বাংলাদেশ

১ যুগ পরও চালু হয়নি ৫০ শয্যার কার্যক্রম

৩লাখ মানুষের জন্য চিকিৎসক মাত্র একজন

Icon
তানিয়া আক্তার
প্রকাশঃ জানুয়ারী ১৫, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

দীর্ঘ ১২ বছরেও চালু হয়নি ৫০ শয্যার কোন কার্যক্রম। ৫০ শয্যাতো দুরের কথা ৩১ শয্যার লোকবলের সংকটই কাটেনি। পর্যাপ্ত জনবল ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসক না থাকায় দরিদ্র পীড়িত এই অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা দারুণ ভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীদের যেতে হচ্ছে সদর হাসপাতাল কিংবা মানহীন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে। এতে করে চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন নানা ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তবর্তী বকশীগঞ্জ উপজেলার তিনলাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসাস্থল বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স। এছাড়াও ভৌগলিক কারনে দুরত্ব কম হওয়ায় প্রতিবেশী শ্রীবরদী উপজেলা, রাজিবপুর-রৌমারী ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৬-৭ টি ইউনিয়নের মানুষ বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪-৫ শত রোগী এই হাসাপতালে চিকিৎসা সেবার জন্য আসেন।  জনবল সঙ্কটের কারনে প্রায় ৩ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য হাসপাতালটি এখন নিজেই অসুস্থ্য। দরিদ্র পীড়িত এ অঞ্চলের মানুষের কথা ভেবে ২০১৩ সালের ১৩ অক্টোবর ৩১ শয্যার এই হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই ৫০ শয্যা এ হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু উদ্বোধনের ১২বছরেও চালু হয়নি ৫০ শয্যার কোন কার্যক্রম। দেওয়া হয়নি ৫০ শয্যার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি। বাড়ানো হয়নি সুযোগ-সুবিধা। ৩১ শয্যার হাসপাতালে যে জনবল ও যন্ত্রপাতি থাকার কথা, সেটিও নেই। ফলে এখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জনবল সঙ্কট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম না থাকায় এ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইনডোর চালু করতে যে জনবল ও সাজ-সরঞ্জাম প্রয়োজন তার কোনটাই এখানে নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে হাসপাতালে আসা অধিকাংশ রোগীকে রেফার করা হয় ময়মনসিংহ কিংবা ঢাকায়। ফলে চিকিৎসার ব্যয় বহনে অপারগ রোগীদের বিনা চিকিৎসায় মরতে হচ্ছে। বহির্বিভাগে রোগীদের আসা-যাওয়া আর পরামর্শ নেয়াই হলো নামে মাত্র ৫০ শয্যা এ হাসপাতালের নিত্যদিনের চিত্র।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,
৫০ শয্যার জন্য শুধু প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ চিকিৎসা কর্মকর্তা থাকার কথা ২৪ জন। ২৪টি পদের মধ্যে প্রায় সব কটি পদই শূন্য। জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজী), জুনিয়র কনসালটেন্ট (চর্ম ও যৌন), জুনিয়র কনসালটেন্ট 
(নাক,কান,গলা), জুনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু),জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থো), জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী), জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু),এ্যান্সেথেটিক্স বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। ফলে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারন রোগীরা। এছাড়াও ইনডোর মেডিকেল অফিসার,প্যাথলজিষ্ট, নার্সিং সুপারভাইজার, মিডওয়াইফ, মেডিকেল টেকনিক্যাল ল্যাব, ফার্মাসিষ্ট, প্রধান সহকারী, হিসাব রক্ষক, কার্ডিওগ্রাফার, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, ইমার্জেন্সী এটেনডেন্ট, ল্যাবরেটরী এটেনডেন্ট, ওটি বয়সহ একাধিক পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স থাকার কথা থাকলেও রয়েছে একটি। সেটিও মাঝে মধ্যেই বিকল হয়ে থাকে। ফলে জুরুরী প্রয়োজনে রোগীদের প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে অতিরিক্ত কয়েকগুন বাড়তি ভাড়া দিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। অপারেশন থিয়েটার রুম থাকলেও নেই মেশিনপত্র। ছোট খাটো কোন অপারেশনের জন্য যেতে হয় জেলা সদর হাসপাতাল কিংবা প্রাইভেট ক্লিনিকে। আল্ট্রাসনোগ্রাম থাকলেও তার ব্যবহার হয়নি কোনদিন। ইসিজি মেশিন রয়েছে তবে জরুরী প্রয়োজনে বেশিরভাগ সময়ই থাকে বিকল। জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বরাদ্ধ না পাওয়ায় উদ্বোধনের 
১ যুগপরও ৫০ শয্যার কোন কার্যক্রমই চালু হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মর্কতা ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ছাড়া কোন চিকিৎসক নেই এখানে। উপজেলার ৭ ইউনিয়নের সাব সেন্টারে সাতজন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও একজনও নেই। চিকিৎসক না থাকায় যে কোনো রোগী এলেই জরুরী বিভাগ থেকে তাদের স্থানান্তর করা হয় জামালপুর, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কিংবা ঢাকায়। গুরুতর রোগী নিয়ে বিপাকে পড়ে যায় দরিদ্র পরিবারগুলো।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা ফারাজীপাড়া গ্রামের রোকসানা বেগম,আলাল উদ্দিন, চন্দ্রাবাজ এলাকার রিমা বেগম সহ বেশ কয়েকজন রোগী জানান, এই হাসপাতালে ডাক্তার পাওয়া যায়না। জুরুরী বিভাগে যে ওষুধ দেন তার বেশিরভাগই বাইরে থেকে কিনতে হয়। এতবড় হাসপাতাল অথচ ডাক্তার নেই।
বগারচর ইউনিয়নের সারমারা থেকে আসা মধ্যবয়সী নারী রোকেয়া  বেগম বলেন,তার মেয়ের পেটের ব্যাথার জন্য হাসপাতালে এসেছেন। দীর্ঘক্ষন বসে থেকে ডাক্তার না পেয়ে নিরুপায় হয়ে বাইরের ক্লিনিকে ডাক্তার দেখান তিনি। ডাক্তার না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 
বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ উল হাসান বলেন, নামেই ৫০ শয্যা হাসপাতাল। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গেলে  ডাক্তার পাওয়া যায় না। জরুরী বিভাগে থাকা ওয়ার্ড বয় ও ঝাড়ুদাররা ফোন করলে কখনো ডাক্তার আসে, আবার কখনো আসেন না। ততক্ষনে রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এতে রোগীসহ স্বজনরা পড়েন বেকায়দায়। হাসপাতাল আছে, ডাক্তার নেই বিষয়টি অত্যান্ত দু:খজনক। তাই দ্রুত জনবল নিয়োগ দিয়ে  ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালুর দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল ইসলাম বলেন, তিনি এবং একজন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ছাড়া হাসপাতালে কোন ডাক্তার নেই। এছাড়াও ৭ ইউনিয়নের সাব সেন্টারে সাতজন মেডিকেল অফিসারের মধ্যে একজনও নেই। ফলে চিকিৎসক না থাকায় বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা দারুন ভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
দেশে বাড়ছে সহিংসতা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সহিংসতা, মব ভায়োলেন্সসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দেখা দিচ্ছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। নির্বাচনের আগে নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নির্বাচন নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের নিজস্ব ওয়েসবাইটে এসব কথা লিখেছেন সংগঠনের নারী অধিকার বিভাগের সিনিয়র সমন্বয়ক শুভজিৎ সাহা। তিনি আরও লিখেছেন, পুলিশের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ড. ফওজিয়া মোসলেম মনে করেন, নারীদের অবাধ চলাফেরা ও সমাজে অংশগ্রহণ সীমিত করতে তৎপর ধর্মভিত্তিক গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা ও উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণেই এ সহিংসতা বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে বাংলাদেশে তথ্য চুরি ও জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে।  নারী পাচার, নকল আইফোন কারখানা পরিচালনা এবং নিষিদ্ধ ভিওআইপি ব্যবসা করার অভিযোগে অন্তত ৮ জন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ তথ্য চুরির সিন্ডিকেট উদ্ঘাটন করেছে। এই ঘটনাগুলো সামগ্রিকভাবে দেশে চলমান অপরাধ পরিস্থিতি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা তুলে ধরছে।   হিউম্যান রাইট সাপোর্ট সোসাইটি বা এইচআরএএস এর প্রতিবেদন বলছে, গত বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালেই সারাদেশে ৯১৪টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১৩৩ জন নিহত হয়েছে। আর আহত হয়েছে সাড়ে সাত হাজার মানুষ। এমন পরিস্থিতি আগামী জাতীয় নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে করা যাবে সেই প্রশ্নও সামনে আসছে। জবাবে নির্বাচন কমিশন বলছে, যে সব ঘটনা ঘটছে তার সবগুলো রাজনৈতিক বা নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতা না। হুমকি থেকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও বাদ যাচ্ছেন না অভিযোগ করে বিবৃতিতে বলা হয়,আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করলাম, একজন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জেলা প্রশাসককে তাঁর দায়িত্ব পালনে অসন্তুষ্ট হয়ে নানাভাবে অপমান ও হেনস্তা করা হচ্ছে,  যা সব দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তার জন্য একটি নেতিবাচক বার্তা।’ বিবৃতিতে বলা হয়, খোকন দাস, অমৃত মন্ডলের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, দলীয় প্রতীকে ভোট না দিলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগণকে দেশ থেকে উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু নারীকে ধর্ষণ করে গাছের সঙ্গে বেঁধে মাথার চুল কেটে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। নরসিংদীর পলাশে গতকাল সোমবার রাতে মনি চক্রবর্তী নামক এক মুদিদোকানদারকে খুন করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে ডাকাতি হয় এবং এ সময় বাড়ির নারী সদস্যের সঙ্গে অশালীন আচরণ করা হয়েছে।’ ২৯ ডিসেম্বর হবিগঞ্জে পুকুর থেকে কামদেব দাস নামক এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থান থেকে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িতে ডাকাতির পাশাপাশি নারীদের ওপর যৌন সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, যা তাঁরা ভয়ে প্রকাশ করছেন না। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্তবাসে এক কলেজছাত্রীকে (২৬) রাতভর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসের চালক ও হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বলেছে, নির্বাচনের প্রাক্কালে এসব ধারাবাহিক ঘটনায় নারী ও দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে একধরনের ভীতি তৈরি হয়েছে। এসব ঘটনা সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে বলেও মনে করছে পরিষদ। ডা.তাসনিম জারা বলেন, সব প্রার্থীর জন্য নির্বাচনী আচরণবিধির সমান প্রয়োগ হতে হবে। অর্থ ও পেশিশক্তির রাজনীতি বন্ধ না হলে যোগ্য নারী-পুরুষ কেউই এগোতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ হলে জনগণই চাপ তৈরি করবে।’ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে নারীপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাইবার হয়রানিও তত বাড়বে বলে আশঙ্কা করেন জারা। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন,নারীরা যখন সাহসের সঙ্গে রাজনীতিতে দাঁড়াচ্ছে, তখন তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নোংরামি বন্ধ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’ নারী নিপীড়ন বন্ধে জরুরি সেবা-৯৯৯-এর মতো নির্বাচনের সময়ে ‘র‌্যাপিড মেকানিজম’ তৈরির পরামর্শ দেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

৩লাখ মানুষের জন্য চিকিৎসক মাত্র একজন

ছবি: সংগৃহীত

শিয়ালের মাংস খাসি বলে বিক্রির চেষ্টা

বরিশালে দায়ের আঘাতে বিড়ালের পা ভেঙে দিলেন নারী, থানায় অভিযোগ

হাসিনা খান
হাসিনা ফিরলেন ভোটের মাঠে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাসিনা খান চৌধুরীর প্রার্থিতা বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করেছে। আগারগাঁওয়ের ইসি কার্যালয়ে আপিল শুনানি শেষে তার মনোনয়নপত্র পুনরায় স্বীকৃতি পায়। এর আগে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় মাত্র এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের জটিলতা দেখিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। আপিলের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত খারিজ হয়ে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত হয়। হাসিনা খান চৌধুরী নান্দাইলের সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম খুররম খানের স্ত্রী ও উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাসের খান চৌধুরীর মা। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবর নান্দাইলের ভোটার ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে, যা নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

গণভোট বিষয়ে কালীগঞ্জে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: প্রতিনিধি

খুলনায় সাংবাদিক মানিক চন্দ্র সাহার ২২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে পুনঃতদন্ত ও বিচারের দাবী

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে গণভোটের প্রচারণায় স্থবিরতা, জেলা তথ্য অফিসের রহস্যজনক নীরবতা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা চললেও টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের কার্যক্রম চোখে পড়েনি। জেলা জুড়ে ভোটার সচেতনতার জন্য কোনো মাইকিং, ডিজিটাল ডিসপ্লে বা ব্যানার দেখা যায়নি। এতে সাধারণ মানুষ বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলের ভোটাররা গণভোট ও ভোটদানের নিয়মাবলী সম্পর্কে অবহিত নয়। স্থানীয়রা জানান, জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখা গেছে, তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে গণভোটের সমর্থনে বা তথ্যবহুল প্রচারণা তেমন দেখা যায়নি। কিছু নির্বাচনী ব্যানার ও প্রচারণা হয়েছে কেবল সদর উপজেলার দুই-তিনটি স্থানে। গ্রামীণ ভোটাররা জানেন না হ্যাঁ বা না ভোটের প্রভাব কী হতে পারে। জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত বলেন, তারা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে জেলা ও উপজেলার বাইরে কার্যকর কোনো প্রচারণা করা হয়নি। সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, ৩৬০টি ব্যানার ও এক লাখ ৮০ হাজার লিফলেট বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ব্যানারগুলো জেলা ও উপজেলা সদরে টানানো হয়েছে, এবং লিফলেট দ্রুত বিতরণ করা হবে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এবং ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা না হলে ভোটে অংশগ্রহণের হার নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

টাঙ্গাইল জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দায়সারা কাজের অভিযোগ

ছবি: প্রতিনিধি

বিদ্রোহী প্রার্থী আতা মানসিক ভারসাম্যহীন ও নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত

ছবি: প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঝিনাইদহে নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার

0 Comments