১৭ হাজার ৩৯৪ জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে অবস্থান করছে তারা।
আরও ৫১ হাজার ৬৯৮ জনকে পাসপোর্ট দেয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে। এদের মধ্যে ২০ হাজার ৯৯০ জনের পাসপোর্ট ইতিমধ্যে প্রিন্টে রয়েছে। এখন পর্যন্ত বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে আরও ২১ হাজার ৬৪৮ জনের। অন্যদিকে ফি বাকি থাকায় ১৪১ জনের পাসপোর্ট প্রিন্ট প্রক্রিয়া আটকে আছে বলে জানা গেছে। তবে
কি ডকুমেন্টের ভিত্তিতে রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পেলো সরকারের তরফ থেকে তাও খোলাসা করা হয়নি।
এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, সৌদি সরকারের অনুরোধে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেয়া হলেও তাদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে না।
প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, নাগরিকত্ব ছাড়া পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো সুযোগ আছে কিনা?
বিশেষ ক্যাটাগরিতে শুধু পাসপোর্ট নয়, পাসপোর্টের সঙ্গে প্রত্যেকে একটি করে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেয়া হয়েছে। তা দিয়ে সৌদি আরব থেকে তারা অন্য দেশেও ভ্রমণ করতে পারবেন।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম সনদ ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়া হলো- এ নিয়ে কৌতূহল রয়েছে।
মূলত সৌদি সরকারের কূটনৈতিক চাপে আওয়ামী লীগের সময়ই রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সৌদি দূতাবাস ইস্যুটি নিয়ে ফের সক্রিয় হয়।
২০২৫ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের ১২ই জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোহিঙ্গার হাতে পাসপোর্ট হ্যান্ডওভার করা হয়। ইতিমধ্যে হ্যান্ডওভার হওয়া পাসপোর্টের সব তথ্য সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ করেছে সরকার।
১৭ হাজার ৩৯৪ জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে অবস্থান করছে তারা। আরও ৫১ হাজার ৬৯৮ জনকে পাসপোর্ট দেয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে। এদের মধ্যে ২০ হাজার ৯৯০ জনের পাসপোর্ট ইতিমধ্যে প্রিন্টে রয়েছে। এখন পর্যন্ত বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে আরও ২১ হাজার ৬৪৮ জনের। অন্যদিকে ফি বাকি থাকায় ১৪১ জনের পাসপোর্ট প্রিন্ট প্রক্রিয়া আটকে আছে বলে জানা গেছে। তবে কি ডকুমেন্টের ভিত্তিতে রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পেলো সরকারের তরফ থেকে তাও খোলাসা করা হয়নি। এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, সৌদি সরকারের অনুরোধে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেয়া হলেও তাদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, নাগরিকত্ব ছাড়া পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো সুযোগ আছে কিনা? বিশেষ ক্যাটাগরিতে শুধু পাসপোর্ট নয়, পাসপোর্টের সঙ্গে প্রত্যেকে একটি করে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেয়া হয়েছে। তা দিয়ে সৌদি আরব থেকে তারা অন্য দেশেও ভ্রমণ করতে পারবেন। জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম সনদ ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়া হলো- এ নিয়ে কৌতূহল রয়েছে। মূলত সৌদি সরকারের কূটনৈতিক চাপে আওয়ামী লীগের সময়ই রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সৌদি দূতাবাস ইস্যুটি নিয়ে ফের সক্রিয় হয়। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের ১২ই জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোহিঙ্গার হাতে পাসপোর্ট হ্যান্ডওভার করা হয়। ইতিমধ্যে হ্যান্ডওভার হওয়া পাসপোর্টের সব তথ্য সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ করেছে সরকার।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আলাদা ব্যালটে ভোটাররা চারটি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ভিত্তিতে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে আগামী সংসদ বাধ্য থাকবে। এর মধ্যে ৪৭টি সাংবিধানিক এবং ৩৭টি আইন, বিধি বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে। আর ‘না’ জয়ী হলে জুলাই সনদ কার্যকর হবে না। অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমে নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকলেও পরে সরাসরি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা শুরু করে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক ভিডিও বার্তায় ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ভাষা, জাতীয় পরিচয় ও মৌলিক নীতি জুলাই সনদ অনুযায়ী বাংলা রাষ্ট্রভাষা থাকলেও অন্যান্য মাতৃভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। নাগরিকদের পরিচয় হবে ‘বাংলাদেশি’। সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে যুক্ত হবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি। মৌলিক অধিকারের তালিকায় যুক্ত হবে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার অধিকার। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা জরুরি অবস্থা জারিতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন বাধ্যতামূলক হবে এবং মৌলিক অধিকার স্থগিত করা যাবে না। রাষ্ট্রপতি গোপন ব্যালটে নির্বাচিত হবেন এবং একাধিক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়াই ভূমিকা রাখতে পারবেন। এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ বা ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। সংসদ ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করার প্রস্তাব রয়েছে। উচ্চকক্ষে ১০০ সদস্য থাকবেন, যারা দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে নির্বাচিত হবেন। নারীদের সংরক্ষিত আসন বাড়িয়ে ১০০ করার প্রস্তাবও রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগ প্রধান বিচারপতি আপিল বিভাগ থেকে নিয়োগের বিধান, বিচার বিভাগকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া এবং ন্যায়পালসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে বহুপক্ষীয় কমিটির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে নতুন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাবও রয়েছে। গণভোটের ব্যালটে এসব বিস্তারিত বিষয় উল্লেখ থাকবে না। সেখানে কেবল চারটি সংক্ষিপ্ত বিষয়ের ভিত্তিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। তবে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হবে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের নতুন চারটি থানা স্থাপনের প্রস্তাবসহ মোট ১১টি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সভায় ছয়জন উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব এবং সরকারের আরও ১৪ জন সচিব উপস্থিত ছিলেন। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, সরকারের রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গতিশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ এবং ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামে দুটি প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।