিষয়টিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা বলছিলেন। নাগরিকত্বের বিষয়ে তার কাছেই সরাসরি জানতে চাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তবে প্রয়োজন হলে সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরিষ্কার করতে পারে বলেও জানান তিনি।

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সংবাদ প্রকাশের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি নাগরিকত্ব নিয়ে আছেন এবং দেশের জন্য কাজ করছেন। এ নিয়ে কারও আপত্তি বা প্রশ্ন থাকলে তার কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হলো। তবে এ বিষয়ে জনমনে ওঠা প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য নাগরিকত্বের আইনগত অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র প্রকাশ্যে পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর